শিশু আভানের মৃত্যু: ইউনিভার্সাল হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের দাবি পরিবারের

শিশু আভানের মৃত্যু: ইউনিভার্সাল হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের দাবি পরিবারের
নিজস্ব প্রতিবেদক

চার বছর বয়সী শিশু ওয়াইস করনী আভানের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে ভুল তথ্য ও ভুল চিকিৎসার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আভানের পিতা মৃদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বেসরকারি ইউনিভার্সাল হাসপাতালে গিয়েছিলাম, আমার সন্তানের সেবা পাবো বলে। কিন্তু সেই সেবা আমরা পাইনি। বরং সেবার নামে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে। আমাদের সন্তানকে মিসগাইড করে, ভুল তথ্য দিয়ে, ভুল ট্রিটমেন্ট দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গুর মৌসুম চলছে বলে আমাদের বাচ্চার মৃত্যুকেও ডেঙ্গুর মধ্যে ফেলে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কাছে অনেক এভিডেন্স আছে।’
মৃদুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার আগে এবং হাসপাতালে ভর্তির পরও ডেঙ্গু পরীক্ষার ফল নেগেটিভ ছিল। ২৭ তারিখের পরীক্ষায় ডেঙ্গু নেগেটিভ এবং প্লাটিলেট ২ লাখ ৫ হাজারের বেশি ছিল। ২৯ তারিখ ইউনিভার্সাল হাসপাতালে নেওয়ার পরও ডেঙ্গু নেগেটিভ আসে এবং প্লাটিলেট ছিল ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি।
হাসপাতালে নেওয়ার সময় শিশুটির শারীরিক অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমার বাচ্চার কোনো জ্বর ছিল না। হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার টেম্পারেচার ছিল ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট, বিপি ছিল ১০০/৭০ এবং পালস ছিল ১২০।’
মৃদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বক্তব্য ও ভিডিওতে আমার বাচ্চার জ্বর ও পেটব্যথার কথা বলেছে, যা সত্য নয়। তাদের লিখিত বক্তব্য এবং ভিডিও বক্তব্যের মধ্যেও অমিল রয়েছে।’
শিশুটির নাক দিয়ে রক্ত পড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হাসপাতালে এটিকে ‘নেজাল ব্লিডিং’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও রক্তপাতের কারণ কী, তা উল্লেখ করা হয়নি।
মৃদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ দেবো। আমাদের দাবি, প্রতিটি ডাক্তার যেন একটি বাচ্চাকে নিজের বাচ্চা মনে করে চিকিৎসা করেন। প্রাইভেট হোক বা সরকারি—চিকিৎসক ও নার্সদের মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা উচিত।’
তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান আমাদের কাছে কী ছিল, সেটা আপনাদের সামনে বললেও আপনারা উপলব্ধি করতে পারবেন না। আমাদের হৃদয়ের এই রক্তক্ষরণ কখনোই কাম্য ছিল না। কিন্তু আর কোনো পরিবার যেন এমন পরিস্থিতিতে না পড়ে, সেই কারণেই আমরা আজ কথা বলছি।’
এ সময় পরিবারের পক্ষ থেকে তিনটি দাবি তুলে ধরেছে শিশু আভানের পিতা মৃদুল ইসলাম। দাবিগুলো হলো–
১. অবিলম্বে ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল।
২. দায়ী চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল।
৩. এই ঘটনার সাথে জড়িত সব অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে এসে শাস্তি নিশ্চিত করা।
সংবাদ সম্মেলনে আভানের মা ফাহমিদা তমাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

চার বছর বয়সী শিশু ওয়াইস করনী আভানের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে ভুল তথ্য ও ভুল চিকিৎসার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আভানের পিতা মৃদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বেসরকারি ইউনিভার্সাল হাসপাতালে গিয়েছিলাম, আমার সন্তানের সেবা পাবো বলে। কিন্তু সেই সেবা আমরা পাইনি। বরং সেবার নামে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে। আমাদের সন্তানকে মিসগাইড করে, ভুল তথ্য দিয়ে, ভুল ট্রিটমেন্ট দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গুর মৌসুম চলছে বলে আমাদের বাচ্চার মৃত্যুকেও ডেঙ্গুর মধ্যে ফেলে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কাছে অনেক এভিডেন্স আছে।’
মৃদুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার আগে এবং হাসপাতালে ভর্তির পরও ডেঙ্গু পরীক্ষার ফল নেগেটিভ ছিল। ২৭ তারিখের পরীক্ষায় ডেঙ্গু নেগেটিভ এবং প্লাটিলেট ২ লাখ ৫ হাজারের বেশি ছিল। ২৯ তারিখ ইউনিভার্সাল হাসপাতালে নেওয়ার পরও ডেঙ্গু নেগেটিভ আসে এবং প্লাটিলেট ছিল ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি।
হাসপাতালে নেওয়ার সময় শিশুটির শারীরিক অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমার বাচ্চার কোনো জ্বর ছিল না। হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার টেম্পারেচার ছিল ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট, বিপি ছিল ১০০/৭০ এবং পালস ছিল ১২০।’
মৃদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বক্তব্য ও ভিডিওতে আমার বাচ্চার জ্বর ও পেটব্যথার কথা বলেছে, যা সত্য নয়। তাদের লিখিত বক্তব্য এবং ভিডিও বক্তব্যের মধ্যেও অমিল রয়েছে।’
শিশুটির নাক দিয়ে রক্ত পড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হাসপাতালে এটিকে ‘নেজাল ব্লিডিং’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও রক্তপাতের কারণ কী, তা উল্লেখ করা হয়নি।
মৃদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ দেবো। আমাদের দাবি, প্রতিটি ডাক্তার যেন একটি বাচ্চাকে নিজের বাচ্চা মনে করে চিকিৎসা করেন। প্রাইভেট হোক বা সরকারি—চিকিৎসক ও নার্সদের মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা উচিত।’
তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান আমাদের কাছে কী ছিল, সেটা আপনাদের সামনে বললেও আপনারা উপলব্ধি করতে পারবেন না। আমাদের হৃদয়ের এই রক্তক্ষরণ কখনোই কাম্য ছিল না। কিন্তু আর কোনো পরিবার যেন এমন পরিস্থিতিতে না পড়ে, সেই কারণেই আমরা আজ কথা বলছি।’
এ সময় পরিবারের পক্ষ থেকে তিনটি দাবি তুলে ধরেছে শিশু আভানের পিতা মৃদুল ইসলাম। দাবিগুলো হলো–
১. অবিলম্বে ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল।
২. দায়ী চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল।
৩. এই ঘটনার সাথে জড়িত সব অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে এসে শাস্তি নিশ্চিত করা।
সংবাদ সম্মেলনে আভানের মা ফাহমিদা তমাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শিশু আভানের মৃত্যু: ইউনিভার্সাল হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের দাবি পরিবারের
নিজস্ব প্রতিবেদক

চার বছর বয়সী শিশু ওয়াইস করনী আভানের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের দাবি জানিয়েছে তার পরিবার। পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতালে ভুল তথ্য ও ভুল চিকিৎসার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এই দাবি জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আভানের পিতা মৃদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বেসরকারি ইউনিভার্সাল হাসপাতালে গিয়েছিলাম, আমার সন্তানের সেবা পাবো বলে। কিন্তু সেই সেবা আমরা পাইনি। বরং সেবার নামে আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে। আমাদের সন্তানকে মিসগাইড করে, ভুল তথ্য দিয়ে, ভুল ট্রিটমেন্ট দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গুর মৌসুম চলছে বলে আমাদের বাচ্চার মৃত্যুকেও ডেঙ্গুর মধ্যে ফেলে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কাছে অনেক এভিডেন্স আছে।’
মৃদুল ইসলাম জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়ার আগে এবং হাসপাতালে ভর্তির পরও ডেঙ্গু পরীক্ষার ফল নেগেটিভ ছিল। ২৭ তারিখের পরীক্ষায় ডেঙ্গু নেগেটিভ এবং প্লাটিলেট ২ লাখ ৫ হাজারের বেশি ছিল। ২৯ তারিখ ইউনিভার্সাল হাসপাতালে নেওয়ার পরও ডেঙ্গু নেগেটিভ আসে এবং প্লাটিলেট ছিল ২ লাখ ৬০ হাজারের বেশি।
হাসপাতালে নেওয়ার সময় শিশুটির শারীরিক অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমার বাচ্চার কোনো জ্বর ছিল না। হাসপাতালে নেওয়ার সময় তার টেম্পারেচার ছিল ৯৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট, বিপি ছিল ১০০/৭০ এবং পালস ছিল ১২০।’
মৃদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন বক্তব্য ও ভিডিওতে আমার বাচ্চার জ্বর ও পেটব্যথার কথা বলেছে, যা সত্য নয়। তাদের লিখিত বক্তব্য এবং ভিডিও বক্তব্যের মধ্যেও অমিল রয়েছে।’
শিশুটির নাক দিয়ে রক্ত পড়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হাসপাতালে এটিকে ‘নেজাল ব্লিডিং’ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও রক্তপাতের কারণ কী, তা উল্লেখ করা হয়নি।
মৃদুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ দেবো। আমাদের দাবি, প্রতিটি ডাক্তার যেন একটি বাচ্চাকে নিজের বাচ্চা মনে করে চিকিৎসা করেন। প্রাইভেট হোক বা সরকারি—চিকিৎসক ও নার্সদের মানবিক আচরণ নিশ্চিত করা উচিত।’
তিনি বলেন, ‘আমার সন্তান আমাদের কাছে কী ছিল, সেটা আপনাদের সামনে বললেও আপনারা উপলব্ধি করতে পারবেন না। আমাদের হৃদয়ের এই রক্তক্ষরণ কখনোই কাম্য ছিল না। কিন্তু আর কোনো পরিবার যেন এমন পরিস্থিতিতে না পড়ে, সেই কারণেই আমরা আজ কথা বলছি।’
এ সময় পরিবারের পক্ষ থেকে তিনটি দাবি তুলে ধরেছে শিশু আভানের পিতা মৃদুল ইসলাম। দাবিগুলো হলো–
১. অবিলম্বে ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল।
২. দায়ী চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল।
৩. এই ঘটনার সাথে জড়িত সব অপরাধীকে দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে এসে শাস্তি নিশ্চিত করা।
সংবাদ সম্মেলনে আভানের মা ফাহমিদা তমাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মেয়েরা আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে: ববি হাজ্জাজ







