ভোটার তালিকায় ৩ কোটি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ছিল: অমিত শাহ

ভোটার তালিকায় ৩ কোটি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ছিল: অমিত শাহ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাহুলগান্ধীর বিশাল জনসভার ঠিক একদিন পরই বিজেপির আয়োজিত এক কর্মসূচি থেকে পাল্টা আক্রমণ করেন শাহ। তিনি দাবি করেন, এর পেছনে রয়েছে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার চেষ্টা। পাশাপাশি তিনি জানান, তালিকায় থাকা তিন কোটি ভোটারের বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই।
ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে বিরোধীরা যে দাবি তুলেছিল, তা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন অমিত শাহ। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ৬.২৫ কোটি ভোটার কেবল নতুন ঠিকানায় চলে গেছেন, প্রায় ৩ কোটি মৃত এবং আনুমানিক ১ কোটি ভোটারের নাম নকল। বাকি ৩ কোটির কোনো অস্তিত্বই নেই- তারা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী।
লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীকে লক্ষ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কংগ্রেস মূলত ভুয়া ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন দখল করার পাঁয়তারা করছে। বিরোধী শিবিরের আপত্তির তীব্র সমালোচনা করে শাহ বলেন, যদি একজনের দুটি ভোট থাকে, তাহলে তার মধ্যে একটি বাতিল করা উচিত কি না? এবার আসা যাক রাহুল বাবার পেটব্যথার মূল কারণটিতে। তিন কোটি ভোট এমন যে, এই ভোটগুলো যাদের, তাদের কোনো অস্তিত্বই নেই।
এসআইআর এর কারণেই নাকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনে জয় পেয়েছেন- রাহুলের তোলা এ অভিযোগেরও সরাসরি জবাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাহুলের দাবিকে ভিত্তিহীন প্রমাণ করতে তিনি বলেন, আমি রাহুল জি-কে জিজ্ঞাসা করতে চাই ২০১৪ সালে মোদিজি জিতেছিলেন। তখন তো কোনো এসআইআর ছিল না, তাই না? তাহলে, মোদীজি কি এসআইআর-এর কারণে জিতেছিলেন? তিনি জনগণের ভোটে জিতেছিলেন। মোদীজি ২০১৯ সালেও জিতেছিলেন। তখন কোনো এসআইআর ছিল না। মোদিজি জিতেছিলেন কি না? তিনি ভারতের ভোটারদের কারণেই জিতেছিলেন। ২০২৪ সালের পর, আমরা মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছি। আমরা হরিয়ানায় সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছি। ৩০ বছর পর, আমরা দিল্লিতে জিতেছি। আমরা বিহারে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছি। বাংলাতেও দিদির পুরো রাজনৈতিক অবস্থান নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
বিরোধীদের এসআইআর-বিরোধী প্রচারণার জবাব দিতে বিজেপি যে দেশব্যাপী আন্দোলন কর্মসূচি নিয়েছে, তারই অংশ হিসেবে হায়দ্রাবাদে অমিত শাহের নেতৃত্বে একটি মহা পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বশিরবাগের বাবু জগজীবন রাম মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হওয়া এ পদযাত্রায় শত শত দলীয় কর্মী ও কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাহুলগান্ধীর বিশাল জনসভার ঠিক একদিন পরই বিজেপির আয়োজিত এক কর্মসূচি থেকে পাল্টা আক্রমণ করেন শাহ। তিনি দাবি করেন, এর পেছনে রয়েছে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার চেষ্টা। পাশাপাশি তিনি জানান, তালিকায় থাকা তিন কোটি ভোটারের বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই।
ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে বিরোধীরা যে দাবি তুলেছিল, তা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন অমিত শাহ। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ৬.২৫ কোটি ভোটার কেবল নতুন ঠিকানায় চলে গেছেন, প্রায় ৩ কোটি মৃত এবং আনুমানিক ১ কোটি ভোটারের নাম নকল। বাকি ৩ কোটির কোনো অস্তিত্বই নেই- তারা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী।
লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীকে লক্ষ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কংগ্রেস মূলত ভুয়া ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন দখল করার পাঁয়তারা করছে। বিরোধী শিবিরের আপত্তির তীব্র সমালোচনা করে শাহ বলেন, যদি একজনের দুটি ভোট থাকে, তাহলে তার মধ্যে একটি বাতিল করা উচিত কি না? এবার আসা যাক রাহুল বাবার পেটব্যথার মূল কারণটিতে। তিন কোটি ভোট এমন যে, এই ভোটগুলো যাদের, তাদের কোনো অস্তিত্বই নেই।
এসআইআর এর কারণেই নাকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনে জয় পেয়েছেন- রাহুলের তোলা এ অভিযোগেরও সরাসরি জবাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাহুলের দাবিকে ভিত্তিহীন প্রমাণ করতে তিনি বলেন, আমি রাহুল জি-কে জিজ্ঞাসা করতে চাই ২০১৪ সালে মোদিজি জিতেছিলেন। তখন তো কোনো এসআইআর ছিল না, তাই না? তাহলে, মোদীজি কি এসআইআর-এর কারণে জিতেছিলেন? তিনি জনগণের ভোটে জিতেছিলেন। মোদীজি ২০১৯ সালেও জিতেছিলেন। তখন কোনো এসআইআর ছিল না। মোদিজি জিতেছিলেন কি না? তিনি ভারতের ভোটারদের কারণেই জিতেছিলেন। ২০২৪ সালের পর, আমরা মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছি। আমরা হরিয়ানায় সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছি। ৩০ বছর পর, আমরা দিল্লিতে জিতেছি। আমরা বিহারে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছি। বাংলাতেও দিদির পুরো রাজনৈতিক অবস্থান নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
বিরোধীদের এসআইআর-বিরোধী প্রচারণার জবাব দিতে বিজেপি যে দেশব্যাপী আন্দোলন কর্মসূচি নিয়েছে, তারই অংশ হিসেবে হায়দ্রাবাদে অমিত শাহের নেতৃত্বে একটি মহা পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বশিরবাগের বাবু জগজীবন রাম মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হওয়া এ পদযাত্রায় শত শত দলীয় কর্মী ও কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভোটার তালিকায় ৩ কোটি বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ছিল: অমিত শাহ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে তীব্র আক্রমণ করেছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির রামলীলা ময়দানে রাহুলগান্ধীর বিশাল জনসভার ঠিক একদিন পরই বিজেপির আয়োজিত এক কর্মসূচি থেকে পাল্টা আক্রমণ করেন শাহ। তিনি দাবি করেন, এর পেছনে রয়েছে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করার চেষ্টা। পাশাপাশি তিনি জানান, তালিকায় থাকা তিন কোটি ভোটারের বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নেই।
ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে বলে বিরোধীরা যে দাবি তুলেছিল, তা পুরোপুরি নাকচ করে দিয়েছেন অমিত শাহ। পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ৬.২৫ কোটি ভোটার কেবল নতুন ঠিকানায় চলে গেছেন, প্রায় ৩ কোটি মৃত এবং আনুমানিক ১ কোটি ভোটারের নাম নকল। বাকি ৩ কোটির কোনো অস্তিত্বই নেই- তারা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী।
লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীকে লক্ষ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কংগ্রেস মূলত ভুয়া ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন দখল করার পাঁয়তারা করছে। বিরোধী শিবিরের আপত্তির তীব্র সমালোচনা করে শাহ বলেন, যদি একজনের দুটি ভোট থাকে, তাহলে তার মধ্যে একটি বাতিল করা উচিত কি না? এবার আসা যাক রাহুল বাবার পেটব্যথার মূল কারণটিতে। তিন কোটি ভোট এমন যে, এই ভোটগুলো যাদের, তাদের কোনো অস্তিত্বই নেই।
এসআইআর এর কারণেই নাকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনে জয় পেয়েছেন- রাহুলের তোলা এ অভিযোগেরও সরাসরি জবাব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাহুলের দাবিকে ভিত্তিহীন প্রমাণ করতে তিনি বলেন, আমি রাহুল জি-কে জিজ্ঞাসা করতে চাই ২০১৪ সালে মোদিজি জিতেছিলেন। তখন তো কোনো এসআইআর ছিল না, তাই না? তাহলে, মোদীজি কি এসআইআর-এর কারণে জিতেছিলেন? তিনি জনগণের ভোটে জিতেছিলেন। মোদীজি ২০১৯ সালেও জিতেছিলেন। তখন কোনো এসআইআর ছিল না। মোদিজি জিতেছিলেন কি না? তিনি ভারতের ভোটারদের কারণেই জিতেছিলেন। ২০২৪ সালের পর, আমরা মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছি। আমরা হরিয়ানায় সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছি। ৩০ বছর পর, আমরা দিল্লিতে জিতেছি। আমরা বিহারে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জিতেছি। বাংলাতেও দিদির পুরো রাজনৈতিক অবস্থান নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
বিরোধীদের এসআইআর-বিরোধী প্রচারণার জবাব দিতে বিজেপি যে দেশব্যাপী আন্দোলন কর্মসূচি নিয়েছে, তারই অংশ হিসেবে হায়দ্রাবাদে অমিত শাহের নেতৃত্বে একটি মহা পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বশিরবাগের বাবু জগজীবন রাম মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হওয়া এ পদযাত্রায় শত শত দলীয় কর্মী ও কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ভারতের মণিপুরে আবারও ভয়াবহ সংঘাত, নিহত ৫







