আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির

আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির
সিজেডএন ডেস্ক

সরকারের সঙ্গে হওয়া চুক্তি ভেঙে আন্দোলনকারীদের অযথা গ্রেপ্তার ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সরকারের এ ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রকে আবারও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৭ জুলাই) আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রঙ্কা ও সৌরভ দাস এবং জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিবল যৌথভাবে এই উদ্বেগের কথা জানান। একই সঙ্গে, আন্দোলনকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং আন্দোলনের ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণ নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সাক্ষী নামের একটি নতুন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩৬ দিনের দীর্ঘ আন্দোলন শেষে সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে যেন কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো না হয়, সেই শঙ্কায় তারা শুরু থেকেই আইনজীবী কপিল সিবলের পরামর্শ নিচ্ছিলেন। কারণ অতীতেও দেখা গেছে, আন্দোলনের গতি কমলেই একা পেয়ে বিক্ষোভকারীদের নিশানা করা হয়। তবে সিজেপির নতুন ‘সাক্ষী’ প্ল্যাটফর্মে থাকছে বিশেষ ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রযুক্তি। এর ফলে আন্দোলন চলাকালের ছবি ও ভিডিও নিখুঁত প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হলেও বা মেসেজ মুছে ফেললেও এ প্রমাণগুলো আদালতে বিকৃত করা সম্ভব হবে না।
এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি নেতা আশুতোষ রঙ্কা অভিযোগ করেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার সরকারি প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। দিল্লিসহ অন্যান্য রাজ্যে স্বেচ্ছাসেবীদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং কেবল বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে শত শত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে সরকারের সাথে হওয়া চুক্তি ও তা বাস্তবায়নের সময়সীমা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি। সিজেপির মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দেন, অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব এফআইআর বাতিল ও আটককৃতদের মুক্তি না দিলে তারা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার অনিয়ম নিরসন ও সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৬ দিন ধরে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে আসছিল সিজেপি। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শান্তিকামী আন্দোলনকারীদের ওপর থেকে সব মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাসে ২৫ জুলাই কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছিল। কিন্তু চুক্তি না মেনে উল্টো ধরপাকড় শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাটনার এসএসপি কার্তিকেয় কে শর্মা জানিয়েছেন, ২৫ জুলাইয়ের সহিংসতার অভিযোগে ৮৬ জন বিক্ষোভকারীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং ৬০ জনকে মুচলেকায় ছাড়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আটক আন্দোলনকারীদের মুক্ত করতে এবং আইনি সুরক্ষার জন্য সারা দেশের আইনজীবীদের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করে যাচ্ছে সিজেপির আইনি দল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

সরকারের সঙ্গে হওয়া চুক্তি ভেঙে আন্দোলনকারীদের অযথা গ্রেপ্তার ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সরকারের এ ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রকে আবারও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৭ জুলাই) আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রঙ্কা ও সৌরভ দাস এবং জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিবল যৌথভাবে এই উদ্বেগের কথা জানান। একই সঙ্গে, আন্দোলনকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং আন্দোলনের ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণ নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সাক্ষী নামের একটি নতুন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩৬ দিনের দীর্ঘ আন্দোলন শেষে সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে যেন কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো না হয়, সেই শঙ্কায় তারা শুরু থেকেই আইনজীবী কপিল সিবলের পরামর্শ নিচ্ছিলেন। কারণ অতীতেও দেখা গেছে, আন্দোলনের গতি কমলেই একা পেয়ে বিক্ষোভকারীদের নিশানা করা হয়। তবে সিজেপির নতুন ‘সাক্ষী’ প্ল্যাটফর্মে থাকছে বিশেষ ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রযুক্তি। এর ফলে আন্দোলন চলাকালের ছবি ও ভিডিও নিখুঁত প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হলেও বা মেসেজ মুছে ফেললেও এ প্রমাণগুলো আদালতে বিকৃত করা সম্ভব হবে না।
এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি নেতা আশুতোষ রঙ্কা অভিযোগ করেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার সরকারি প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। দিল্লিসহ অন্যান্য রাজ্যে স্বেচ্ছাসেবীদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং কেবল বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে শত শত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে সরকারের সাথে হওয়া চুক্তি ও তা বাস্তবায়নের সময়সীমা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি। সিজেপির মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দেন, অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব এফআইআর বাতিল ও আটককৃতদের মুক্তি না দিলে তারা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার অনিয়ম নিরসন ও সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৬ দিন ধরে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে আসছিল সিজেপি। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শান্তিকামী আন্দোলনকারীদের ওপর থেকে সব মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাসে ২৫ জুলাই কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছিল। কিন্তু চুক্তি না মেনে উল্টো ধরপাকড় শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাটনার এসএসপি কার্তিকেয় কে শর্মা জানিয়েছেন, ২৫ জুলাইয়ের সহিংসতার অভিযোগে ৮৬ জন বিক্ষোভকারীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং ৬০ জনকে মুচলেকায় ছাড়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আটক আন্দোলনকারীদের মুক্ত করতে এবং আইনি সুরক্ষার জন্য সারা দেশের আইনজীবীদের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করে যাচ্ছে সিজেপির আইনি দল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সিজেপির
সিজেডএন ডেস্ক

সরকারের সঙ্গে হওয়া চুক্তি ভেঙে আন্দোলনকারীদের অযথা গ্রেপ্তার ও হয়রানির গুরুতর অভিযোগ তুলেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। সরকারের এ ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কেন্দ্রকে আবারও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (২৭ জুলাই) আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রঙ্কা ও সৌরভ দাস এবং জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিবল যৌথভাবে এই উদ্বেগের কথা জানান। একই সঙ্গে, আন্দোলনকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং আন্দোলনের ডিজিটাল তথ্য-প্রমাণ নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সাক্ষী নামের একটি নতুন ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ চালু করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত ৩৬ দিনের দীর্ঘ আন্দোলন শেষে সরকার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে যেন কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো না হয়, সেই শঙ্কায় তারা শুরু থেকেই আইনজীবী কপিল সিবলের পরামর্শ নিচ্ছিলেন। কারণ অতীতেও দেখা গেছে, আন্দোলনের গতি কমলেই একা পেয়ে বিক্ষোভকারীদের নিশানা করা হয়। তবে সিজেপির নতুন ‘সাক্ষী’ প্ল্যাটফর্মে থাকছে বিশেষ ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রযুক্তি। এর ফলে আন্দোলন চলাকালের ছবি ও ভিডিও নিখুঁত প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে। মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হলেও বা মেসেজ মুছে ফেললেও এ প্রমাণগুলো আদালতে বিকৃত করা সম্ভব হবে না।
এদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সিজেপি নেতা আশুতোষ রঙ্কা অভিযোগ করেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার সরকারি প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। দিল্লিসহ অন্যান্য রাজ্যে স্বেচ্ছাসেবীদের হয়রানি করা হচ্ছে এবং কেবল বিহার ও পশ্চিমবঙ্গে শত শত শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আগামীকালের মধ্যে সরকারের সাথে হওয়া চুক্তি ও তা বাস্তবায়নের সময়সীমা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি। সিজেপির মুখপাত্র হুঁশিয়ারি দেন, অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব এফআইআর বাতিল ও আটককৃতদের মুক্তি না দিলে তারা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবেন।
উল্লেখ্য, মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার অনিয়ম নিরসন ও সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে টানা ৩৬ দিন ধরে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে আসছিল সিজেপি। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং শান্তিকামী আন্দোলনকারীদের ওপর থেকে সব মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাসে ২৫ জুলাই কর্মসূচি প্রত্যাহার করা হয়েছিল। কিন্তু চুক্তি না মেনে উল্টো ধরপাকড় শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পাটনার এসএসপি কার্তিকেয় কে শর্মা জানিয়েছেন, ২৫ জুলাইয়ের সহিংসতার অভিযোগে ৮৬ জন বিক্ষোভকারীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং ৬০ জনকে মুচলেকায় ছাড়া হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আটক আন্দোলনকারীদের মুক্ত করতে এবং আইনি সুরক্ষার জন্য সারা দেশের আইনজীবীদের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করে যাচ্ছে সিজেপির আইনি দল।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ইরান যুদ্ধে সেনা হতাহতের প্রকৃত তথ্য গোপন করছে পেন্টাগন
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেও আন্দোলন থামেনি: সিজেপি







