শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ক্ষমতা হারালেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ক্ষমতা হারালেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট
সিটিজেন ডেস্ক

সোমবার (২৬ অক্টোবর) এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে সার্বিয়া। ছাত্র-সমর্থিত ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ নির্বাচনি প্ল্যাটফর্মের ভূমিধস জয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন দেশটির দীর্ঘদিনের নেতা আলেকজান্ডার ভুচিচ। এ বিজয় দেশজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইয়ে দিলেও, নতুন দলটি কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) গভীর রাতে ভুচিচ নিজের পরাজয় স্বীকার করার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানী বেলগ্রেডসহ সার্বিয়ার নানা শহরের রাস্তায় নেমে আসেন হাজারো মানুষ। এর মধ্য দিয়ে ভুচিচের পদত্যাগের দাবিতে চলা দুই বছরের দীর্ঘ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সমাপ্তি হলো। রাষ্ট্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ৫২.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ছাত্র প্রার্থীরা। অন্যদিকে, ভুচিচের সার্বিয়া প্রগ্রেসিভ পার্টি (এসএনএস) জোট পেয়েছে ৩৯.২ শতাংশ ভোট। এ ফলাফলের পর ২৫০ আসনের সংসদে ছাত্ররা এককভাবে ১৩৯টি আসন নিশ্চিত করেছে। আর এসএনএস জোট পেয়েছে ৯৭টি আসন, বাকিগুলো গেছে সংখ্যালঘু দলগুলোর ঝুলিতে।
২০১৪ সাল থেকে সার্বিয়ার রাজনীতিতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিলেন ভুচিচ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমতাচ্যুত হতে হলো ছাত্রদের কাছে। নোভি সাদ শহরে একটি ট্রেন স্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যুর পর দেশজুড়ে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই বিক্ষোভ থেকেই জন্ম নেয় এ ছাত্র আন্দোলন। প্রায় ৬০ লাখ মানুষের এ দেশটিতে শিক্ষার্থীদের এ জয় এক বিশাল রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটিয়েছে।
তবে নানা জটিলতাও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, অভিনেতা ও কৃষকদের নিয়ে গড়া এ আন্দোলনের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রধান নেতা নেই। তাছাড়া দুর্নীতি নির্মূল ও শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা কাকে প্রধানমন্ত্রী বা কে কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসবেন, সে বিষয়েও এখনো কোনো পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়নি। ছাত্র প্রার্থীদের তালিকায় কিছু পরিচিত মুখও রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তালিকার প্রধান ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ইলিয়া স্রদানোভিচ, সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর দেইয়ান সোসকিচ এবং বেলগ্রেড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাদোমির সাজচিচ।
৬০ বছর বয়সী বীমা কর্মী স্বেতলানা কারাগকোজিদু বলেন, দুর্নীতি আমাদের জীবনের প্রতিটি রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। অবশ্যই এর পরিবর্তন হবে, আশা করছি আমরা ধীরে ধীরে একটি স্বাভাবিক সমাজের দিকে এগিয়ে যাব।
এ পরিবর্তনকে সবাই যে খুব সহজে মেনে নিচ্ছেন, তা নয়। সরকারি কর্মী ৬০ বছর বয়সী সেনকা রাডাকোভিচ বলেন, এভাবে হঠাৎ করে এবং একবারে দেশটাকে বদলে ফেলাটা আমার পছন্দ হচ্ছে না। এর পেছনে কারা আছে, কারা এ লোকগুলো, দেশকে নেতৃত্ব দেবে, তা-ও আমি জানি না। অবশ্য নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা দমন-পীড়ন ও দুর্নীতির সব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন ভুচিচ ও তার দল এসএনএস।
সূত্র: রয়টার্স

সোমবার (২৬ অক্টোবর) এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে সার্বিয়া। ছাত্র-সমর্থিত ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ নির্বাচনি প্ল্যাটফর্মের ভূমিধস জয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন দেশটির দীর্ঘদিনের নেতা আলেকজান্ডার ভুচিচ। এ বিজয় দেশজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইয়ে দিলেও, নতুন দলটি কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) গভীর রাতে ভুচিচ নিজের পরাজয় স্বীকার করার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানী বেলগ্রেডসহ সার্বিয়ার নানা শহরের রাস্তায় নেমে আসেন হাজারো মানুষ। এর মধ্য দিয়ে ভুচিচের পদত্যাগের দাবিতে চলা দুই বছরের দীর্ঘ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সমাপ্তি হলো। রাষ্ট্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ৫২.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ছাত্র প্রার্থীরা। অন্যদিকে, ভুচিচের সার্বিয়া প্রগ্রেসিভ পার্টি (এসএনএস) জোট পেয়েছে ৩৯.২ শতাংশ ভোট। এ ফলাফলের পর ২৫০ আসনের সংসদে ছাত্ররা এককভাবে ১৩৯টি আসন নিশ্চিত করেছে। আর এসএনএস জোট পেয়েছে ৯৭টি আসন, বাকিগুলো গেছে সংখ্যালঘু দলগুলোর ঝুলিতে।
২০১৪ সাল থেকে সার্বিয়ার রাজনীতিতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিলেন ভুচিচ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমতাচ্যুত হতে হলো ছাত্রদের কাছে। নোভি সাদ শহরে একটি ট্রেন স্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যুর পর দেশজুড়ে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই বিক্ষোভ থেকেই জন্ম নেয় এ ছাত্র আন্দোলন। প্রায় ৬০ লাখ মানুষের এ দেশটিতে শিক্ষার্থীদের এ জয় এক বিশাল রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটিয়েছে।
তবে নানা জটিলতাও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, অভিনেতা ও কৃষকদের নিয়ে গড়া এ আন্দোলনের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রধান নেতা নেই। তাছাড়া দুর্নীতি নির্মূল ও শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা কাকে প্রধানমন্ত্রী বা কে কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসবেন, সে বিষয়েও এখনো কোনো পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়নি। ছাত্র প্রার্থীদের তালিকায় কিছু পরিচিত মুখও রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তালিকার প্রধান ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ইলিয়া স্রদানোভিচ, সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর দেইয়ান সোসকিচ এবং বেলগ্রেড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাদোমির সাজচিচ।
৬০ বছর বয়সী বীমা কর্মী স্বেতলানা কারাগকোজিদু বলেন, দুর্নীতি আমাদের জীবনের প্রতিটি রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। অবশ্যই এর পরিবর্তন হবে, আশা করছি আমরা ধীরে ধীরে একটি স্বাভাবিক সমাজের দিকে এগিয়ে যাব।
এ পরিবর্তনকে সবাই যে খুব সহজে মেনে নিচ্ছেন, তা নয়। সরকারি কর্মী ৬০ বছর বয়সী সেনকা রাডাকোভিচ বলেন, এভাবে হঠাৎ করে এবং একবারে দেশটাকে বদলে ফেলাটা আমার পছন্দ হচ্ছে না। এর পেছনে কারা আছে, কারা এ লোকগুলো, দেশকে নেতৃত্ব দেবে, তা-ও আমি জানি না। অবশ্য নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা দমন-পীড়ন ও দুর্নীতির সব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন ভুচিচ ও তার দল এসএনএস।
সূত্র: রয়টার্স

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ক্ষমতা হারালেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট
সিটিজেন ডেস্ক

সোমবার (২৬ অক্টোবর) এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে সার্বিয়া। ছাত্র-সমর্থিত ‘স্টুডেন্ট লিস্ট’ নির্বাচনি প্ল্যাটফর্মের ভূমিধস জয়ে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন দেশটির দীর্ঘদিনের নেতা আলেকজান্ডার ভুচিচ। এ বিজয় দেশজুড়ে আনন্দের জোয়ার বইয়ে দিলেও, নতুন দলটি কীভাবে দেশ পরিচালনা করবে তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) গভীর রাতে ভুচিচ নিজের পরাজয় স্বীকার করার সঙ্গে সঙ্গেই রাজধানী বেলগ্রেডসহ সার্বিয়ার নানা শহরের রাস্তায় নেমে আসেন হাজারো মানুষ। এর মধ্য দিয়ে ভুচিচের পদত্যাগের দাবিতে চলা দুই বছরের দীর্ঘ শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সমাপ্তি হলো। রাষ্ট্রীয় নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে ৫২.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে বিশাল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন ছাত্র প্রার্থীরা। অন্যদিকে, ভুচিচের সার্বিয়া প্রগ্রেসিভ পার্টি (এসএনএস) জোট পেয়েছে ৩৯.২ শতাংশ ভোট। এ ফলাফলের পর ২৫০ আসনের সংসদে ছাত্ররা এককভাবে ১৩৯টি আসন নিশ্চিত করেছে। আর এসএনএস জোট পেয়েছে ৯৭টি আসন, বাকিগুলো গেছে সংখ্যালঘু দলগুলোর ঝুলিতে।
২০১৪ সাল থেকে সার্বিয়ার রাজনীতিতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিলেন ভুচিচ। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমতাচ্যুত হতে হলো ছাত্রদের কাছে। নোভি সাদ শহরে একটি ট্রেন স্টেশনের ছাউনি ধসে ১৬ জনের মৃত্যুর পর দেশজুড়ে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। ওই বিক্ষোভ থেকেই জন্ম নেয় এ ছাত্র আন্দোলন। প্রায় ৬০ লাখ মানুষের এ দেশটিতে শিক্ষার্থীদের এ জয় এক বিশাল রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটিয়েছে।
তবে নানা জটিলতাও রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, অভিনেতা ও কৃষকদের নিয়ে গড়া এ আন্দোলনের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রধান নেতা নেই। তাছাড়া দুর্নীতি নির্মূল ও শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষার্থীদের নিজস্ব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তারা কাকে প্রধানমন্ত্রী বা কে কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে বসবেন, সে বিষয়েও এখনো কোনো পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়নি। ছাত্র প্রার্থীদের তালিকায় কিছু পরিচিত মুখও রয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তালিকার প্রধান ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ইলিয়া স্রদানোভিচ, সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর দেইয়ান সোসকিচ এবং বেলগ্রেড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাদোমির সাজচিচ।
৬০ বছর বয়সী বীমা কর্মী স্বেতলানা কারাগকোজিদু বলেন, দুর্নীতি আমাদের জীবনের প্রতিটি রন্ধ্রে ঢুকে গেছে। অবশ্যই এর পরিবর্তন হবে, আশা করছি আমরা ধীরে ধীরে একটি স্বাভাবিক সমাজের দিকে এগিয়ে যাব।
এ পরিবর্তনকে সবাই যে খুব সহজে মেনে নিচ্ছেন, তা নয়। সরকারি কর্মী ৬০ বছর বয়সী সেনকা রাডাকোভিচ বলেন, এভাবে হঠাৎ করে এবং একবারে দেশটাকে বদলে ফেলাটা আমার পছন্দ হচ্ছে না। এর পেছনে কারা আছে, কারা এ লোকগুলো, দেশকে নেতৃত্ব দেবে, তা-ও আমি জানি না। অবশ্য নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা দমন-পীড়ন ও দুর্নীতির সব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন ভুচিচ ও তার দল এসএনএস।
সূত্র: রয়টার্স

জেলেনস্কিকে হত্যার নির্দেশ দিতে ট্রাম্পকে রাশিয়ার আহ্বান







