ডিজেল ও সামুদ্রিক জ্বালানি রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ালো রাশিয়া

ডিজেল ও সামুদ্রিক জ্বালানি রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ালো রাশিয়া
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানির বাজার স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাশিয়া। সরাসরি উৎপাদকদের মাধ্যমে ডিজেল, গ্যাস অয়েল ও সামুদ্রিক জ্বালানি রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে দেশটি। এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার মন্ত্রিসভা। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করে দাম ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে আন্তর্জাতিক বাজারের বিষয়টিও ভাবনায় রাখছে মস্কো। দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে যেসব প্রতিষ্ঠান জ্বালানি পাঠায়, তাদের মধ্যে বিশেষ কিছু প্রতিষ্ঠানকে এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রেখে ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নভেম্বরের মধ্যেই এই সুবিধা কার্যকর হতে পারে। এর মাধ্যমে একদিকে দেশের ভেতরের চাহিদা মেটানো এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ধরে রাখার মধ্যে একটা ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করছে রুশ সরকার।
এর আগে অক্টোবরের শুরুর দিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে বিশ্ববাজারে ডিজেল সরবরাহ নিয়ে একটি চুক্তি হয়। তার পরপরই রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করেছিল রাশিয়া।
নোভাক ইঙ্গিত দিয়েছেন, অক্টোবরে যেখানে বিশ্ববাজারে রাশিয়া মাত্র ৫ লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল পাঠাতে পেরেছিল, নভেম্বরে তা প্রায় ২১ লাখ ৫০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে। তবে এ ছাড় বা সুযোগ শুধু সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট সরবরাহকারীদের জন্যই প্রযোজ্য হতে পারে। সাধারণ বা সরাসরি উৎপাদকদের জন্য ২০২৭ সালের জানুয়ারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহালই থাকছে।
সূত্র: আল মায়াদিন

দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানির বাজার স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাশিয়া। সরাসরি উৎপাদকদের মাধ্যমে ডিজেল, গ্যাস অয়েল ও সামুদ্রিক জ্বালানি রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে দেশটি। এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার মন্ত্রিসভা। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করে দাম ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে আন্তর্জাতিক বাজারের বিষয়টিও ভাবনায় রাখছে মস্কো। দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে যেসব প্রতিষ্ঠান জ্বালানি পাঠায়, তাদের মধ্যে বিশেষ কিছু প্রতিষ্ঠানকে এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রেখে ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নভেম্বরের মধ্যেই এই সুবিধা কার্যকর হতে পারে। এর মাধ্যমে একদিকে দেশের ভেতরের চাহিদা মেটানো এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ধরে রাখার মধ্যে একটা ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করছে রুশ সরকার।
এর আগে অক্টোবরের শুরুর দিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে বিশ্ববাজারে ডিজেল সরবরাহ নিয়ে একটি চুক্তি হয়। তার পরপরই রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করেছিল রাশিয়া।
নোভাক ইঙ্গিত দিয়েছেন, অক্টোবরে যেখানে বিশ্ববাজারে রাশিয়া মাত্র ৫ লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল পাঠাতে পেরেছিল, নভেম্বরে তা প্রায় ২১ লাখ ৫০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে। তবে এ ছাড় বা সুযোগ শুধু সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট সরবরাহকারীদের জন্যই প্রযোজ্য হতে পারে। সাধারণ বা সরাসরি উৎপাদকদের জন্য ২০২৭ সালের জানুয়ারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহালই থাকছে।
সূত্র: আল মায়াদিন

ডিজেল ও সামুদ্রিক জ্বালানি রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ালো রাশিয়া
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

দেশের অভ্যন্তরে জ্বালানির বাজার স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রাখতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে রাশিয়া। সরাসরি উৎপাদকদের মাধ্যমে ডিজেল, গ্যাস অয়েল ও সামুদ্রিক জ্বালানি রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে দেশটি। এ সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছে রাশিয়ার মন্ত্রিসভা। সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ নিশ্চিত করে দাম ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে আন্তর্জাতিক বাজারের বিষয়টিও ভাবনায় রাখছে মস্কো। দেশটির উপ-প্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে যেসব প্রতিষ্ঠান জ্বালানি পাঠায়, তাদের মধ্যে বিশেষ কিছু প্রতিষ্ঠানকে এ নিষেধাজ্ঞার বাইরে রেখে ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নভেম্বরের মধ্যেই এই সুবিধা কার্যকর হতে পারে। এর মাধ্যমে একদিকে দেশের ভেতরের চাহিদা মেটানো এবং অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ধরে রাখার মধ্যে একটা ভারসাম্য তৈরির চেষ্টা করছে রুশ সরকার।
এর আগে অক্টোবরের শুরুর দিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে বিশ্ববাজারে ডিজেল সরবরাহ নিয়ে একটি চুক্তি হয়। তার পরপরই রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করেছিল রাশিয়া।
নোভাক ইঙ্গিত দিয়েছেন, অক্টোবরে যেখানে বিশ্ববাজারে রাশিয়া মাত্র ৫ লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল পাঠাতে পেরেছিল, নভেম্বরে তা প্রায় ২১ লাখ ৫০ হাজার টনে পৌঁছাতে পারে। তবে এ ছাড় বা সুযোগ শুধু সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট সরবরাহকারীদের জন্যই প্রযোজ্য হতে পারে। সাধারণ বা সরাসরি উৎপাদকদের জন্য ২০২৭ সালের জানুয়ারি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহালই থাকছে।
সূত্র: আল মায়াদিন

ইরানে ৫ শতাধিক পরমাণু বিশেষজ্ঞ পাঠাবে রাশিয়া







