তরুণদের বিক্ষোভ মোদির ভীত নাড়িয়ে দিয়েছে: ওয়াংচুক

তরুণদের বিক্ষোভ মোদির ভীত নাড়িয়ে দিয়েছে: ওয়াংচুক
সিজেডএন ডেস্ক

পরীক্ষা ব্যবস্থার অনিয়ম ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে সম্প্রতি নজিরবিহীন বিক্ষোভ করেছেন ভারতের তরুণরা। এ ঘটনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিত মারাত্মকভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আন্দোলনকর্মী জানান, ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর থেকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট পুরোপুরি বদলে গেছে। ভারতের তরুণদের মধ্যে এখন আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে নীরবে সব সহ্য না করে সোচ্চার হলে পরিস্থিতি সত্যি বদলে দেওয়া সম্ভব।
আদালতের এক বিতর্কিত মন্তব্যের সূত্র ধরে ‘তেলাপোকা আন্দোলন’ নামে পরিচিতি পাওয়া এ প্রতিবাদটি ২০১৪ সালের পর মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় জনরোষ হিসেবে দেখা দিয়েছে। দিল্লির তীব্র গরমে কেবল জল ও লবণ খেয়ে ওয়াংচুকের ২৬ দিনের অনশন এ আন্দোলনকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে দেয়। অনশনের শেষদিকে তাকে জোর করে হাসপাতালে পাঠানো হলেও, ততদিনে সারা দেশে প্রতিবাদের আগুন জ্বলে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

বিক্ষোভ সামাল দিতে সরকার দ্রুত বিচার আদালত গঠন, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়েছে। এমনকি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তিনটি উপনির্বাচনের দুটিতে ক্ষমতাসীন দলের হার প্রমাণ করে এই ক্ষোভের প্রভাব রাজনীতিতে পড়তে শুরু করেছে।
তবে ওয়াংচুকের মতে, কেবল কয়েকজনকে শাস্তি দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না, কারণ ভারতের মূল ক্ষত অনেক গভীরে। ২৫ বছর ধরে দেশটিতে স্নাতক পাস তরুণদের বেকারত্বের হার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশের ঘরে আটকে আছে। প্রচলিত বহুনির্বাচনি প্রশ্নভিত্তিক পরীক্ষাগুলো শিক্ষার্থীদের প্রকৃত দক্ষতা পরিমাপ করতে পারে না। এটি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি মনে করেন, আগামী ১৫ বছরের চাহিদার কথা মাথায় রেখে মুখস্থ বিদ্যার বদলে হাতে-কলমে শিক্ষা ও যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে শিক্ষা ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনা জরুরি।

সরকার সার্বিক অর্থনীতি ভালো অবস্থায় আছে বলে দাবি করলেও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এখনো বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি হচ্ছেন। এমনকি অপরাধমুক্ত তরুণদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও পুলিশি হয়রানি ও সামাজিক মাধ্যমে হেনস্তা থামেনি। বর্তমানে লাদাখের লেহ-তে ফিরে যাওয়া ওয়াংচুক মহাত্মা গান্ধীর অহিংস দর্শনে নিজের আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। তবে সরকার যদি ভুল শুধরে নিয়ে তরুণদের যৌক্তিক দাবি মেনে না নেয়, তবে রাজপথের এ প্রতিবাদ কেবল শিক্ষার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
সূত্র: বিবিসি

পরীক্ষা ব্যবস্থার অনিয়ম ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে সম্প্রতি নজিরবিহীন বিক্ষোভ করেছেন ভারতের তরুণরা। এ ঘটনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিত মারাত্মকভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আন্দোলনকর্মী জানান, ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর থেকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট পুরোপুরি বদলে গেছে। ভারতের তরুণদের মধ্যে এখন আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে নীরবে সব সহ্য না করে সোচ্চার হলে পরিস্থিতি সত্যি বদলে দেওয়া সম্ভব।
আদালতের এক বিতর্কিত মন্তব্যের সূত্র ধরে ‘তেলাপোকা আন্দোলন’ নামে পরিচিতি পাওয়া এ প্রতিবাদটি ২০১৪ সালের পর মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় জনরোষ হিসেবে দেখা দিয়েছে। দিল্লির তীব্র গরমে কেবল জল ও লবণ খেয়ে ওয়াংচুকের ২৬ দিনের অনশন এ আন্দোলনকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে দেয়। অনশনের শেষদিকে তাকে জোর করে হাসপাতালে পাঠানো হলেও, ততদিনে সারা দেশে প্রতিবাদের আগুন জ্বলে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

বিক্ষোভ সামাল দিতে সরকার দ্রুত বিচার আদালত গঠন, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়েছে। এমনকি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তিনটি উপনির্বাচনের দুটিতে ক্ষমতাসীন দলের হার প্রমাণ করে এই ক্ষোভের প্রভাব রাজনীতিতে পড়তে শুরু করেছে।
তবে ওয়াংচুকের মতে, কেবল কয়েকজনকে শাস্তি দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না, কারণ ভারতের মূল ক্ষত অনেক গভীরে। ২৫ বছর ধরে দেশটিতে স্নাতক পাস তরুণদের বেকারত্বের হার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশের ঘরে আটকে আছে। প্রচলিত বহুনির্বাচনি প্রশ্নভিত্তিক পরীক্ষাগুলো শিক্ষার্থীদের প্রকৃত দক্ষতা পরিমাপ করতে পারে না। এটি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি মনে করেন, আগামী ১৫ বছরের চাহিদার কথা মাথায় রেখে মুখস্থ বিদ্যার বদলে হাতে-কলমে শিক্ষা ও যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে শিক্ষা ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনা জরুরি।

সরকার সার্বিক অর্থনীতি ভালো অবস্থায় আছে বলে দাবি করলেও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এখনো বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি হচ্ছেন। এমনকি অপরাধমুক্ত তরুণদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও পুলিশি হয়রানি ও সামাজিক মাধ্যমে হেনস্তা থামেনি। বর্তমানে লাদাখের লেহ-তে ফিরে যাওয়া ওয়াংচুক মহাত্মা গান্ধীর অহিংস দর্শনে নিজের আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। তবে সরকার যদি ভুল শুধরে নিয়ে তরুণদের যৌক্তিক দাবি মেনে না নেয়, তবে রাজপথের এ প্রতিবাদ কেবল শিক্ষার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
সূত্র: বিবিসি

তরুণদের বিক্ষোভ মোদির ভীত নাড়িয়ে দিয়েছে: ওয়াংচুক
সিজেডএন ডেস্ক

পরীক্ষা ব্যবস্থার অনিয়ম ও বেকারত্বের বিরুদ্ধে সম্প্রতি নজিরবিহীন বিক্ষোভ করেছেন ভারতের তরুণরা। এ ঘটনা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিত মারাত্মকভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আন্দোলনকর্মী জানান, ২৫ জুলাই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর থেকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট পুরোপুরি বদলে গেছে। ভারতের তরুণদের মধ্যে এখন আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়েছে যে নীরবে সব সহ্য না করে সোচ্চার হলে পরিস্থিতি সত্যি বদলে দেওয়া সম্ভব।
আদালতের এক বিতর্কিত মন্তব্যের সূত্র ধরে ‘তেলাপোকা আন্দোলন’ নামে পরিচিতি পাওয়া এ প্রতিবাদটি ২০১৪ সালের পর মোদি সরকারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় জনরোষ হিসেবে দেখা দিয়েছে। দিল্লির তীব্র গরমে কেবল জল ও লবণ খেয়ে ওয়াংচুকের ২৬ দিনের অনশন এ আন্দোলনকে দাবানলের মতো ছড়িয়ে দেয়। অনশনের শেষদিকে তাকে জোর করে হাসপাতালে পাঠানো হলেও, ততদিনে সারা দেশে প্রতিবাদের আগুন জ্বলে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত পদত্যাগ করতে বাধ্য হন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।

বিক্ষোভ সামাল দিতে সরকার দ্রুত বিচার আদালত গঠন, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পরীক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার এবং ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দিয়েছে। এমনকি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত তিনটি উপনির্বাচনের দুটিতে ক্ষমতাসীন দলের হার প্রমাণ করে এই ক্ষোভের প্রভাব রাজনীতিতে পড়তে শুরু করেছে।
তবে ওয়াংচুকের মতে, কেবল কয়েকজনকে শাস্তি দিয়ে এ সমস্যার সমাধান হবে না, কারণ ভারতের মূল ক্ষত অনেক গভীরে। ২৫ বছর ধরে দেশটিতে স্নাতক পাস তরুণদের বেকারত্বের হার ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশের ঘরে আটকে আছে। প্রচলিত বহুনির্বাচনি প্রশ্নভিত্তিক পরীক্ষাগুলো শিক্ষার্থীদের প্রকৃত দক্ষতা পরিমাপ করতে পারে না। এটি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি মনে করেন, আগামী ১৫ বছরের চাহিদার কথা মাথায় রেখে মুখস্থ বিদ্যার বদলে হাতে-কলমে শিক্ষা ও যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে শিক্ষা ব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তন আনা জরুরি।

সরকার সার্বিক অর্থনীতি ভালো অবস্থায় আছে বলে দাবি করলেও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এখনো বিভিন্ন মামলার মুখোমুখি হচ্ছেন। এমনকি অপরাধমুক্ত তরুণদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও পুলিশি হয়রানি ও সামাজিক মাধ্যমে হেনস্তা থামেনি। বর্তমানে লাদাখের লেহ-তে ফিরে যাওয়া ওয়াংচুক মহাত্মা গান্ধীর অহিংস দর্শনে নিজের আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। তবে সরকার যদি ভুল শুধরে নিয়ে তরুণদের যৌক্তিক দাবি মেনে না নেয়, তবে রাজপথের এ প্রতিবাদ কেবল শিক্ষার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
সূত্র: বিবিসি





-CznNewsLab-64e260.jpg)

-CznNewsLab-ecd1fc.jpg)

