সাবেক প্রেমিকাকে ২০ বার ছুরিকাঘাতের পর আত্মহত্যার চেষ্টা তরুণের

সাবেক প্রেমিকাকে ২০ বার ছুরিকাঘাতের পর আত্মহত্যার চেষ্টা তরুণের
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের পাঞ্জাবের মোহালিতে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে তার সহকর্মী। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নারীর সাবেক প্রেমিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযুক্ত তরুণের নাম হরবিন্দর মান ওরফে হ্যারি। ঘটনার পরে সে নিজের গলায় বারবার ছুরি মেরে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে।
অফিসের সিসিটিভি ফুটেজে এই নৃশংস ঘটনাটি ধরা পড়েছে।
ফুটেজে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে অভিযুক্ত হ্যারি অফিসে প্রবেশ করে। সে সময় ভুক্তভোগী ডিম্পল নিজের ডেস্কে বসে কাজ করছিলেন। হ্যারি পেছন থেকে এসে তাকে ছুরিকাঘাত করে। প্রাণ বাঁচাতে ডিম্পল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে অভিযুক্ত তাকে অনুসরণ করে। পরে চুল ধরে টেনে অফিসের দরজার কাছে নিয়ে যায় এবং ক্রমাগত ছুরিকাঘাত করতে থাকে। এ সময় অফিসের প্রায় ৪-৫ জন কর্মচারী তাকে থামানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়।
অভিযুক্ত হরবিন্দর ডিম্পলকে ২০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে। একপর্যায়ে ডিম্পল নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
এরপর হ্যারি যেখানে ডিম্পল বসেছিলেন সেখানে যায় এবং নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। হ্যারি নিজের গলায় ৩০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে।
আতঙ্কিত কর্মচারীরা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয় এবং দুজনকে নিকটবর্তী ফোর্টিস হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডিম্পলকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্তের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, হ্যারি ও ডিম্পল প্রায় তিন বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। এ সময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে কিছুদিন আগে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। অভিযুক্ত পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করলেও ডিম্পল তাতে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। ব্যর্থ হয়ে হ্যারি হতাশ ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
তবে পুলিশ এই অপরাধের পেছনের সঠিক উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখছে। হ্যারি এবং ডিম্পলের সম্পর্ক নিয়েও তদন্ত করছে কর্মকর্তারা।
পুলিশ ইতোমধ্যেই অভিযুক্ত এবং ভুক্তভোগীর বাবা-মা উভয়কেই খবর দিয়েছে। তারা পাঞ্জাবের পাতিয়ালার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। একটি ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল থেকে সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (৫ জুন) নিহতের ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতের পাঞ্জাবের মোহালিতে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে তার সহকর্মী। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নারীর সাবেক প্রেমিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযুক্ত তরুণের নাম হরবিন্দর মান ওরফে হ্যারি। ঘটনার পরে সে নিজের গলায় বারবার ছুরি মেরে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে।
অফিসের সিসিটিভি ফুটেজে এই নৃশংস ঘটনাটি ধরা পড়েছে।
ফুটেজে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে অভিযুক্ত হ্যারি অফিসে প্রবেশ করে। সে সময় ভুক্তভোগী ডিম্পল নিজের ডেস্কে বসে কাজ করছিলেন। হ্যারি পেছন থেকে এসে তাকে ছুরিকাঘাত করে। প্রাণ বাঁচাতে ডিম্পল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে অভিযুক্ত তাকে অনুসরণ করে। পরে চুল ধরে টেনে অফিসের দরজার কাছে নিয়ে যায় এবং ক্রমাগত ছুরিকাঘাত করতে থাকে। এ সময় অফিসের প্রায় ৪-৫ জন কর্মচারী তাকে থামানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়।
অভিযুক্ত হরবিন্দর ডিম্পলকে ২০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে। একপর্যায়ে ডিম্পল নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
এরপর হ্যারি যেখানে ডিম্পল বসেছিলেন সেখানে যায় এবং নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। হ্যারি নিজের গলায় ৩০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে।
আতঙ্কিত কর্মচারীরা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয় এবং দুজনকে নিকটবর্তী ফোর্টিস হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডিম্পলকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্তের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, হ্যারি ও ডিম্পল প্রায় তিন বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। এ সময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে কিছুদিন আগে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। অভিযুক্ত পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করলেও ডিম্পল তাতে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। ব্যর্থ হয়ে হ্যারি হতাশ ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
তবে পুলিশ এই অপরাধের পেছনের সঠিক উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখছে। হ্যারি এবং ডিম্পলের সম্পর্ক নিয়েও তদন্ত করছে কর্মকর্তারা।
পুলিশ ইতোমধ্যেই অভিযুক্ত এবং ভুক্তভোগীর বাবা-মা উভয়কেই খবর দিয়েছে। তারা পাঞ্জাবের পাতিয়ালার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। একটি ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল থেকে সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (৫ জুন) নিহতের ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি

সাবেক প্রেমিকাকে ২০ বার ছুরিকাঘাতের পর আত্মহত্যার চেষ্টা তরুণের
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের পাঞ্জাবের মোহালিতে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কর্মরত এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে তার সহকর্মী। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই নারীর সাবেক প্রেমিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযুক্ত তরুণের নাম হরবিন্দর মান ওরফে হ্যারি। ঘটনার পরে সে নিজের গলায় বারবার ছুরি মেরে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে।
অফিসের সিসিটিভি ফুটেজে এই নৃশংস ঘটনাটি ধরা পড়েছে।
ফুটেজে দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে অভিযুক্ত হ্যারি অফিসে প্রবেশ করে। সে সময় ভুক্তভোগী ডিম্পল নিজের ডেস্কে বসে কাজ করছিলেন। হ্যারি পেছন থেকে এসে তাকে ছুরিকাঘাত করে। প্রাণ বাঁচাতে ডিম্পল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে অভিযুক্ত তাকে অনুসরণ করে। পরে চুল ধরে টেনে অফিসের দরজার কাছে নিয়ে যায় এবং ক্রমাগত ছুরিকাঘাত করতে থাকে। এ সময় অফিসের প্রায় ৪-৫ জন কর্মচারী তাকে থামানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়।
অভিযুক্ত হরবিন্দর ডিম্পলকে ২০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে। একপর্যায়ে ডিম্পল নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
এরপর হ্যারি যেখানে ডিম্পল বসেছিলেন সেখানে যায় এবং নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। হ্যারি নিজের গলায় ৩০ বারেরও বেশি ছুরিকাঘাত করে।
আতঙ্কিত কর্মচারীরা সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেয় এবং দুজনকে নিকটবর্তী ফোর্টিস হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডিম্পলকে মৃত ঘোষণা করেন। অভিযুক্তের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, হ্যারি ও ডিম্পল প্রায় তিন বছর ধরে একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। এ সময় তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে কিছুদিন আগে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। অভিযুক্ত পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করলেও ডিম্পল তাতে সম্মত হননি বলে জানা গেছে। ব্যর্থ হয়ে হ্যারি হতাশ ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
তবে পুলিশ এই অপরাধের পেছনের সঠিক উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখছে। হ্যারি এবং ডিম্পলের সম্পর্ক নিয়েও তদন্ত করছে কর্মকর্তারা।
পুলিশ ইতোমধ্যেই অভিযুক্ত এবং ভুক্তভোগীর বাবা-মা উভয়কেই খবর দিয়েছে। তারা পাঞ্জাবের পাতিয়ালার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। একটি ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল থেকে সমস্ত প্রমাণ সংগ্রহ করেছে। এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (৫ জুন) নিহতের ময়নাতদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতে তিন ঘণ্টায় ৪০ কুপ্রস্তাব পেলেন নারী পুলিশ কমিশনার
দিল্লির হোটেলে আগুনে বাংলাদেশি নিহত

