ট্রাম্প-পুতিন চুক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের পথে ৪০ হাজার টন রুশ ডিজেলবাহী ট্যাংকার

ট্রাম্প-পুতিন চুক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের পথে ৪০ হাজার টন রুশ ডিজেলবাহী ট্যাংকার
সিজেডএন ডেস্ক

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্টে যাচ্ছে কোনো রুশ জ্বালানিবাহী জাহাজ। ৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির পরই শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জাহাজ-ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্যে দেখা গেছে, ৪০ হাজার মেট্রিক টন রুশ ডিজেল নিয়ে একটি ট্যাংকার এখন নিউ ইয়র্কের দিকে এগোচ্ছে।
রয়টার্স এলএসইজি শিপিং ডেটার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মাল্টার পতাকাবাহী মাঝারি আকারের ‘আজিওই ফানেন্দেস’ নামের একটি ট্যাংকার ২২ অক্টোবর রাশিয়ার বাল্টিক বন্দর প্রিমোরস্ক থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন অতি-স্বল্প-সালফারযুক্ত ডিজেল বোঝাই করেছে। ৭ নভেম্বর জাহাজটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এ চালানের ক্রেতা ও বিক্রেতা কে সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রুশ তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর এটিই হবে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানো প্রথম রুশ জ্বালানির চালান।
৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডিজেলের দাম কমানোর উদ্দেশ্যে ট্রাম্প এ পদক্ষেপ নেন। এ চুক্তির ফলে রাশিয়া তাদের ডিজেল রপ্তানির ওপর থেকে স্বেচ্ছায় আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এর পাশাপাশি মস্কোর বিরুদ্ধে থাকা কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছেন ট্রাম্প।
৯ অক্টোবর ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, রাশিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্ব বাজারে ৩ লক্ষ মেট্রিক টন বা ২২.৫ লক্ষ ব্যারেল ডিজেল অবিলম্বে রপ্তানি করবে, এরপর নভেম্বরে আরও ৫ লক্ষ টন এবং তার পরে আরও ১০ লক্ষ টন রপ্তানি করবে।
রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ, প্রকাশ করেন মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ চুক্তি-সম্পর্কিত জটিল অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার তেলজাত পণ্য আমদানিতে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এরপর থেকে রাশিয়া মূলত ব্রাজিল, তুরস্ক ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে তাদের ডিজেল রপ্তানি করে আসছিল।
সূত্র: রয়টার্স

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্টে যাচ্ছে কোনো রুশ জ্বালানিবাহী জাহাজ। ৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির পরই শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জাহাজ-ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্যে দেখা গেছে, ৪০ হাজার মেট্রিক টন রুশ ডিজেল নিয়ে একটি ট্যাংকার এখন নিউ ইয়র্কের দিকে এগোচ্ছে।
রয়টার্স এলএসইজি শিপিং ডেটার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মাল্টার পতাকাবাহী মাঝারি আকারের ‘আজিওই ফানেন্দেস’ নামের একটি ট্যাংকার ২২ অক্টোবর রাশিয়ার বাল্টিক বন্দর প্রিমোরস্ক থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন অতি-স্বল্প-সালফারযুক্ত ডিজেল বোঝাই করেছে। ৭ নভেম্বর জাহাজটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এ চালানের ক্রেতা ও বিক্রেতা কে সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রুশ তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর এটিই হবে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানো প্রথম রুশ জ্বালানির চালান।
৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডিজেলের দাম কমানোর উদ্দেশ্যে ট্রাম্প এ পদক্ষেপ নেন। এ চুক্তির ফলে রাশিয়া তাদের ডিজেল রপ্তানির ওপর থেকে স্বেচ্ছায় আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এর পাশাপাশি মস্কোর বিরুদ্ধে থাকা কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছেন ট্রাম্প।
৯ অক্টোবর ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, রাশিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্ব বাজারে ৩ লক্ষ মেট্রিক টন বা ২২.৫ লক্ষ ব্যারেল ডিজেল অবিলম্বে রপ্তানি করবে, এরপর নভেম্বরে আরও ৫ লক্ষ টন এবং তার পরে আরও ১০ লক্ষ টন রপ্তানি করবে।
রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ, প্রকাশ করেন মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ চুক্তি-সম্পর্কিত জটিল অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার তেলজাত পণ্য আমদানিতে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এরপর থেকে রাশিয়া মূলত ব্রাজিল, তুরস্ক ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে তাদের ডিজেল রপ্তানি করে আসছিল।
সূত্র: রয়টার্স

ট্রাম্প-পুতিন চুক্তি: যুক্তরাষ্ট্রের পথে ৪০ হাজার টন রুশ ডিজেলবাহী ট্যাংকার
সিজেডএন ডেস্ক

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্টে যাচ্ছে কোনো রুশ জ্বালানিবাহী জাহাজ। ৯ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির পরই শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) জাহাজ-ট্র্যাকিং সংক্রান্ত তথ্যে দেখা গেছে, ৪০ হাজার মেট্রিক টন রুশ ডিজেল নিয়ে একটি ট্যাংকার এখন নিউ ইয়র্কের দিকে এগোচ্ছে।
রয়টার্স এলএসইজি শিপিং ডেটার বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মাল্টার পতাকাবাহী মাঝারি আকারের ‘আজিওই ফানেন্দেস’ নামের একটি ট্যাংকার ২২ অক্টোবর রাশিয়ার বাল্টিক বন্দর প্রিমোরস্ক থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন অতি-স্বল্প-সালফারযুক্ত ডিজেল বোঝাই করেছে। ৭ নভেম্বর জাহাজটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এ চালানের ক্রেতা ও বিক্রেতা কে সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত জানা যায়নি। ২০২২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন রুশ তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর এটিই হবে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানো প্রথম রুশ জ্বালানির চালান।
৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ডিজেলের দাম কমানোর উদ্দেশ্যে ট্রাম্প এ পদক্ষেপ নেন। এ চুক্তির ফলে রাশিয়া তাদের ডিজেল রপ্তানির ওপর থেকে স্বেচ্ছায় আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। এর পাশাপাশি মস্কোর বিরুদ্ধে থাকা কিছু মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছেন ট্রাম্প।
৯ অক্টোবর ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, রাশিয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্ব বাজারে ৩ লক্ষ মেট্রিক টন বা ২২.৫ লক্ষ ব্যারেল ডিজেল অবিলম্বে রপ্তানি করবে, এরপর নভেম্বরে আরও ৫ লক্ষ টন এবং তার পরে আরও ১০ লক্ষ টন রপ্তানি করবে।
রাশিয়ার সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের প্রধান কিরিল দিমিত্রিয়েভ, প্রকাশ করেন মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ চুক্তি-সম্পর্কিত জটিল অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সহায়তার জন্য যোগাযোগ করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার তেলজাত পণ্য আমদানিতে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এরপর থেকে রাশিয়া মূলত ব্রাজিল, তুরস্ক ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে তাদের ডিজেল রপ্তানি করে আসছিল।
সূত্র: রয়টার্স

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের







