হুথির ১৮৬০ যোদ্ধা হতাহত, দাবি ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর

হুথির ১৮৬০ যোদ্ধা হতাহত, দাবি ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধারে বড় আকারের পাল্টা অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। ‘ডন অব ইয়েমেন’ নামের অভিযানে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮৬০ জন হুথি যোদ্ধাকেনিহত বা আহত করার দাবি করেছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জানান, হুথিদের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ২ হাজার ১০৩টি অভিযান চালানো হয়েছে। সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেন সরকার আরও জানিয়েছে, তাদের বাহিনী পশ্চিম তাইজের উপকূলীয় এলাকার কৌশলগত পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
এর আগে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রশাদ আল-আলিমি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের ঘোষণা দেন। ২০১৪ সাল থেকে রাজধানী সানাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে রাখা আনসার আল্লাহ বা হুথিদের সম্পূর্ণ পরাস্ত করাই এ অভিযানের মূল লক্ষ্য।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে লড়াইয়ের প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশেপাশের এলাকা। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় এ বিকল্প নৌপথটি জ্বালানি পরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
যুদ্ধের চরম উত্তেজনার মধ্যেই বুধবার (৭ অক্টোবর) সা’দা, হোদাইদাহ, আল-জাওফ ও মারিব প্রদেশে হুথিদের ৮২টি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আঘাত হানা অবস্থানগুলোর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ছাড়াও সা’দায় অবস্থিত ১১টি পাহাড়-ভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র গুদাম, কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং অস্ত্রাগার ছিল।
মূলত মঙ্গলবার ও বুধবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই এ পাল্টা বিমান হামলা চালায় জোট। সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (জিএসিএ) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলায় ১ জন নিহত ও ৮ জন আহত হন। অন্যদিকে আভা বিমানবন্দরে হামলায় প্রাণ হারান ২ জন এবং আহত হন আরও ২৮ জন।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার জাতিসংঘের মহাসচিবের বিশেষ দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘে ইয়েমেনের স্থায়ী প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল-সাদি। বৈঠকে আল-সাদি অভিযোগ করেন, হুথিরা সরকারের প্রস্তাবিত শান্তি উদ্যোগ ও উত্তেজনা প্রশমনের সব চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করে চলেছে।
তিনি বলেন, সরকারের একমাত্র লক্ষ্য হলো সারা দেশে আবার নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং হুথিদের যুদ্ধের সক্ষমতা চিরতরে শেষ করে দেওয়া। ইয়েমেন সরকার কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতির ফাঁদে পা দিতে চায় না, কারণ এতে কিছুদিন পর আবার সংঘাত তৈরি হয়। তারা কেবল এ যুদ্ধের একটি স্থায়ী ও চূড়ান্ত অবসান দেখতে চায়।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধারে বড় আকারের পাল্টা অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। ‘ডন অব ইয়েমেন’ নামের অভিযানে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮৬০ জন হুথি যোদ্ধাকেনিহত বা আহত করার দাবি করেছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জানান, হুথিদের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ২ হাজার ১০৩টি অভিযান চালানো হয়েছে। সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেন সরকার আরও জানিয়েছে, তাদের বাহিনী পশ্চিম তাইজের উপকূলীয় এলাকার কৌশলগত পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
এর আগে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রশাদ আল-আলিমি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের ঘোষণা দেন। ২০১৪ সাল থেকে রাজধানী সানাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে রাখা আনসার আল্লাহ বা হুথিদের সম্পূর্ণ পরাস্ত করাই এ অভিযানের মূল লক্ষ্য।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে লড়াইয়ের প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশেপাশের এলাকা। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় এ বিকল্প নৌপথটি জ্বালানি পরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
যুদ্ধের চরম উত্তেজনার মধ্যেই বুধবার (৭ অক্টোবর) সা’দা, হোদাইদাহ, আল-জাওফ ও মারিব প্রদেশে হুথিদের ৮২টি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আঘাত হানা অবস্থানগুলোর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ছাড়াও সা’দায় অবস্থিত ১১টি পাহাড়-ভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র গুদাম, কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং অস্ত্রাগার ছিল।
মূলত মঙ্গলবার ও বুধবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই এ পাল্টা বিমান হামলা চালায় জোট। সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (জিএসিএ) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলায় ১ জন নিহত ও ৮ জন আহত হন। অন্যদিকে আভা বিমানবন্দরে হামলায় প্রাণ হারান ২ জন এবং আহত হন আরও ২৮ জন।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার জাতিসংঘের মহাসচিবের বিশেষ দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘে ইয়েমেনের স্থায়ী প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল-সাদি। বৈঠকে আল-সাদি অভিযোগ করেন, হুথিরা সরকারের প্রস্তাবিত শান্তি উদ্যোগ ও উত্তেজনা প্রশমনের সব চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করে চলেছে।
তিনি বলেন, সরকারের একমাত্র লক্ষ্য হলো সারা দেশে আবার নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং হুথিদের যুদ্ধের সক্ষমতা চিরতরে শেষ করে দেওয়া। ইয়েমেন সরকার কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতির ফাঁদে পা দিতে চায় না, কারণ এতে কিছুদিন পর আবার সংঘাত তৈরি হয়। তারা কেবল এ যুদ্ধের একটি স্থায়ী ও চূড়ান্ত অবসান দেখতে চায়।
সূত্র: আল জাজিরা

হুথির ১৮৬০ যোদ্ধা হতাহত, দাবি ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলগুলো পুনরুদ্ধারে বড় আকারের পাল্টা অভিযান শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। ‘ডন অব ইয়েমেন’ নামের অভিযানে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৮৬০ জন হুথি যোদ্ধাকেনিহত বা আহত করার দাবি করেছে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকার।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জানান, হুথিদের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে ২ হাজার ১০৩টি অভিযান চালানো হয়েছে। সৌদি আরবের সমর্থনপুষ্ট ইয়েমেন সরকার আরও জানিয়েছে, তাদের বাহিনী পশ্চিম তাইজের উপকূলীয় এলাকার কৌশলগত পাহাড়ি অঞ্চলগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।
এর আগে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান রশাদ আল-আলিমি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ডন অব ইয়েমেন’ অভিযানের ঘোষণা দেন। ২০১৪ সাল থেকে রাজধানী সানাসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল দখল করে রাখা আনসার আল্লাহ বা হুথিদের সম্পূর্ণ পরাস্ত করাই এ অভিযানের মূল লক্ষ্য।
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে লড়াইয়ের প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশেপাশের এলাকা। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ চলাকালে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ায় এ বিকল্প নৌপথটি জ্বালানি পরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
যুদ্ধের চরম উত্তেজনার মধ্যেই বুধবার (৭ অক্টোবর) সা’দা, হোদাইদাহ, আল-জাওফ ও মারিব প্রদেশে হুথিদের ৮২টি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। জোটের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আঘাত হানা অবস্থানগুলোর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি ছাড়াও সা’দায় অবস্থিত ১১টি পাহাড়-ভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র গুদাম, কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার, যোগাযোগ ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র এবং অস্ত্রাগার ছিল।
মূলত মঙ্গলবার ও বুধবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই এ পাল্টা বিমান হামলা চালায় জোট। সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (জিএসিএ) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিং খালিদ বিমানবন্দরে হামলায় ১ জন নিহত ও ৮ জন আহত হন। অন্যদিকে আভা বিমানবন্দরে হামলায় প্রাণ হারান ২ জন এবং আহত হন আরও ২৮ জন।
এ পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার জাতিসংঘের মহাসচিবের বিশেষ দূত হান্স গ্রুন্ডবার্গের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘে ইয়েমেনের স্থায়ী প্রতিনিধি আবদুল্লাহ আল-সাদি। বৈঠকে আল-সাদি অভিযোগ করেন, হুথিরা সরকারের প্রস্তাবিত শান্তি উদ্যোগ ও উত্তেজনা প্রশমনের সব চেষ্টা প্রত্যাখ্যান করে চলেছে।
তিনি বলেন, সরকারের একমাত্র লক্ষ্য হলো সারা দেশে আবার নিজেদের শাসন প্রতিষ্ঠা করা এবং হুথিদের যুদ্ধের সক্ষমতা চিরতরে শেষ করে দেওয়া। ইয়েমেন সরকার কোনো সাময়িক যুদ্ধবিরতির ফাঁদে পা দিতে চায় না, কারণ এতে কিছুদিন পর আবার সংঘাত তৈরি হয়। তারা কেবল এ যুদ্ধের একটি স্থায়ী ও চূড়ান্ত অবসান দেখতে চায়।
সূত্র: আল জাজিরা

হুথিদের রুখতে সৌদিতে সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের







