ইরানের প্রস্তাব নয়, বাস্তবায়নের ধাপ বদলাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: বিশ্লেষক

ইরানের প্রস্তাব নয়, বাস্তবায়নের ধাপ বদলাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: বিশ্লেষক
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত থামাতে ওয়াশিংটন যে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে মূল শর্তের চেয়ে সময়সূচি আর ধাপগুলো বদলানোর ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন এক বিশেষজ্ঞ।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক লুচিয়ানো জাকারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো সংঘাত অবসানের জন্য তেহরানের দেওয়া ৭ দিনের পরিকল্পনা পুরোপুরি ফেলে দিচ্ছে না, বরং এর ছক বা সময়সীমা বদলাতে চাইছে।
এর আগে ইরান সাত দিনের মধ্যে হরমুজপ্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া ও সংঘাত বন্ধের একটি প্রস্তাব দিয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওয়াশিংটনকে প্রথমে সামরিক চাপ কমাতে হবে, নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং অবরুদ্ধ হওয়া প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় দিতে হবে।
এর বিপরীতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনার কথা বলেছিল তেহরান। তাদের পরিকল্পনা ছিল, প্রথম চার-পাঁচ দিনে প্রাথমিক পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হবে এবং ষষ্ঠ দিনে হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।
যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ধারাবাহিকতা বা সময়সীমা নিয়ে একমত নয়। তারা চাচ্ছে অন্য কোনো ভাবে কাজগুলো এগিয়ে নিতে। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে এখন মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে কোন কাজটি আগে করা হবে আর কোনটি পরে।
এ বিষয়ে লুচিয়ানো জাকারা বলেন, “আমি মনে করি, তারা কী নিয়ে আলোচনা করবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আপত্তি করছে না। বরং চুক্তির বিভিন্ন দিক বাস্তবায়নের ক্রম কী হবে, সেটি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে।”
দুই পক্ষই এখন যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে পিছু হটার রাস্তা খুঁজছে। এ বিষয়ে জাকারা বলেন, “আমি মনে করি, উভয় পক্ষই একই সময়ে নিজেদের সম্মান রক্ষা করে এ যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে।”
সব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতির মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কে আগে পদক্ষেপ নেবে- এ প্রশ্নটি। দুই দেশের মধ্যে আস্থার বড় ঘাটতি থাকায় এক পক্ষ ছাড় দেওয়ার পর অন্য পক্ষ কথা রাখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
ফলে নতুন মার্কিন প্রস্তাবকে সরাসরি চুক্তি নাকচ না ভেবে, বরং সমঝোতার পদ্ধতি ও নিয়মকানুন নিয়ে নতুন করে দর-কষাকষির একটি অংশ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত থামাতে ওয়াশিংটন যে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে মূল শর্তের চেয়ে সময়সূচি আর ধাপগুলো বদলানোর ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন এক বিশেষজ্ঞ।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক লুচিয়ানো জাকারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো সংঘাত অবসানের জন্য তেহরানের দেওয়া ৭ দিনের পরিকল্পনা পুরোপুরি ফেলে দিচ্ছে না, বরং এর ছক বা সময়সীমা বদলাতে চাইছে।
এর আগে ইরান সাত দিনের মধ্যে হরমুজপ্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া ও সংঘাত বন্ধের একটি প্রস্তাব দিয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওয়াশিংটনকে প্রথমে সামরিক চাপ কমাতে হবে, নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং অবরুদ্ধ হওয়া প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় দিতে হবে।
এর বিপরীতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনার কথা বলেছিল তেহরান। তাদের পরিকল্পনা ছিল, প্রথম চার-পাঁচ দিনে প্রাথমিক পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হবে এবং ষষ্ঠ দিনে হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।
যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ধারাবাহিকতা বা সময়সীমা নিয়ে একমত নয়। তারা চাচ্ছে অন্য কোনো ভাবে কাজগুলো এগিয়ে নিতে। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে এখন মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে কোন কাজটি আগে করা হবে আর কোনটি পরে।
এ বিষয়ে লুচিয়ানো জাকারা বলেন, “আমি মনে করি, তারা কী নিয়ে আলোচনা করবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আপত্তি করছে না। বরং চুক্তির বিভিন্ন দিক বাস্তবায়নের ক্রম কী হবে, সেটি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে।”
দুই পক্ষই এখন যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে পিছু হটার রাস্তা খুঁজছে। এ বিষয়ে জাকারা বলেন, “আমি মনে করি, উভয় পক্ষই একই সময়ে নিজেদের সম্মান রক্ষা করে এ যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে।”
সব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতির মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কে আগে পদক্ষেপ নেবে- এ প্রশ্নটি। দুই দেশের মধ্যে আস্থার বড় ঘাটতি থাকায় এক পক্ষ ছাড় দেওয়ার পর অন্য পক্ষ কথা রাখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
ফলে নতুন মার্কিন প্রস্তাবকে সরাসরি চুক্তি নাকচ না ভেবে, বরং সমঝোতার পদ্ধতি ও নিয়মকানুন নিয়ে নতুন করে দর-কষাকষির একটি অংশ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের প্রস্তাব নয়, বাস্তবায়নের ধাপ বদলাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র: বিশ্লেষক
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাত থামাতে ওয়াশিংটন যে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে মূল শর্তের চেয়ে সময়সূচি আর ধাপগুলো বদলানোর ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন এক বিশেষজ্ঞ।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জর্জটাউন ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক লুচিয়ানো জাকারা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র হয়তো সংঘাত অবসানের জন্য তেহরানের দেওয়া ৭ দিনের পরিকল্পনা পুরোপুরি ফেলে দিচ্ছে না, বরং এর ছক বা সময়সীমা বদলাতে চাইছে।
এর আগে ইরান সাত দিনের মধ্যে হরমুজপ্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া ও সংঘাত বন্ধের একটি প্রস্তাব দিয়েছিল। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওয়াশিংটনকে প্রথমে সামরিক চাপ কমাতে হবে, নৌ অবরোধ তুলে নিতে হবে এবং অবরুদ্ধ হওয়া প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড় দিতে হবে।
এর বিপরীতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনার কথা বলেছিল তেহরান। তাদের পরিকল্পনা ছিল, প্রথম চার-পাঁচ দিনে প্রাথমিক পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হবে এবং ষষ্ঠ দিনে হরমুজ প্রণালি নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।
যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের ধারাবাহিকতা বা সময়সীমা নিয়ে একমত নয়। তারা চাচ্ছে অন্য কোনো ভাবে কাজগুলো এগিয়ে নিতে। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে এখন মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে কোন কাজটি আগে করা হবে আর কোনটি পরে।
এ বিষয়ে লুচিয়ানো জাকারা বলেন, “আমি মনে করি, তারা কী নিয়ে আলোচনা করবে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আপত্তি করছে না। বরং চুক্তির বিভিন্ন দিক বাস্তবায়নের ক্রম কী হবে, সেটি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে।”
দুই পক্ষই এখন যুদ্ধ থেকে সম্মানজনকভাবে পিছু হটার রাস্তা খুঁজছে। এ বিষয়ে জাকারা বলেন, “আমি মনে করি, উভয় পক্ষই একই সময়ে নিজেদের সম্মান রক্ষা করে এ যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে।”
সব মিলিয়ে বর্তমান পরিস্থিতির মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে কে আগে পদক্ষেপ নেবে- এ প্রশ্নটি। দুই দেশের মধ্যে আস্থার বড় ঘাটতি থাকায় এক পক্ষ ছাড় দেওয়ার পর অন্য পক্ষ কথা রাখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
ফলে নতুন মার্কিন প্রস্তাবকে সরাসরি চুক্তি নাকচ না ভেবে, বরং সমঝোতার পদ্ধতি ও নিয়মকানুন নিয়ে নতুন করে দর-কষাকষির একটি অংশ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকেরা।
সূত্র: আল জাজিরা

সৌদি আরবকে রক্ষায় যেকোনো উপায়ে পাশে থাকার অঙ্গীকার পাকিস্তানের







