সৌদি আরবে নামলো ইসরায়েলিদের বহনকারী বিমান, নেপথ্যে কী?

সৌদি আরবে নামলো ইসরায়েলিদের বহনকারী বিমান, নেপথ্যে কী?
সিজেডএন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী একটি বাণিজ্যিক বিমান বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে বিমানটির পাইলট ও কো-পাইলটের হাতাহাতিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে এবং বিমানে থাকা সবাই নিরাপদ আছেন।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে বিমানটিকে বাধ্য হয়ে অন্য পথে ঘুরিয়ে নিতে হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোরে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করার প্রায় দুই ঘণ্টা পর ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি থেকে প্রথম জরুরি সংকেত পাঠানো হয়। এর মাত্র কয়েক মিনিট পরই সিগন্যালটি এমন একটি কোডে পরিবর্তিত হয় যা সাধারণত বিমান ছিনতাইয়ের সময় ব্যবহার করা হয়। তবে কিছুক্ষণ বাদেই সেটা আবার সাধারণ জরুরি সংকেতে ফিরে আসে।
এ বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, এটি কোনো বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ছিল না। মূলত পাইলট এবং সহ-পাইলটের মধ্যকার তীব্র বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির কারণেই এমন বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি ও সংকেতের সৃষ্টি হয়েছিল। বিমানটিতে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের সিংহভাগই ইসরায়েলি নাগরিক।
তেল আবিবের বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দরে তাদের অবতরণ করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিমানটি পরিকল্পনা বদল করে উত্তর-পূর্ব সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নামে।
মাঝ আকাশে পাইলটদের এমন অপ্রীতিকর আচরণের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নড়েচড়ে বসেছে ইসরায়েলি প্রশাসন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির বিমান বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে, ঘটনাটি নিয়ে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
সূত্র: বিবিসি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী একটি বাণিজ্যিক বিমান বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে বিমানটির পাইলট ও কো-পাইলটের হাতাহাতিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে এবং বিমানে থাকা সবাই নিরাপদ আছেন।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে বিমানটিকে বাধ্য হয়ে অন্য পথে ঘুরিয়ে নিতে হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোরে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করার প্রায় দুই ঘণ্টা পর ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি থেকে প্রথম জরুরি সংকেত পাঠানো হয়। এর মাত্র কয়েক মিনিট পরই সিগন্যালটি এমন একটি কোডে পরিবর্তিত হয় যা সাধারণত বিমান ছিনতাইয়ের সময় ব্যবহার করা হয়। তবে কিছুক্ষণ বাদেই সেটা আবার সাধারণ জরুরি সংকেতে ফিরে আসে।
এ বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, এটি কোনো বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ছিল না। মূলত পাইলট এবং সহ-পাইলটের মধ্যকার তীব্র বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির কারণেই এমন বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি ও সংকেতের সৃষ্টি হয়েছিল। বিমানটিতে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের সিংহভাগই ইসরায়েলি নাগরিক।
তেল আবিবের বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দরে তাদের অবতরণ করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিমানটি পরিকল্পনা বদল করে উত্তর-পূর্ব সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নামে।
মাঝ আকাশে পাইলটদের এমন অপ্রীতিকর আচরণের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নড়েচড়ে বসেছে ইসরায়েলি প্রশাসন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির বিমান বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে, ঘটনাটি নিয়ে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
সূত্র: বিবিসি

সৌদি আরবে নামলো ইসরায়েলিদের বহনকারী বিমান, নেপথ্যে কী?
সিজেডএন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইসরায়েলগামী একটি বাণিজ্যিক বিমান বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাতে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে বিমানটির পাইলট ও কো-পাইলটের হাতাহাতিকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে এবং বিমানে থাকা সবাই নিরাপদ আছেন।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জেরে বিমানটিকে বাধ্য হয়ে অন্য পথে ঘুরিয়ে নিতে হয়। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, বুধবার ভোরে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করার প্রায় দুই ঘণ্টা পর ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানটি থেকে প্রথম জরুরি সংকেত পাঠানো হয়। এর মাত্র কয়েক মিনিট পরই সিগন্যালটি এমন একটি কোডে পরিবর্তিত হয় যা সাধারণত বিমান ছিনতাইয়ের সময় ব্যবহার করা হয়। তবে কিছুক্ষণ বাদেই সেটা আবার সাধারণ জরুরি সংকেতে ফিরে আসে।
এ বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানিয়েছে, এটি কোনো বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা ছিল না। মূলত পাইলট এবং সহ-পাইলটের মধ্যকার তীব্র বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির কারণেই এমন বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি ও সংকেতের সৃষ্টি হয়েছিল। বিমানটিতে প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের সিংহভাগই ইসরায়েলি নাগরিক।
তেল আবিবের বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দরে তাদের অবতরণ করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত বিমানটি পরিকল্পনা বদল করে উত্তর-পূর্ব সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে নামে।
মাঝ আকাশে পাইলটদের এমন অপ্রীতিকর আচরণের খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নড়েচড়ে বসেছে ইসরায়েলি প্রশাসন। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির বিমান বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে, ঘটনাটি নিয়ে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
সূত্র: বিবিসি

দুই দশক পর মার্কিন সেনামুক্ত ইরাক 







