ইউরোপজুড়ে ঘড়ির কাঁটা পেছালো এক ঘণ্টা

ইউরোপজুড়ে ঘড়ির কাঁটা পেছালো এক ঘণ্টা
সিজেডএন ডেস্ক

শীতের আমেজ নামতেই ইউরোপজুড়ে শুরু হয়ে গেছে সময় বদলের পালা। বছরের এই সময়ে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দিয়ে আবারও স্ট্যান্ডার্ড টাইমে ফিরে যাচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। এর মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে ইতি টানল ‘ডে-লাইট সেভিং টাইম’ বা গ্রীষ্মকালীন সময়ের।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর মার্চের শেষ রবিবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে গ্রীষ্মকালীন সময় শুরু হয়। আর অক্টোবরের শেষ রবিবার সেই কাঁটা আবার এক ঘণ্টা পেছানো হয়। সেই হিসেবে এ বছর ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এ পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে। ইউরোনিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনসহ ইউরোপের প্রায় সবকটি দেশেই এ নিয়ম মেনে চলা হয়।
পর্তুগালের মূল ভূখণ্ডের রাজধানী লিসবন ও পোর্তোর মতো শহরগুলোতে স্থানীয় সময় রবিবার রাত ২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১টায় নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জেও ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দেওয়া হয়। তবে একটু ভিন্ন নিয়মে আজোরেস দ্বীপপুঞ্জে স্থানীয় সময় রাত ১টায় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে রাত ১২টা করা হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশেই ২৫ অক্টোবর গ্রীষ্মকালীন সময়ের সমাপ্তি ঘটেছে। জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেনের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও গ্রিসের মতো দেশগুলোতেও এই নিয়ম একযোগে কার্যকর হয়েছে।
এ সময় পরিবর্তনের ফলে আগামী কয়েক মাস বাংলাদেশ এবং ইউরোপের দেশগুলোর সময়ের ব্যবধান কিছুটা পরিবর্তিত থাকবে, যা প্রবাসী বাঙালি ও ইউরোপে যাতায়াতকারীদের দৈনন্দিন যোগাযোগে প্রভাব ফেলবে।
সূত্র: ইউরো নিউজ

শীতের আমেজ নামতেই ইউরোপজুড়ে শুরু হয়ে গেছে সময় বদলের পালা। বছরের এই সময়ে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দিয়ে আবারও স্ট্যান্ডার্ড টাইমে ফিরে যাচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। এর মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে ইতি টানল ‘ডে-লাইট সেভিং টাইম’ বা গ্রীষ্মকালীন সময়ের।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর মার্চের শেষ রবিবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে গ্রীষ্মকালীন সময় শুরু হয়। আর অক্টোবরের শেষ রবিবার সেই কাঁটা আবার এক ঘণ্টা পেছানো হয়। সেই হিসেবে এ বছর ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এ পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে। ইউরোনিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনসহ ইউরোপের প্রায় সবকটি দেশেই এ নিয়ম মেনে চলা হয়।
পর্তুগালের মূল ভূখণ্ডের রাজধানী লিসবন ও পোর্তোর মতো শহরগুলোতে স্থানীয় সময় রবিবার রাত ২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১টায় নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জেও ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দেওয়া হয়। তবে একটু ভিন্ন নিয়মে আজোরেস দ্বীপপুঞ্জে স্থানীয় সময় রাত ১টায় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে রাত ১২টা করা হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশেই ২৫ অক্টোবর গ্রীষ্মকালীন সময়ের সমাপ্তি ঘটেছে। জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেনের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও গ্রিসের মতো দেশগুলোতেও এই নিয়ম একযোগে কার্যকর হয়েছে।
এ সময় পরিবর্তনের ফলে আগামী কয়েক মাস বাংলাদেশ এবং ইউরোপের দেশগুলোর সময়ের ব্যবধান কিছুটা পরিবর্তিত থাকবে, যা প্রবাসী বাঙালি ও ইউরোপে যাতায়াতকারীদের দৈনন্দিন যোগাযোগে প্রভাব ফেলবে।
সূত্র: ইউরো নিউজ

ইউরোপজুড়ে ঘড়ির কাঁটা পেছালো এক ঘণ্টা
সিজেডএন ডেস্ক

শীতের আমেজ নামতেই ইউরোপজুড়ে শুরু হয়ে গেছে সময় বদলের পালা। বছরের এই সময়ে ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দিয়ে আবারও স্ট্যান্ডার্ড টাইমে ফিরে যাচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। এর মধ্য দিয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে ইতি টানল ‘ডে-লাইট সেভিং টাইম’ বা গ্রীষ্মকালীন সময়ের।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি বছর মার্চের শেষ রবিবার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে গ্রীষ্মকালীন সময় শুরু হয়। আর অক্টোবরের শেষ রবিবার সেই কাঁটা আবার এক ঘণ্টা পেছানো হয়। সেই হিসেবে এ বছর ২৫ অক্টোবর ২০২৬, রবিবার ইউরোপের বিভিন্ন দেশে এ পরিবর্তন কার্যকর হয়েছে। ইউরোনিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনসহ ইউরোপের প্রায় সবকটি দেশেই এ নিয়ম মেনে চলা হয়।
পর্তুগালের মূল ভূখণ্ডের রাজধানী লিসবন ও পোর্তোর মতো শহরগুলোতে স্থানীয় সময় রবিবার রাত ২টায় ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে রাত ১টায় নেওয়া হয়েছে। একই সময়ে মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জেও ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে দেওয়া হয়। তবে একটু ভিন্ন নিয়মে আজোরেস দ্বীপপুঞ্জে স্থানীয় সময় রাত ১টায় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে রাত ১২টা করা হয়।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশেই ২৫ অক্টোবর গ্রীষ্মকালীন সময়ের সমাপ্তি ঘটেছে। জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেনের পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, পোল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও গ্রিসের মতো দেশগুলোতেও এই নিয়ম একযোগে কার্যকর হয়েছে।
এ সময় পরিবর্তনের ফলে আগামী কয়েক মাস বাংলাদেশ এবং ইউরোপের দেশগুলোর সময়ের ব্যবধান কিছুটা পরিবর্তিত থাকবে, যা প্রবাসী বাঙালি ও ইউরোপে যাতায়াতকারীদের দৈনন্দিন যোগাযোগে প্রভাব ফেলবে।
সূত্র: ইউরো নিউজ









