জাতীয় স্বার্থে ট্রাম্পকেও চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় স্বার্থে ট্রাম্পকেও চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হতেও বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবেন না যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর দেওয়া নিজের প্রথম সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ইস্যুতে কোনো সিদ্ধান্ত যদি ব্রিটেনের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, তবে তিনি ট্রাম্পের ভিন্নমত গ্রহণে বাধ্য নন এবং নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন।
বিবিসিকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে বার্নহাম জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার প্রথম আলাপচারিতা বেশ ইতিবাচক ছিল এবং ট্রাম্পকে আন্তরিক বলেই মনে হয়েছে। তবে ট্রাম্পের ওপর তিনি শতভাগ ভরসা রাখেন কি না- এমন প্রশ্ন দুবার করা হলেও তিনি কোনো সোজা উত্তর দেননি। বার্নহ্যাম বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে, তাই বর্তমান বাস্তবতা বুঝেই এগোতে হবে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের সংঘাতের পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে যে তার নিজেরও উদ্বেগ রয়েছে, তা-ও খোলাখুলি স্বীকার করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর ছায়াস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস ফিলিপ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের একটি বড় ও দীর্ঘদিনের মিত্র। তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যেমন দরকার, তেমনি তাদের ভুল বা বিতর্কিত কোনো পদক্ষেপে দ্বিমত থাকলে তা অকপটে বলাই প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয়।
এদিকে, জাতীয় প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ৩ শতাংশ বাজেট বাড়ানোর বিষয়ে এখনই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ দিতে চাননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। যদিও তার নতুন চ্যান্সেলর জন হিলি ২০৩০ সালের মধ্যে এ পরিমাণ বাজেট নিশ্চিত না করার প্রতিবাদেই পূর্ববর্তী সরকার থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। এ বিষয়ে বার্নহ্যাম স্পষ্ট করেন, চ্যান্সেলরের অবস্থান সম্পর্কে জেনে শুনেই তাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আপাতত আসন্ন বাজেটে প্রতিরক্ষা বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত করাই তাদের মূল চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ২০২৯ সালের আগে আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন বার্নহ্যাম। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এ মুহূর্তে কোনো নির্বাচন চায় না, তাই তার পুরো মনোযোগ এখন দেশকে সঠিক ও স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনার ওপর। তবে ছায়াস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ দাবি করেছেন, নির্বাচন যখনই অনুষ্ঠিত হোক না কেন, মাঠে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে তাদের কনজারভেটিভ পার্টি পুরোপুরি প্রস্তুত।
সূত্র: বিবিসি

জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হতেও বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবেন না যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর দেওয়া নিজের প্রথম সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ইস্যুতে কোনো সিদ্ধান্ত যদি ব্রিটেনের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, তবে তিনি ট্রাম্পের ভিন্নমত গ্রহণে বাধ্য নন এবং নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন।
বিবিসিকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে বার্নহাম জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার প্রথম আলাপচারিতা বেশ ইতিবাচক ছিল এবং ট্রাম্পকে আন্তরিক বলেই মনে হয়েছে। তবে ট্রাম্পের ওপর তিনি শতভাগ ভরসা রাখেন কি না- এমন প্রশ্ন দুবার করা হলেও তিনি কোনো সোজা উত্তর দেননি। বার্নহ্যাম বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে, তাই বর্তমান বাস্তবতা বুঝেই এগোতে হবে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের সংঘাতের পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে যে তার নিজেরও উদ্বেগ রয়েছে, তা-ও খোলাখুলি স্বীকার করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর ছায়াস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস ফিলিপ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের একটি বড় ও দীর্ঘদিনের মিত্র। তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যেমন দরকার, তেমনি তাদের ভুল বা বিতর্কিত কোনো পদক্ষেপে দ্বিমত থাকলে তা অকপটে বলাই প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয়।
এদিকে, জাতীয় প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ৩ শতাংশ বাজেট বাড়ানোর বিষয়ে এখনই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ দিতে চাননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। যদিও তার নতুন চ্যান্সেলর জন হিলি ২০৩০ সালের মধ্যে এ পরিমাণ বাজেট নিশ্চিত না করার প্রতিবাদেই পূর্ববর্তী সরকার থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। এ বিষয়ে বার্নহ্যাম স্পষ্ট করেন, চ্যান্সেলরের অবস্থান সম্পর্কে জেনে শুনেই তাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আপাতত আসন্ন বাজেটে প্রতিরক্ষা বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত করাই তাদের মূল চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ২০২৯ সালের আগে আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন বার্নহ্যাম। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এ মুহূর্তে কোনো নির্বাচন চায় না, তাই তার পুরো মনোযোগ এখন দেশকে সঠিক ও স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনার ওপর। তবে ছায়াস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ দাবি করেছেন, নির্বাচন যখনই অনুষ্ঠিত হোক না কেন, মাঠে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে তাদের কনজারভেটিভ পার্টি পুরোপুরি প্রস্তুত।
সূত্র: বিবিসি

জাতীয় স্বার্থে ট্রাম্পকেও চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রস্তুত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য প্রয়োজনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মুখোমুখি হতেও বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবেন না যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। দায়িত্ব নেওয়ার পর দেওয়া নিজের প্রথম সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ইস্যুতে কোনো সিদ্ধান্ত যদি ব্রিটেনের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, তবে তিনি ট্রাম্পের ভিন্নমত গ্রহণে বাধ্য নন এবং নিজের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরবেন।
বিবিসিকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে বার্নহাম জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার প্রথম আলাপচারিতা বেশ ইতিবাচক ছিল এবং ট্রাম্পকে আন্তরিক বলেই মনে হয়েছে। তবে ট্রাম্পের ওপর তিনি শতভাগ ভরসা রাখেন কি না- এমন প্রশ্ন দুবার করা হলেও তিনি কোনো সোজা উত্তর দেননি। বার্নহ্যাম বলেন, বিশ্ব পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে, তাই বর্তমান বাস্তবতা বুঝেই এগোতে হবে। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের সংঘাতের পথ বেছে নেওয়ার বিষয়ে যে তার নিজেরও উদ্বেগ রয়েছে, তা-ও খোলাখুলি স্বীকার করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পর ছায়াস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস ফিলিপ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের একটি বড় ও দীর্ঘদিনের মিত্র। তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক টিকিয়ে রাখা যেমন দরকার, তেমনি তাদের ভুল বা বিতর্কিত কোনো পদক্ষেপে দ্বিমত থাকলে তা অকপটে বলাই প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয়।
এদিকে, জাতীয় প্রতিরক্ষা খাতে জিডিপির ৩ শতাংশ বাজেট বাড়ানোর বিষয়ে এখনই কোনো নির্দিষ্ট তারিখ দিতে চাননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। যদিও তার নতুন চ্যান্সেলর জন হিলি ২০৩০ সালের মধ্যে এ পরিমাণ বাজেট নিশ্চিত না করার প্রতিবাদেই পূর্ববর্তী সরকার থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। এ বিষয়ে বার্নহ্যাম স্পষ্ট করেন, চ্যান্সেলরের অবস্থান সম্পর্কে জেনে শুনেই তাকে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আপাতত আসন্ন বাজেটে প্রতিরক্ষা বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত করাই তাদের মূল চ্যালেঞ্জ।
রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে ২০২৯ সালের আগে আগাম নির্বাচনের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন বার্নহ্যাম। তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এ মুহূর্তে কোনো নির্বাচন চায় না, তাই তার পুরো মনোযোগ এখন দেশকে সঠিক ও স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনার ওপর। তবে ছায়াস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফিলিপ দাবি করেছেন, নির্বাচন যখনই অনুষ্ঠিত হোক না কেন, মাঠে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করতে তাদের কনজারভেটিভ পার্টি পুরোপুরি প্রস্তুত।
সূত্র: বিবিসি

প্রাণ বাঁচাতেই পুরোনো বিমানে দেশে ফিরেছিলেন ট্রাম্প: নিউইয়র্ক টাইমস
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম







