দিল্লিতে দুই দিনে ৩ বার আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

দিল্লিতে দুই দিনে ৩ বার আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী নয়াদিল্লি। এ ইস্যুতে আন্দোলন চলাকালে বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিল্লির ঐতিহ্যবাহী যন্তর মন্তর অভিমুখে যাওয়ার পথে পুলিশ তাদের পথ আটকে দেয় এবং দুজনকেই আটক করে। এ নিয়ে টানা দুই দিনে মোট তিনবার পুলিশের হেফাজতে গেলেন রাহুল গান্ধী। এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) একই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে যাওয়ার পথে তাকে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছিল।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের চেষ্টায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতাদের আটক করা হয়। যন্তর মন্তরে কর্মসূচির জন্য কংগ্রেস বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আগাম পুলিশি অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে দাবি করে দিল্লি পুলিশ।
বুধবার দুপুরে একটি রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়া শেষে বিরোধী দলের এমপিরা যন্তর মন্তরের দিকে রওনা হন। কিছুদূর এগোতেই ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেয় পুলিশ। প্রথমে রাহুল গান্ধীকে একটি বাসে তুলে দেওয়া হয়। অন্যদেরও আটক করার চেষ্টা করলে জোটের নেতারা বাস থেকে নেমে সড়কে বসে পড়েন। পুলিশ বারবার উঠে যাওয়ার অনুরোধ করলেও আন্দোলন চালিয়ে যান নেতারা। একপর্যায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাস্তার ওপর শুয়ে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। পরে পুলিশ রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকে বাসে তোলে।
এর আগে দিনের শুরুতেই জনপথ এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় বৈঠকে বসেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের আমন্ত্রণে আয়োজিত বৈঠকে ভোটার তালিকার কারচুপি ও নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের গতিপথ ঠিক করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, গণতন্ত্র ধ্বংস করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে নিজেদের সমস্ত অভিযোগ জনগনের সামনে তুলে ধরার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
মূলত ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর)। নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার সময় বিরোধীদলীয় এমপিদের রাস্তায় আটকে দেওয়া হয়েছিল। এরপর সেখান থেকে ফিরে এসে আকাশবাণী ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন তারা। পরবর্তীতে সেই বিক্ষোভস্থল থেকেই রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে হেফাজতে নিয়েছিল দিল্লি পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী নয়াদিল্লি। এ ইস্যুতে আন্দোলন চলাকালে বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিল্লির ঐতিহ্যবাহী যন্তর মন্তর অভিমুখে যাওয়ার পথে পুলিশ তাদের পথ আটকে দেয় এবং দুজনকেই আটক করে। এ নিয়ে টানা দুই দিনে মোট তিনবার পুলিশের হেফাজতে গেলেন রাহুল গান্ধী। এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) একই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে যাওয়ার পথে তাকে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছিল।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের চেষ্টায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতাদের আটক করা হয়। যন্তর মন্তরে কর্মসূচির জন্য কংগ্রেস বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আগাম পুলিশি অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে দাবি করে দিল্লি পুলিশ।
বুধবার দুপুরে একটি রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়া শেষে বিরোধী দলের এমপিরা যন্তর মন্তরের দিকে রওনা হন। কিছুদূর এগোতেই ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেয় পুলিশ। প্রথমে রাহুল গান্ধীকে একটি বাসে তুলে দেওয়া হয়। অন্যদেরও আটক করার চেষ্টা করলে জোটের নেতারা বাস থেকে নেমে সড়কে বসে পড়েন। পুলিশ বারবার উঠে যাওয়ার অনুরোধ করলেও আন্দোলন চালিয়ে যান নেতারা। একপর্যায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাস্তার ওপর শুয়ে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। পরে পুলিশ রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকে বাসে তোলে।
এর আগে দিনের শুরুতেই জনপথ এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় বৈঠকে বসেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের আমন্ত্রণে আয়োজিত বৈঠকে ভোটার তালিকার কারচুপি ও নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের গতিপথ ঠিক করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, গণতন্ত্র ধ্বংস করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে নিজেদের সমস্ত অভিযোগ জনগনের সামনে তুলে ধরার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
মূলত ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর)। নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার সময় বিরোধীদলীয় এমপিদের রাস্তায় আটকে দেওয়া হয়েছিল। এরপর সেখান থেকে ফিরে এসে আকাশবাণী ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন তারা। পরবর্তীতে সেই বিক্ষোভস্থল থেকেই রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে হেফাজতে নিয়েছিল দিল্লি পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি

দিল্লিতে দুই দিনে ৩ বার আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা
সিজেডএন ডেস্ক

ভারতে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদ এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজধানী নয়াদিল্লি। এ ইস্যুতে আন্দোলন চলাকালে বিরোধী জোটের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশের বাধার মুখে পড়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিল্লির ঐতিহ্যবাহী যন্তর মন্তর অভিমুখে যাওয়ার পথে পুলিশ তাদের পথ আটকে দেয় এবং দুজনকেই আটক করে। এ নিয়ে টানা দুই দিনে মোট তিনবার পুলিশের হেফাজতে গেলেন রাহুল গান্ধী। এর আগে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) একই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ে যাওয়ার পথে তাকে ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করা হয়েছিল।
এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের চেষ্টায় রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বিরোধী নেতাদের আটক করা হয়। যন্তর মন্তরে কর্মসূচির জন্য কংগ্রেস বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে আগাম পুলিশি অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে দাবি করে দিল্লি পুলিশ।
বুধবার দুপুরে একটি রেস্তোরাঁয় খাওয়া-দাওয়া শেষে বিরোধী দলের এমপিরা যন্তর মন্তরের দিকে রওনা হন। কিছুদূর এগোতেই ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে দেয় পুলিশ। প্রথমে রাহুল গান্ধীকে একটি বাসে তুলে দেওয়া হয়। অন্যদেরও আটক করার চেষ্টা করলে জোটের নেতারা বাস থেকে নেমে সড়কে বসে পড়েন। পুলিশ বারবার উঠে যাওয়ার অনুরোধ করলেও আন্দোলন চালিয়ে যান নেতারা। একপর্যায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে রাস্তার ওপর শুয়ে পড়েন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। পরে পুলিশ রাহুল ও প্রিয়াঙ্কাকে বাসে তোলে।
এর আগে দিনের শুরুতেই জনপথ এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় বৈঠকে বসেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের নেতারা। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের আমন্ত্রণে আয়োজিত বৈঠকে ভোটার তালিকার কারচুপি ও নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের গতিপথ ঠিক করা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেন, গণতন্ত্র ধ্বংস করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভোটার তালিকা নিয়ে নিজেদের সমস্ত অভিযোগ জনগনের সামনে তুলে ধরার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
মূলত ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর)। নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরে স্মারকলিপি দিতে যাওয়ার সময় বিরোধীদলীয় এমপিদের রাস্তায় আটকে দেওয়া হয়েছিল। এরপর সেখান থেকে ফিরে এসে আকাশবাণী ভবনের সামনে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেন তারা। পরবর্তীতে সেই বিক্ষোভস্থল থেকেই রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে হেফাজতে নিয়েছিল দিল্লি পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি

রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করলো পুলিশ







