ফ্রান্সে স্কুল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: বন্ধ ৫৬০টির বেশি প্রতিষ্ঠান, আটক ২ হাজার

ফ্রান্সে স্কুল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: বন্ধ ৫৬০টির বেশি প্রতিষ্ঠান, আটক ২ হাজার
সিজেডএন ডেস্ক

ফ্রান্সে দীর্ঘ ক্লাস, শিক্ষক ও পাঠ্যবইয়ের সংকটের বিরুদ্ধে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) স্কুলের বাইরে আগুন জ্বালিয়ে পুলিশের মুখোমুখি হন আন্দোলনরত কিশোররা। গত সপ্তাহে প্যারিসে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে ৫৬০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী প্যারিসসহ দেশের বিভিন্ন শহরে উচ্চ বিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক আটকে বিক্ষোভ করছে। তাদের অভিযোগ, ক্লাসের সময়সূচি অতিরিক্ত দীর্ঘ, শ্রেণিকক্ষগুলোতে প্রচন্ড গরম এবং শিক্ষক সংকটের কারণে পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মধ্য প্যারিসের তুরগো হাই স্কুলের বাইরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ১৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, পুরো এক বছর আমাদের কোনো বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিল না। আমাদের কোনো পাঠ্যবইও নেই, তার মতে শহরতলির অবস্থা আরও বেশি শোচনীয়।
সরকার অবশ্য শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলোকে আংশিক যৌক্তিক মনে করছে। কিন্তু চলমান সহিংসতা মেনে নিতে নারাজ। শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এ আন্দোলন চরমপন্থী উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর হাতে জিম্মি হয়ে আছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে প্রায় ৪০ জন অধ্যক্ষসহ অন্তত ৬৫ জন স্কুলকর্মী এবং প্রায় ১৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মার্সেইসহ বেশ কিছু শহরে অনেক স্কুল বাধ্য হয়ে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনার পরিকল্পনা করছে।
এ বিষয়ে বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিক্ষোভ চলাকালীন সন্তানদের সৃষ্টি যে কোনো ধরনের ক্ষতির দায় অভিভাবকদেরই বহন করতে হবে এবং মেরামতের খরচ তাদেরই দিতে হবে। ডারমানিন আরও জানান, আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ২হাজার জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের প্রায় ৯০ শতাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক।
ফ্রান্সে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রায় ছয় মাস বাকি। এসময়ে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনেও শুরু হয়েছে তীব্র কোন্দল। ক্ষমতাসীন সরকার ছাত্র আন্দোলনের পেছনে কট্টর বামপন্থী দল ‘ফ্রান্স আনবাউড’ (এলএফআই) এবং দলটির নেতা জঁ-লুক মেলঁশোঁর হাত দেখছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে এলএফআই-এর জ্যেষ্ঠ নেতা ম্যানুয়েল বোম্পার্ড সরকার ষড়যন্ত্র করছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪

ফ্রান্সে দীর্ঘ ক্লাস, শিক্ষক ও পাঠ্যবইয়ের সংকটের বিরুদ্ধে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) স্কুলের বাইরে আগুন জ্বালিয়ে পুলিশের মুখোমুখি হন আন্দোলনরত কিশোররা। গত সপ্তাহে প্যারিসে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে ৫৬০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী প্যারিসসহ দেশের বিভিন্ন শহরে উচ্চ বিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক আটকে বিক্ষোভ করছে। তাদের অভিযোগ, ক্লাসের সময়সূচি অতিরিক্ত দীর্ঘ, শ্রেণিকক্ষগুলোতে প্রচন্ড গরম এবং শিক্ষক সংকটের কারণে পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মধ্য প্যারিসের তুরগো হাই স্কুলের বাইরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ১৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, পুরো এক বছর আমাদের কোনো বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিল না। আমাদের কোনো পাঠ্যবইও নেই, তার মতে শহরতলির অবস্থা আরও বেশি শোচনীয়।
সরকার অবশ্য শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলোকে আংশিক যৌক্তিক মনে করছে। কিন্তু চলমান সহিংসতা মেনে নিতে নারাজ। শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এ আন্দোলন চরমপন্থী উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর হাতে জিম্মি হয়ে আছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে প্রায় ৪০ জন অধ্যক্ষসহ অন্তত ৬৫ জন স্কুলকর্মী এবং প্রায় ১৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মার্সেইসহ বেশ কিছু শহরে অনেক স্কুল বাধ্য হয়ে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনার পরিকল্পনা করছে।
এ বিষয়ে বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিক্ষোভ চলাকালীন সন্তানদের সৃষ্টি যে কোনো ধরনের ক্ষতির দায় অভিভাবকদেরই বহন করতে হবে এবং মেরামতের খরচ তাদেরই দিতে হবে। ডারমানিন আরও জানান, আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ২হাজার জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের প্রায় ৯০ শতাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক।
ফ্রান্সে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রায় ছয় মাস বাকি। এসময়ে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনেও শুরু হয়েছে তীব্র কোন্দল। ক্ষমতাসীন সরকার ছাত্র আন্দোলনের পেছনে কট্টর বামপন্থী দল ‘ফ্রান্স আনবাউড’ (এলএফআই) এবং দলটির নেতা জঁ-লুক মেলঁশোঁর হাত দেখছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে এলএফআই-এর জ্যেষ্ঠ নেতা ম্যানুয়েল বোম্পার্ড সরকার ষড়যন্ত্র করছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪

ফ্রান্সে স্কুল শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ: বন্ধ ৫৬০টির বেশি প্রতিষ্ঠান, আটক ২ হাজার
সিজেডএন ডেস্ক

ফ্রান্সে দীর্ঘ ক্লাস, শিক্ষক ও পাঠ্যবইয়ের সংকটের বিরুদ্ধে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) স্কুলের বাইরে আগুন জ্বালিয়ে পুলিশের মুখোমুখি হন আন্দোলনরত কিশোররা। গত সপ্তাহে প্যারিসে শুরু হওয়া এ বিক্ষোভ এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে ৫৬০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ।
রাজধানী প্যারিসসহ দেশের বিভিন্ন শহরে উচ্চ বিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটক আটকে বিক্ষোভ করছে। তাদের অভিযোগ, ক্লাসের সময়সূচি অতিরিক্ত দীর্ঘ, শ্রেণিকক্ষগুলোতে প্রচন্ড গরম এবং শিক্ষক সংকটের কারণে পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। মধ্য প্যারিসের তুরগো হাই স্কুলের বাইরে নাম প্রকাশ না করার শর্তে ১৫ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, পুরো এক বছর আমাদের কোনো বিজ্ঞানের শিক্ষক ছিল না। আমাদের কোনো পাঠ্যবইও নেই, তার মতে শহরতলির অবস্থা আরও বেশি শোচনীয়।
সরকার অবশ্য শিক্ষার্থীদের অভিযোগগুলোকে আংশিক যৌক্তিক মনে করছে। কিন্তু চলমান সহিংসতা মেনে নিতে নারাজ। শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এ আন্দোলন চরমপন্থী উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলোর হাতে জিম্মি হয়ে আছে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে প্রায় ৪০ জন অধ্যক্ষসহ অন্তত ৬৫ জন স্কুলকর্মী এবং প্রায় ১৭০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। মার্সেইসহ বেশ কিছু শহরে অনেক স্কুল বাধ্য হয়ে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনার পরিকল্পনা করছে।
এ বিষয়ে বিচারমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, বিক্ষোভ চলাকালীন সন্তানদের সৃষ্টি যে কোনো ধরনের ক্ষতির দায় অভিভাবকদেরই বহন করতে হবে এবং মেরামতের খরচ তাদেরই দিতে হবে। ডারমানিন আরও জানান, আন্দোলন শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ২হাজার জনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের প্রায় ৯০ শতাংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক।
ফ্রান্সে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রায় ছয় মাস বাকি। এসময়ে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনেও শুরু হয়েছে তীব্র কোন্দল। ক্ষমতাসীন সরকার ছাত্র আন্দোলনের পেছনে কট্টর বামপন্থী দল ‘ফ্রান্স আনবাউড’ (এলএফআই) এবং দলটির নেতা জঁ-লুক মেলঁশোঁর হাত দেখছে। তবে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দিয়ে এলএফআই-এর জ্যেষ্ঠ নেতা ম্যানুয়েল বোম্পার্ড সরকার ষড়যন্ত্র করছে বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন।
সূত্র: ফ্রান্স ২৪

ফ্রান্সে যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, আহত ৪৪







