আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা
সিটিজেন ডেস্ক

আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১৮: ১২

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৭ মে) সংঘটিত এ হামলায় কেন্দ্রটির একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটরে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় ইরান যুদ্ধের পর সৃষ্ট ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আবুধাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় কোনো তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েনি এবং কেউ হতাহতও হননি। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার না করলেও, সন্দেহের তির সরাসরি ইরানের দিকেই যাচ্ছে। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সেনা মোতায়েন করার পর থেকেই তেহরান আবুধাবিকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিল।
এ হামলাটি এমন এক সময়ে হলো যখন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ইরান। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হতো। বর্তমানে প্রণালিটি অবরুদ্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করার আলোচনা থমকে থাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাশাপাশি ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জনগণকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার প্রচেষ্টায় বারবার এমন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করেছে যেখানে উপস্থাপকরা কালাশনিকভের মতো রাইফেল হাতে ধরে আছেন। এদিকে লেবাননে ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যেও নতুন করে হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেখানকার যুদ্ধবিরতিও এখন হুমকির মুখে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৭ মে) সংঘটিত এ হামলায় কেন্দ্রটির একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটরে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় ইরান যুদ্ধের পর সৃষ্ট ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আবুধাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় কোনো তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েনি এবং কেউ হতাহতও হননি। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার না করলেও, সন্দেহের তির সরাসরি ইরানের দিকেই যাচ্ছে। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সেনা মোতায়েন করার পর থেকেই তেহরান আবুধাবিকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিল।
এ হামলাটি এমন এক সময়ে হলো যখন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ইরান। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হতো। বর্তমানে প্রণালিটি অবরুদ্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করার আলোচনা থমকে থাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাশাপাশি ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জনগণকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার প্রচেষ্টায় বারবার এমন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করেছে যেখানে উপস্থাপকরা কালাশনিকভের মতো রাইফেল হাতে ধরে আছেন। এদিকে লেবাননে ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যেও নতুন করে হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেখানকার যুদ্ধবিরতিও এখন হুমকির মুখে।

আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ড্রোন হামলা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ মে ২০২৬, ১৮: ১২

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে এক ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৭ মে) সংঘটিত এ হামলায় কেন্দ্রটির একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটরে আগুন ধরে যায়। এ ঘটনায় ইরান যুদ্ধের পর সৃষ্ট ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আবুধাবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় কোনো তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েনি এবং কেউ হতাহতও হননি। এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার না করলেও, সন্দেহের তির সরাসরি ইরানের দিকেই যাচ্ছে। সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের ভূখণ্ডে ইসরায়েলের আয়রন ডোম ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সেনা মোতায়েন করার পর থেকেই তেহরান আবুধাবিকে ক্রমাগত হুমকি দিয়ে আসছিল।
এ হামলাটি এমন এক সময়ে হলো যখন কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে ইরান। যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হতো। বর্তমানে প্রণালিটি অবরুদ্ধ থাকায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতি স্থায়ী করার আলোচনা থমকে থাকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বন্দরগুলো অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও যুদ্ধ শুরুর ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাশাপাশি ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জনগণকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করার প্রচেষ্টায় বারবার এমন অনুষ্ঠান সম্প্রচার করেছে যেখানে উপস্থাপকরা কালাশনিকভের মতো রাইফেল হাতে ধরে আছেন। এদিকে লেবাননে ইসরায়েল এবং হিজবুল্লাহর মধ্যেও নতুন করে হামলা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেখানকার যুদ্ধবিরতিও এখন হুমকির মুখে।
/এমএকে/

ইসরায়েলি হামলায় গভীর অর্থনৈতিক সংকটে লেবানন


