রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

রাশিয়ার রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক তুলে নেওয়ার মাত্র একদিন পর তা নিয়ে নতুন কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (১৭ অক্টোবর) তিনি জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো ঘোষণা করা হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সময় প্রয়োজন।
রুবিও শনিবার জানান, একদিন আগে রাশিয়া-সংক্রান্ত যেসব নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক মওকুফ করা হয়েছে, সেগুলোর অর্থনৈতিক প্রভাব খতিয়ে দেখতে রাষ্ট্রপতি প্রায় ৬০ দিন পর্যন্ত সময় নেবেন।
ট্রাম্পের শুক্রবারের নির্বাহী আদেশের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, এ পদক্ষেপ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আরও সাহসী করে তুলবে এবং সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করবে।
সাউথ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান সিনেটর ডারলাইন গ্রাহাম জানিয়েছেন, তিনি ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। গ্রাহাম সাংবাদিকদের বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষেই থাকব। কারণ আমি পুতিনকেও বিশ্বাস করি না এবং রাশিয়াকেও বিশ্বাস করি না।
এদিকে বিশ্ব বাজারে ডিজেলের সরবরাহ বাড়িয়ে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে তেলের বাজার অস্থির থাকায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে তিন লাখ মেট্রিক টনের বেশি ডিজেল পাঠাবে। এরপর নভেম্বর ও তার পরেও ধারাবাহিকভাবে এ চালান আসতে থাকবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। এ চুক্তির যৌক্তিকতা তুলে ধরে রুবিও বলেন, রাশিয়া থেকে আসা ডিজেল যেকোনোভাবেই বিক্রি হবে। একমাত্র পার্থক্য হলো, যুক্তরাষ্ট্র এর কী পরিমাণ পাবে।
রুবিওর মতে, এ ডিজেল চুক্তি এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি থেকে স্পষ্ট যে, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন- দুই অঞ্চলের সংঘাত সামাল দেওয়া কতটা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই দুটি সংকটই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করেছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে সংঘাতগুলো একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে শুরু করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

রাশিয়ার রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক তুলে নেওয়ার মাত্র একদিন পর তা নিয়ে নতুন কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (১৭ অক্টোবর) তিনি জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো ঘোষণা করা হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সময় প্রয়োজন।
রুবিও শনিবার জানান, একদিন আগে রাশিয়া-সংক্রান্ত যেসব নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক মওকুফ করা হয়েছে, সেগুলোর অর্থনৈতিক প্রভাব খতিয়ে দেখতে রাষ্ট্রপতি প্রায় ৬০ দিন পর্যন্ত সময় নেবেন।
ট্রাম্পের শুক্রবারের নির্বাহী আদেশের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, এ পদক্ষেপ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আরও সাহসী করে তুলবে এবং সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করবে।
সাউথ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান সিনেটর ডারলাইন গ্রাহাম জানিয়েছেন, তিনি ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। গ্রাহাম সাংবাদিকদের বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষেই থাকব। কারণ আমি পুতিনকেও বিশ্বাস করি না এবং রাশিয়াকেও বিশ্বাস করি না।
এদিকে বিশ্ব বাজারে ডিজেলের সরবরাহ বাড়িয়ে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে তেলের বাজার অস্থির থাকায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে তিন লাখ মেট্রিক টনের বেশি ডিজেল পাঠাবে। এরপর নভেম্বর ও তার পরেও ধারাবাহিকভাবে এ চালান আসতে থাকবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। এ চুক্তির যৌক্তিকতা তুলে ধরে রুবিও বলেন, রাশিয়া থেকে আসা ডিজেল যেকোনোভাবেই বিক্রি হবে। একমাত্র পার্থক্য হলো, যুক্তরাষ্ট্র এর কী পরিমাণ পাবে।
রুবিওর মতে, এ ডিজেল চুক্তি এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি থেকে স্পষ্ট যে, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন- দুই অঞ্চলের সংঘাত সামাল দেওয়া কতটা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই দুটি সংকটই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করেছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে সংঘাতগুলো একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে শুরু করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত ট্রাম্পের
সিজেডএন ডেস্ক

রাশিয়ার রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক তুলে নেওয়ার মাত্র একদিন পর তা নিয়ে নতুন কথা বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শনিবার (১৭ অক্টোবর) তিনি জানান, এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনো ঘোষণা করা হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও সময় প্রয়োজন।
রুবিও শনিবার জানান, একদিন আগে রাশিয়া-সংক্রান্ত যেসব নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক মওকুফ করা হয়েছে, সেগুলোর অর্থনৈতিক প্রভাব খতিয়ে দেখতে রাষ্ট্রপতি প্রায় ৬০ দিন পর্যন্ত সময় নেবেন।
ট্রাম্পের শুক্রবারের নির্বাহী আদেশের তীব্র সমালোচনা করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, এ পদক্ষেপ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে আরও সাহসী করে তুলবে এবং সংঘাতকে দীর্ঘায়িত করবে।
সাউথ ক্যারোলিনার রিপাবলিকান সিনেটর ডারলাইন গ্রাহাম জানিয়েছেন, তিনি ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারছেন না। গ্রাহাম সাংবাদিকদের বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি রাশিয়ার ওপর চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষেই থাকব। কারণ আমি পুতিনকেও বিশ্বাস করি না এবং রাশিয়াকেও বিশ্বাস করি না।
এদিকে বিশ্ব বাজারে ডিজেলের সরবরাহ বাড়িয়ে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তির পক্ষে মত দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে তেলের বাজার অস্থির থাকায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রে তিন লাখ মেট্রিক টনের বেশি ডিজেল পাঠাবে। এরপর নভেম্বর ও তার পরেও ধারাবাহিকভাবে এ চালান আসতে থাকবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। এ চুক্তির যৌক্তিকতা তুলে ধরে রুবিও বলেন, রাশিয়া থেকে আসা ডিজেল যেকোনোভাবেই বিক্রি হবে। একমাত্র পার্থক্য হলো, যুক্তরাষ্ট্র এর কী পরিমাণ পাবে।
রুবিওর মতে, এ ডিজেল চুক্তি এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি থেকে স্পষ্ট যে, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন- দুই অঞ্চলের সংঘাত সামাল দেওয়া কতটা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই দুটি সংকটই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহকে মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত করেছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে সংঘাতগুলো একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হতে শুরু করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের







