ফরিদপুরে ১৪ মামলার আসামি আ.লীগ নেতা মজনু গ্রেপ্তার

ফরিদপুরে ১৪ মামলার আসামি আ.লীগ নেতা মজনু গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে ১৪টি মামলার আসামি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম ওরফে মজনুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাস পোড়ানোর একটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, গ্রেপ্তারের পর থানায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মজনুকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত শহিদুল ইসলাম ওরফে মজনু সদর উপজেলার ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সভাপতি।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদপুর সদরের করিমপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কাছে একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত পূর্বাশা পরিবহনের ওই বাসটি পুলিশ ফাঁড়ির কাছে মামলার আলামত হিসেবে জব্দ ছিল। এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়। ওই মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে মজনুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শহিদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়ে। তার বিরুদ্ধে বাসে অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাঙচুর, নাশকতা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মোট ১৪টি মামলা রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। সর্বশেষ একটি বাস পোড়ানোর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়ে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে শহিদুল আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে আদালতে সোপর্দ করার বদলে বিকালে পুলিশ প্রহরায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরে ১৪টি মামলার আসামি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম ওরফে মজনুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাস পোড়ানোর একটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, গ্রেপ্তারের পর থানায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মজনুকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত শহিদুল ইসলাম ওরফে মজনু সদর উপজেলার ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সভাপতি।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদপুর সদরের করিমপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কাছে একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত পূর্বাশা পরিবহনের ওই বাসটি পুলিশ ফাঁড়ির কাছে মামলার আলামত হিসেবে জব্দ ছিল। এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়। ওই মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে মজনুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শহিদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়ে। তার বিরুদ্ধে বাসে অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাঙচুর, নাশকতা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মোট ১৪টি মামলা রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। সর্বশেষ একটি বাস পোড়ানোর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়ে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে শহিদুল আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে আদালতে সোপর্দ করার বদলে বিকালে পুলিশ প্রহরায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরে ১৪ মামলার আসামি আ.লীগ নেতা মজনু গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে ১৪টি মামলার আসামি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম ওরফে মজনুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাস পোড়ানোর একটি মামলায় সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর শহরের রাজবাড়ী রাস্তার মোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে, গ্রেপ্তারের পর থানায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মজনুকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত শহিদুল ইসলাম ওরফে মজনু সদর উপজেলার ঈশানগোপালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের সভাপতি।
পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে ফরিদপুর সদরের করিমপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কাছে একটি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত পূর্বাশা পরিবহনের ওই বাসটি পুলিশ ফাঁড়ির কাছে মামলার আলামত হিসেবে জব্দ ছিল। এ ঘটনায় ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়। ওই মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে মজনুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শহিদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়ে। তার বিরুদ্ধে বাসে অগ্নিসংযোগ, গাড়ি ভাঙচুর, নাশকতা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মোট ১৪টি মামলা রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, শহিদুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। সর্বশেষ একটি বাস পোড়ানোর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়ে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারের পর থানায় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে শহিদুল আকস্মিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে আদালতে সোপর্দ করার বদলে বিকালে পুলিশ প্রহরায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

যৌন হয়রানির মিথ্যা মামলা, নারীর কারাদণ্ড







