বিশ্ব থেকে কেন ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে ইসরায়েল

বিশ্ব থেকে কেন ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েল দিন দিন একা হয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ। বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে তেল আবিবের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করতে হামাস, কাতার ও ইরানের দীর্ঘদিনের সুপরিকল্পিত চক্রান্তকেই এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন তিনি।
তেল আবিবের রাইখম্যান বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী সম্মেলনের বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
লাপিদ বলেন, ‘হামাস, কাতার এবং ইরান সবসময় চেয়েছে আমরা যেন বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন থাকি। আর এখন বিশ্বই আমাদের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের এ কোণঠাসা অবস্থার নানা উদাহরণ তুলে ধরেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী। তিনি দ্য হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, নেদারল্যান্ডসের বিমানবন্দরে ইসরায়েলিদের লাগেজ তল্লাশি করা, আয়ারল্যান্ডে ফুটবল নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক, ইউরোভিশন বয়কটের ডাক এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বিশ্ব নেতাদের ওয়াক আউট করার বিষয়গুলো মনে করিয়ে দেন।
তিনি বলেন, ‘তারা বছরের পর বছর ধরে এর ওপর কাজ করেছে, এবং এখন তা ঘটছে। এগুলো আমাদের সঙ্গে এমনি এমনি ঘটেনি। এটা তাদের পরিকল্পনা ছিল। শুরু থেকেই এটাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য।’
দীর্ঘদিন ধরেই নেতানিয়াহু সরকারের চরম কূটনৈতিক ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করে আসছেন ইয়ার লাপিদ। এমনিতেই নিজ দেশে ঘুষ, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মতো তিনটি বড় দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত নেতানিয়াহু। এর বাইরে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতও (আইসিসি) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
এদিকে গাজায় ইসরায়েলি ধ্বংসযজ্ঞের তিন বছর পেরিয়ে গেলেও থামেনি সংঘাত। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি একের পর এক লঙ্ঘন করে চলেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ হামলায় এ পর্যন্ত ৭৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েল দিন দিন একা হয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ। বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে তেল আবিবের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করতে হামাস, কাতার ও ইরানের দীর্ঘদিনের সুপরিকল্পিত চক্রান্তকেই এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন তিনি।
তেল আবিবের রাইখম্যান বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী সম্মেলনের বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
লাপিদ বলেন, ‘হামাস, কাতার এবং ইরান সবসময় চেয়েছে আমরা যেন বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন থাকি। আর এখন বিশ্বই আমাদের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের এ কোণঠাসা অবস্থার নানা উদাহরণ তুলে ধরেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী। তিনি দ্য হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, নেদারল্যান্ডসের বিমানবন্দরে ইসরায়েলিদের লাগেজ তল্লাশি করা, আয়ারল্যান্ডে ফুটবল নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক, ইউরোভিশন বয়কটের ডাক এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বিশ্ব নেতাদের ওয়াক আউট করার বিষয়গুলো মনে করিয়ে দেন।
তিনি বলেন, ‘তারা বছরের পর বছর ধরে এর ওপর কাজ করেছে, এবং এখন তা ঘটছে। এগুলো আমাদের সঙ্গে এমনি এমনি ঘটেনি। এটা তাদের পরিকল্পনা ছিল। শুরু থেকেই এটাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য।’
দীর্ঘদিন ধরেই নেতানিয়াহু সরকারের চরম কূটনৈতিক ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করে আসছেন ইয়ার লাপিদ। এমনিতেই নিজ দেশে ঘুষ, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মতো তিনটি বড় দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত নেতানিয়াহু। এর বাইরে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতও (আইসিসি) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
এদিকে গাজায় ইসরায়েলি ধ্বংসযজ্ঞের তিন বছর পেরিয়ে গেলেও থামেনি সংঘাত। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি একের পর এক লঙ্ঘন করে চলেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ হামলায় এ পর্যন্ত ৭৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

বিশ্ব থেকে কেন ক্রমেই বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েল দিন দিন একা হয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ। বিশ্ব সম্প্রদায়ের সঙ্গে তেল আবিবের সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করতে হামাস, কাতার ও ইরানের দীর্ঘদিনের সুপরিকল্পিত চক্রান্তকেই এ পরিস্থিতির জন্য দায়ী করেছেন তিনি।
তেল আবিবের রাইখম্যান বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী সম্মেলনের বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
লাপিদ বলেন, ‘হামাস, কাতার এবং ইরান সবসময় চেয়েছে আমরা যেন বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন থাকি। আর এখন বিশ্বই আমাদের থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করে নিচ্ছে।’
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলের এ কোণঠাসা অবস্থার নানা উদাহরণ তুলে ধরেন সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী। তিনি দ্য হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, নেদারল্যান্ডসের বিমানবন্দরে ইসরায়েলিদের লাগেজ তল্লাশি করা, আয়ারল্যান্ডে ফুটবল নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক, ইউরোভিশন বয়কটের ডাক এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বিশ্ব নেতাদের ওয়াক আউট করার বিষয়গুলো মনে করিয়ে দেন।
তিনি বলেন, ‘তারা বছরের পর বছর ধরে এর ওপর কাজ করেছে, এবং এখন তা ঘটছে। এগুলো আমাদের সঙ্গে এমনি এমনি ঘটেনি। এটা তাদের পরিকল্পনা ছিল। শুরু থেকেই এটাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য।’
দীর্ঘদিন ধরেই নেতানিয়াহু সরকারের চরম কূটনৈতিক ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করে আসছেন ইয়ার লাপিদ। এমনিতেই নিজ দেশে ঘুষ, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মতো তিনটি বড় দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত নেতানিয়াহু। এর বাইরে গাজা উপত্যকায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতও (আইসিসি) তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
এদিকে গাজায় ইসরায়েলি ধ্বংসযজ্ঞের তিন বছর পেরিয়ে গেলেও থামেনি সংঘাত। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি একের পর এক লঙ্ঘন করে চলেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এ হামলায় এ পর্যন্ত ৭৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ১ লাখ ৭৫ হাজার মানুষ। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইসরায়েলি হামলার ৩ বছর: চরম মানবিক বিপর্যয়ে গাজাবাসী







