২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন অবৈধ: রাহুল গান্ধী

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন অবৈধ: রাহুল গান্ধী
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

২০২৪ সালের ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে পুরোপুরি ‘অবৈধ’ বলে দাবি করেছেন দেশটির বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষের নাম বাদ দেওয়া পুরো নির্বাচনের বৈধতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘ইন্ডিয়া’ জোট আয়োজিত এক ‘গণ-অভিসংশন’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন রাহুল।
সমাবেশের বক্তব্যে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা বলেন, ভোটার তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সে সংখ্যাটা বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট ও বিরোধী জোটের মধ্যে পাওয়া মোট ভোটের ব্যবধানের চেয়ে অনেক বেশি। তার দাবি, বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা দুই জোটের মধ্যকার ৩ শতাংশের ভোটের ব্যবধানকেও অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী অভিযোগ তোলেন, ভোটার তালিকা থেকে প্রতি ৭ জনের মধ্যে একজনের নাম বাদ পড়া মানেই কার্যত এটা মেনে নেওয়া যে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন অবৈধ ছিল। একই সঙ্গে এ ঘটনার পেছনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারসহ জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘দেশদ্রোহিতা’র কঠোর অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
রাহুল গান্ধী আরও জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদ থেকে সরানোর জন্য যথেষ্ট প্রমাণ এখন বিরোধী জোটের হাতে রয়েছে। তাই জ্ঞানেশ কুমারকে আর এ পদে বহাল না রাখতে ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রতি কড়া সতর্কবার্তাও দেন তিনি।
বিরোধী দলনেতার এসব অভিযোগকে পুরোপুরি ‘মিথ্যা’ ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
সূত্র: দ্য হিন্দু

২০২৪ সালের ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে পুরোপুরি ‘অবৈধ’ বলে দাবি করেছেন দেশটির বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষের নাম বাদ দেওয়া পুরো নির্বাচনের বৈধতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘ইন্ডিয়া’ জোট আয়োজিত এক ‘গণ-অভিসংশন’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন রাহুল।
সমাবেশের বক্তব্যে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা বলেন, ভোটার তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সে সংখ্যাটা বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট ও বিরোধী জোটের মধ্যে পাওয়া মোট ভোটের ব্যবধানের চেয়ে অনেক বেশি। তার দাবি, বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা দুই জোটের মধ্যকার ৩ শতাংশের ভোটের ব্যবধানকেও অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী অভিযোগ তোলেন, ভোটার তালিকা থেকে প্রতি ৭ জনের মধ্যে একজনের নাম বাদ পড়া মানেই কার্যত এটা মেনে নেওয়া যে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন অবৈধ ছিল। একই সঙ্গে এ ঘটনার পেছনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারসহ জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘দেশদ্রোহিতা’র কঠোর অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
রাহুল গান্ধী আরও জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদ থেকে সরানোর জন্য যথেষ্ট প্রমাণ এখন বিরোধী জোটের হাতে রয়েছে। তাই জ্ঞানেশ কুমারকে আর এ পদে বহাল না রাখতে ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রতি কড়া সতর্কবার্তাও দেন তিনি।
বিরোধী দলনেতার এসব অভিযোগকে পুরোপুরি ‘মিথ্যা’ ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
সূত্র: দ্য হিন্দু

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন অবৈধ: রাহুল গান্ধী
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

২০২৪ সালের ভারতের লোকসভা নির্বাচনকে পুরোপুরি ‘অবৈধ’ বলে দাবি করেছেন দেশটির বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষের নাম বাদ দেওয়া পুরো নির্বাচনের বৈধতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ‘ইন্ডিয়া’ জোট আয়োজিত এক ‘গণ-অভিসংশন’ কর্মসূচিতে এ কথা বলেন রাহুল।
সমাবেশের বক্তব্যে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা বলেন, ভোটার তালিকা থেকে যাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, সে সংখ্যাটা বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট ও বিরোধী জোটের মধ্যে পাওয়া মোট ভোটের ব্যবধানের চেয়ে অনেক বেশি। তার দাবি, বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা দুই জোটের মধ্যকার ৩ শতাংশের ভোটের ব্যবধানকেও অনেক পেছনে ফেলে দিয়েছে।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রাহুল গান্ধী অভিযোগ তোলেন, ভোটার তালিকা থেকে প্রতি ৭ জনের মধ্যে একজনের নাম বাদ পড়া মানেই কার্যত এটা মেনে নেওয়া যে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন অবৈধ ছিল। একই সঙ্গে এ ঘটনার পেছনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারসহ জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ‘দেশদ্রোহিতা’র কঠোর অভিযোগ তুলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।
রাহুল গান্ধী আরও জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পদ থেকে সরানোর জন্য যথেষ্ট প্রমাণ এখন বিরোধী জোটের হাতে রয়েছে। তাই জ্ঞানেশ কুমারকে আর এ পদে বহাল না রাখতে ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রতি কড়া সতর্কবার্তাও দেন তিনি।
বিরোধী দলনেতার এসব অভিযোগকে পুরোপুরি ‘মিথ্যা’ ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)।
সূত্র: দ্য হিন্দু

সরকার ভারতের সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছে: নাহিদ ইসলাম






