হরমুজ প্রণালিতে ৩ পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের হামলা

হরমুজ প্রণালিতে ৩ পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের হামলা
সিটিজেন ডেস্ক

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বুধবার (২২ এপ্রিল) অন্তত ৩টি কন্টেইনার জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় সম্প্রতি তেহরান এ জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করার পরপরই এ হামলার ঘটনা ঘটলো।
ইউকেএমটিও এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওমানের উত্তর-পূর্বে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ও গ্রিস চালিত একটি কন্টেইনার জাহাজে গুলি ও রকেট-চালিত গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজটির ওপরের অংশ বা ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাহাজের ক্যাপ্টেন জানিয়েছেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি গানবোট কোনো ধরনের আগাম সতর্কবার্তা বা যোগাযোগ ছাড়াই তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এর কিছুক্ষণ পরেই ইরান থেকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে পানামার পতাকাবাহী দ্বিতীয় আরেকটি কন্টেইনার জাহাজে গুলিবর্ষণের খবর পাওয়া যায়, তবে সেটিতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।
এদিকে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, একই সময়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী তৃতীয় আরেকটি জাহাজ হামলার শিকার হয়ে মাঝসমুদ্রে থেমে গেছে। আক্রান্ত সবকটি জাহাজের নাবিকেরা বর্তমানে নিরাপদ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। বর্তমানে প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ব তেল বাণিজ্যের ওপর এর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বুধবার (২২ এপ্রিল) অন্তত ৩টি কন্টেইনার জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় সম্প্রতি তেহরান এ জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করার পরপরই এ হামলার ঘটনা ঘটলো।
ইউকেএমটিও এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওমানের উত্তর-পূর্বে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ও গ্রিস চালিত একটি কন্টেইনার জাহাজে গুলি ও রকেট-চালিত গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজটির ওপরের অংশ বা ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাহাজের ক্যাপ্টেন জানিয়েছেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি গানবোট কোনো ধরনের আগাম সতর্কবার্তা বা যোগাযোগ ছাড়াই তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এর কিছুক্ষণ পরেই ইরান থেকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে পানামার পতাকাবাহী দ্বিতীয় আরেকটি কন্টেইনার জাহাজে গুলিবর্ষণের খবর পাওয়া যায়, তবে সেটিতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।
এদিকে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, একই সময়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী তৃতীয় আরেকটি জাহাজ হামলার শিকার হয়ে মাঝসমুদ্রে থেমে গেছে। আক্রান্ত সবকটি জাহাজের নাবিকেরা বর্তমানে নিরাপদ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। বর্তমানে প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ব তেল বাণিজ্যের ওপর এর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

হরমুজ প্রণালিতে ৩ পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের হামলা
সিটিজেন ডেস্ক

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বুধবার (২২ এপ্রিল) অন্তত ৩টি কন্টেইনার জাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধের প্রতিক্রিয়ায় সম্প্রতি তেহরান এ জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করার পরপরই এ হামলার ঘটনা ঘটলো।
ইউকেএমটিও এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওমানের উত্তর-পূর্বে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ও গ্রিস চালিত একটি কন্টেইনার জাহাজে গুলি ও রকেট-চালিত গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজটির ওপরের অংশ বা ব্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জাহাজের ক্যাপ্টেন জানিয়েছেন, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি গানবোট কোনো ধরনের আগাম সতর্কবার্তা বা যোগাযোগ ছাড়াই তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এর কিছুক্ষণ পরেই ইরান থেকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে পানামার পতাকাবাহী দ্বিতীয় আরেকটি কন্টেইনার জাহাজে গুলিবর্ষণের খবর পাওয়া যায়, তবে সেটিতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর মেলেনি।
এদিকে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, একই সময়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী তৃতীয় আরেকটি জাহাজ হামলার শিকার হয়ে মাঝসমুদ্রে থেমে গেছে। আক্রান্ত সবকটি জাহাজের নাবিকেরা বর্তমানে নিরাপদ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। বর্তমানে প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ব তেল বাণিজ্যের ওপর এর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
সূত্র: রয়টার্স




