সানা পুনরুদ্ধারে সামরিক অভিযান শুরু ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর

সানা পুনরুদ্ধারে সামরিক অভিযান শুরু ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দখল থেকে রাজধানী সানাকে মুক্ত করতে এক ‘কৌশলগত অভিযান’ শুরু করেছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সেনাবাহিনী। এর আগে লোহিত সাগর উপকূলীয় কৌশলগত অঞ্চলগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পাওয়ার পরই এ চূড়ান্ত সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইয়েমেনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবা-র বরাতে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনীর বিশেষ ইউনিট ইতোমধ্যে তাইজ গভর্নরেটের পশ্চিমাঞ্চলীয় ধুবাব জেলা এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সরকারি বাহিনী ‘হোমল্যান্ড শিল্ড ফোর্সেস’ এবং ‘জায়ান্টস ব্রিগেডের’ সেনারা সেখানে বিমান হামলার সহায়তা নিয়ে বড় আকারের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সামরিক অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার-জেনারেল মজিদ আল-নুজাইলি। তিনি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সানায় একটি কৌশলগত সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
আল-নুজাইলি আরও বলেন, ইয়েমেনি বাহিনী লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ বাব আল-মানদেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছে এবং তাইজ গভর্নরেটের উপকূলীয় ধুবাব বিমানবন্দরও পুনরুদ্ধার করেছে। স্থলবাহিনীর জোরালো আক্রমণ ও বিমান হামলায় বহু হুথি যোদ্ধা এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
আল-নুজাইলি বলেন, ধুবাব বিমানবন্দর সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাহিনীগুলো ধুবাব ও মোখার মধ্যকার সড়কটি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।
সামরিক এ মুখপাত্র বলেন, ধুবাব এলাকায় অবরুদ্ধ শত শত হুথি সদস্যকে অবশ্যই সরকারি বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে। অবরুদ্ধ হওয়ার পর কিছু হুথি মিলিশিয়া সমুদ্রপথে পালিয়ে গেছে। আনসার আল্লাহ নামে পরিচিত সশস্ত্র গোষ্ঠীটি সাম্প্রতিক মুখোমুখি লড়াইয়ে বিপুল সংখ্যক যোদ্ধা হারিয়েছে এবং তাদের ভারী সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। বর্তমানে পুনরুদ্ধার করা এলাকাগুলোতে চিরুনি অভিযান ও নিরাপত্তা তল্লাশি চালাচ্ছে সেনাবাহিনী।
সরকারি বাহিনীর এ বড় পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে হুথিদের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে দফায় দফায় বিমান হামলা শুরু করেছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, ইয়েমেনি বাহিনীকে সরাসরি আকাশপথে সহায়তা দিতে তাদের প্রায় ১০০টি যুদ্ধবিমান এ অভিযানে অংশ নিচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুথিরা সানা দখল করে নিলে ইয়েমেনে দীর্ঘমেয়াদি গৃহযুদ্ধ শুরু হয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার বাধ্য হয়ে এডেন শহরে নিজেদের প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর করে। ২০২২ সালে দু পক্ষের মধ্যে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি গত বছরের জুলাই মাসে ভেঙে যাওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে হুথিরা পাল্টা হামলা চালিয়ে মোখা বন্দর ও বাব আল-মানদেব প্রণালির কিছু কৌশলগত দ্বীপ দখল করেছিল। তবে দ্রুতই কৌশলগত প্রতিরোধ গড়ে তুলে মাঠপর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।
সূত্র: সৌদি গেজেট

ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দখল থেকে রাজধানী সানাকে মুক্ত করতে এক ‘কৌশলগত অভিযান’ শুরু করেছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সেনাবাহিনী। এর আগে লোহিত সাগর উপকূলীয় কৌশলগত অঞ্চলগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পাওয়ার পরই এ চূড়ান্ত সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইয়েমেনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবা-র বরাতে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনীর বিশেষ ইউনিট ইতোমধ্যে তাইজ গভর্নরেটের পশ্চিমাঞ্চলীয় ধুবাব জেলা এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সরকারি বাহিনী ‘হোমল্যান্ড শিল্ড ফোর্সেস’ এবং ‘জায়ান্টস ব্রিগেডের’ সেনারা সেখানে বিমান হামলার সহায়তা নিয়ে বড় আকারের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সামরিক অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার-জেনারেল মজিদ আল-নুজাইলি। তিনি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সানায় একটি কৌশলগত সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
আল-নুজাইলি আরও বলেন, ইয়েমেনি বাহিনী লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ বাব আল-মানদেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছে এবং তাইজ গভর্নরেটের উপকূলীয় ধুবাব বিমানবন্দরও পুনরুদ্ধার করেছে। স্থলবাহিনীর জোরালো আক্রমণ ও বিমান হামলায় বহু হুথি যোদ্ধা এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
আল-নুজাইলি বলেন, ধুবাব বিমানবন্দর সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাহিনীগুলো ধুবাব ও মোখার মধ্যকার সড়কটি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।
সামরিক এ মুখপাত্র বলেন, ধুবাব এলাকায় অবরুদ্ধ শত শত হুথি সদস্যকে অবশ্যই সরকারি বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে। অবরুদ্ধ হওয়ার পর কিছু হুথি মিলিশিয়া সমুদ্রপথে পালিয়ে গেছে। আনসার আল্লাহ নামে পরিচিত সশস্ত্র গোষ্ঠীটি সাম্প্রতিক মুখোমুখি লড়াইয়ে বিপুল সংখ্যক যোদ্ধা হারিয়েছে এবং তাদের ভারী সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। বর্তমানে পুনরুদ্ধার করা এলাকাগুলোতে চিরুনি অভিযান ও নিরাপত্তা তল্লাশি চালাচ্ছে সেনাবাহিনী।
সরকারি বাহিনীর এ বড় পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে হুথিদের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে দফায় দফায় বিমান হামলা শুরু করেছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, ইয়েমেনি বাহিনীকে সরাসরি আকাশপথে সহায়তা দিতে তাদের প্রায় ১০০টি যুদ্ধবিমান এ অভিযানে অংশ নিচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুথিরা সানা দখল করে নিলে ইয়েমেনে দীর্ঘমেয়াদি গৃহযুদ্ধ শুরু হয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার বাধ্য হয়ে এডেন শহরে নিজেদের প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর করে। ২০২২ সালে দু পক্ষের মধ্যে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি গত বছরের জুলাই মাসে ভেঙে যাওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে হুথিরা পাল্টা হামলা চালিয়ে মোখা বন্দর ও বাব আল-মানদেব প্রণালির কিছু কৌশলগত দ্বীপ দখল করেছিল। তবে দ্রুতই কৌশলগত প্রতিরোধ গড়ে তুলে মাঠপর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।
সূত্র: সৌদি গেজেট

সানা পুনরুদ্ধারে সামরিক অভিযান শুরু ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দখল থেকে রাজধানী সানাকে মুক্ত করতে এক ‘কৌশলগত অভিযান’ শুরু করেছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সেনাবাহিনী। এর আগে লোহিত সাগর উপকূলীয় কৌশলগত অঞ্চলগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য পাওয়ার পরই এ চূড়ান্ত সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
ইয়েমেনের সরকারি সংবাদ সংস্থা সাবা-র বরাতে জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনীর বিশেষ ইউনিট ইতোমধ্যে তাইজ গভর্নরেটের পশ্চিমাঞ্চলীয় ধুবাব জেলা এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। সরকারি বাহিনী ‘হোমল্যান্ড শিল্ড ফোর্সেস’ এবং ‘জায়ান্টস ব্রিগেডের’ সেনারা সেখানে বিমান হামলার সহায়তা নিয়ে বড় আকারের যৌথ অভিযান পরিচালনা করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় সামরিক অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার-জেনারেল মজিদ আল-নুজাইলি। তিনি বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সানায় একটি কৌশলগত সামরিক অভিযান শুরু করেছে।
আল-নুজাইলি আরও বলেন, ইয়েমেনি বাহিনী লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ বাব আল-মানদেব প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়েছে এবং তাইজ গভর্নরেটের উপকূলীয় ধুবাব বিমানবন্দরও পুনরুদ্ধার করেছে। স্থলবাহিনীর জোরালো আক্রমণ ও বিমান হামলায় বহু হুথি যোদ্ধা এলাকা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।
আল-নুজাইলি বলেন, ধুবাব বিমানবন্দর সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাহিনীগুলো ধুবাব ও মোখার মধ্যকার সড়কটি বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।
সামরিক এ মুখপাত্র বলেন, ধুবাব এলাকায় অবরুদ্ধ শত শত হুথি সদস্যকে অবশ্যই সরকারি বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে। অবরুদ্ধ হওয়ার পর কিছু হুথি মিলিশিয়া সমুদ্রপথে পালিয়ে গেছে। আনসার আল্লাহ নামে পরিচিত সশস্ত্র গোষ্ঠীটি সাম্প্রতিক মুখোমুখি লড়াইয়ে বিপুল সংখ্যক যোদ্ধা হারিয়েছে এবং তাদের ভারী সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে। বর্তমানে পুনরুদ্ধার করা এলাকাগুলোতে চিরুনি অভিযান ও নিরাপত্তা তল্লাশি চালাচ্ছে সেনাবাহিনী।
সরকারি বাহিনীর এ বড় পদক্ষেপে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে হুথিদের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে দফায় দফায় বিমান হামলা শুরু করেছে সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি জানান, ইয়েমেনি বাহিনীকে সরাসরি আকাশপথে সহায়তা দিতে তাদের প্রায় ১০০টি যুদ্ধবিমান এ অভিযানে অংশ নিচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুথিরা সানা দখল করে নিলে ইয়েমেনে দীর্ঘমেয়াদি গৃহযুদ্ধ শুরু হয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার বাধ্য হয়ে এডেন শহরে নিজেদের প্রধান কার্যালয় স্থানান্তর করে। ২০২২ সালে দু পক্ষের মধ্যে হওয়া একটি যুদ্ধবিরতি গত বছরের জুলাই মাসে ভেঙে যাওয়ার পর থেকে পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে হুথিরা পাল্টা হামলা চালিয়ে মোখা বন্দর ও বাব আল-মানদেব প্রণালির কিছু কৌশলগত দ্বীপ দখল করেছিল। তবে দ্রুতই কৌশলগত প্রতিরোধ গড়ে তুলে মাঠপর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী।
সূত্র: সৌদি গেজেট

হুথিদের হটিয়ে বাব আল-মান্দেবের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে সরকারি বাহিনী







