মার্কিন নির্ভরতা কমাতে কানাডা-ইইউ’র নতুন জোট

মার্কিন নির্ভরতা কমাতে কানাডা-ইইউ’র নতুন জোট
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

বিশ্বরাজনীতিতে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা সামাল দিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে নতুন জোট গঠন করেছে কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দু’পক্ষের যৌথ উদ্যোগে গঠিত নতুন জোটের নাম ‘অ্যালায়েন্স ফর দ্য ফিউচার’। একই নীতি ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী বিশ্বমঞ্চের অন্যান্য দেশগুলোকেও এতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কানাডার মন্ট্রিলে শেষ হওয়া দুই দিনব্যাপী এক শীর্ষ সম্মেলন শেষে এ জোট গঠনের ঘোষণাটি আসে। সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন এ কৌশলগত অংশীদারত্বের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান। নেতাদের মতে, কানাডা ও ইইউর ২৭টি দেশের এ নিবিড় পথচলা বিশ্বরাজনীতিতে অভূতপূর্ব স্থায়িত্ব আনার পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।
মার্ক কার্নি বলেন, জলবায়ু সংকট, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং বাণিজ্যকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের কারণে তাদের সমাজগুলো নতুন সংকটের মুখে পড়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমমনা দেশগুলোর ঐক্য প্রয়োজন।
সম্মেলনের অন্যতম বড় বড় সাফল্য ছিল ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানো। যুদ্ধের ধাক্কা সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেয়া ৯ হাজার কোটি ইউরোর ঋণ সহায়তায় অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কানাডা। এর পাশাপাশি আগামী দিনে শত কোটি ডলারের সমন্বিত বাজার তৈরি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতের নানা প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং শিক্ষা বিনিময়ের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়গুলো নিয়েও দুই পক্ষের কথা হয়েছে।
আলোচনায় অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রস্তাব ছিল কানাডাকে ইইউর ‘সহযোগী সদস্য’ করা যায় কি না। যদিও ইউরোপের কয়েকটি দেশের আপত্তির কারণে এ সদস্যপদের ধরণ ও এখতিয়ার কেমন হবে, তা ২০২৭ সালের সম্মেলনে চূড়ান্ত করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে দুই অঞ্চলের আত্মিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা কানাডাকে ইউরোপের বাইরের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইউরোপীয় বলে আখ্যা দেন।
বেশ কিছু দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাফোড়েনের কারণে বিকল্প বাজারের সন্ধানে ছিল কানাডা। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির মতো সংবেদনশীল খাতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর একক নির্ভরতা থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে অটোয়া। সম্প্রতি ইউক্রেন যুদ্ধে স্টারলিংক ও স্টারশিল্ড সেবা সীমিত হয়ে পড়ার ঘটনাটি কানাডার উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বিশ্বরাজনীতিতে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা সামাল দিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে নতুন জোট গঠন করেছে কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দু’পক্ষের যৌথ উদ্যোগে গঠিত নতুন জোটের নাম ‘অ্যালায়েন্স ফর দ্য ফিউচার’। একই নীতি ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী বিশ্বমঞ্চের অন্যান্য দেশগুলোকেও এতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কানাডার মন্ট্রিলে শেষ হওয়া দুই দিনব্যাপী এক শীর্ষ সম্মেলন শেষে এ জোট গঠনের ঘোষণাটি আসে। সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন এ কৌশলগত অংশীদারত্বের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান। নেতাদের মতে, কানাডা ও ইইউর ২৭টি দেশের এ নিবিড় পথচলা বিশ্বরাজনীতিতে অভূতপূর্ব স্থায়িত্ব আনার পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।
মার্ক কার্নি বলেন, জলবায়ু সংকট, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং বাণিজ্যকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের কারণে তাদের সমাজগুলো নতুন সংকটের মুখে পড়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমমনা দেশগুলোর ঐক্য প্রয়োজন।
সম্মেলনের অন্যতম বড় বড় সাফল্য ছিল ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানো। যুদ্ধের ধাক্কা সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেয়া ৯ হাজার কোটি ইউরোর ঋণ সহায়তায় অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কানাডা। এর পাশাপাশি আগামী দিনে শত কোটি ডলারের সমন্বিত বাজার তৈরি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতের নানা প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং শিক্ষা বিনিময়ের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়গুলো নিয়েও দুই পক্ষের কথা হয়েছে।
আলোচনায় অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রস্তাব ছিল কানাডাকে ইইউর ‘সহযোগী সদস্য’ করা যায় কি না। যদিও ইউরোপের কয়েকটি দেশের আপত্তির কারণে এ সদস্যপদের ধরণ ও এখতিয়ার কেমন হবে, তা ২০২৭ সালের সম্মেলনে চূড়ান্ত করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে দুই অঞ্চলের আত্মিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা কানাডাকে ইউরোপের বাইরের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইউরোপীয় বলে আখ্যা দেন।
বেশ কিছু দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাফোড়েনের কারণে বিকল্প বাজারের সন্ধানে ছিল কানাডা। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির মতো সংবেদনশীল খাতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর একক নির্ভরতা থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে অটোয়া। সম্প্রতি ইউক্রেন যুদ্ধে স্টারলিংক ও স্টারশিল্ড সেবা সীমিত হয়ে পড়ার ঘটনাটি কানাডার উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মার্কিন নির্ভরতা কমাতে কানাডা-ইইউ’র নতুন জোট
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

বিশ্বরাজনীতিতে বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা সামাল দিতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমাতে নতুন জোট গঠন করেছে কানাডা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। দু’পক্ষের যৌথ উদ্যোগে গঠিত নতুন জোটের নাম ‘অ্যালায়েন্স ফর দ্য ফিউচার’। একই নীতি ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী বিশ্বমঞ্চের অন্যান্য দেশগুলোকেও এতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
কানাডার মন্ট্রিলে শেষ হওয়া দুই দিনব্যাপী এক শীর্ষ সম্মেলন শেষে এ জোট গঠনের ঘোষণাটি আসে। সংবাদ সম্মেলনে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লায়েন এ কৌশলগত অংশীদারত্বের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান। নেতাদের মতে, কানাডা ও ইইউর ২৭টি দেশের এ নিবিড় পথচলা বিশ্বরাজনীতিতে অভূতপূর্ব স্থায়িত্ব আনার পাশাপাশি নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে।
মার্ক কার্নি বলেন, জলবায়ু সংকট, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অবক্ষয় এবং বাণিজ্যকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের কারণে তাদের সমাজগুলো নতুন সংকটের মুখে পড়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমমনা দেশগুলোর ঐক্য প্রয়োজন।
সম্মেলনের অন্যতম বড় বড় সাফল্য ছিল ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানো। যুদ্ধের ধাক্কা সামলাতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেয়া ৯ হাজার কোটি ইউরোর ঋণ সহায়তায় অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কানাডা। এর পাশাপাশি আগামী দিনে শত কোটি ডলারের সমন্বিত বাজার তৈরি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যাতায়াতের নানা প্রশাসনিক জটিলতা কমানো এবং শিক্ষা বিনিময়ের সুযোগ বাড়ানোর বিষয়গুলো নিয়েও দুই পক্ষের কথা হয়েছে।
আলোচনায় অত্যন্ত আকর্ষণীয় প্রস্তাব ছিল কানাডাকে ইইউর ‘সহযোগী সদস্য’ করা যায় কি না। যদিও ইউরোপের কয়েকটি দেশের আপত্তির কারণে এ সদস্যপদের ধরণ ও এখতিয়ার কেমন হবে, তা ২০২৭ সালের সম্মেলনে চূড়ান্ত করা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে দুই অঞ্চলের আত্মিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা কানাডাকে ইউরোপের বাইরের দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ইউরোপীয় বলে আখ্যা দেন।
বেশ কিছু দিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাফোড়েনের কারণে বিকল্প বাজারের সন্ধানে ছিল কানাডা। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও আধুনিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির মতো সংবেদনশীল খাতে মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর একক নির্ভরতা থেকে বের হয়ে আসতে চাইছে অটোয়া। সম্প্রতি ইউক্রেন যুদ্ধে স্টারলিংক ও স্টারশিল্ড সেবা সীমিত হয়ে পড়ার ঘটনাটি কানাডার উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ইউক্রেনকে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র







