রাখাইনে আশ্রয়শিবিরে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা, নিহত ৮

রাখাইনে আশ্রয়শিবিরে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা, নিহত ৮
সিজেডএন ডেস্ক

মিয়ানমারের যুদ্ধবিধ্বস্ত রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুতদের দুটি আশ্রয়শিবিরে পরপর দুই দিন বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এতে অন্তত আটজন নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও একটি যুব সংগঠন সোমবার (৫ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে। গত সপ্তাহেও এ অঞ্চলে বিমান হামলায় ৫০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।
বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও পোনাগিউন ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্রদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম হামলাটি ঘটে রবিবার বিকেলে রাখাইনের পোনাগিউন টাউনশিপের একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে। সেখানে ঘটনাস্থলেই ছয়জন নিহত হন এবং আহত হন ১১ জন। এর পরের দিন অর্থাৎ সোমবার সকালে একই এলাকার আরেকটি শিবিরে দ্বিতীয় দফায় বিমান হামলা চালানো হয়। এতে দুজন নিহত ও আরও দুজন আহত হন।
উভয় শিবিরের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে পোনাগিউন যুব সমিতির মুখপাত্র কিয়াও উইন তুন বলেন, ওখানে প্রত্যেকেই বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিক। তবে এ জোড়া বিমান হামলার বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের পক্ষথেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে বেসামরিক ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করে। রয়টার্স অবশ্য ঘটনার বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্য বর্তমানে মিয়ানমার গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। উপকূলীয় রাজ্যটির বেশিরভাগ এলাকা এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, আর হারানো এলাকা পুনরুদ্ধার করতে জান্তা বাহিনী মরিয়া হয়ে হামলা চালাচ্ছে। ২০২১ সালে সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকে শুরু হওয়া এ যুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ৩৫ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স

মিয়ানমারের যুদ্ধবিধ্বস্ত রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুতদের দুটি আশ্রয়শিবিরে পরপর দুই দিন বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এতে অন্তত আটজন নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও একটি যুব সংগঠন সোমবার (৫ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে। গত সপ্তাহেও এ অঞ্চলে বিমান হামলায় ৫০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।
বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও পোনাগিউন ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্রদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম হামলাটি ঘটে রবিবার বিকেলে রাখাইনের পোনাগিউন টাউনশিপের একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে। সেখানে ঘটনাস্থলেই ছয়জন নিহত হন এবং আহত হন ১১ জন। এর পরের দিন অর্থাৎ সোমবার সকালে একই এলাকার আরেকটি শিবিরে দ্বিতীয় দফায় বিমান হামলা চালানো হয়। এতে দুজন নিহত ও আরও দুজন আহত হন।
উভয় শিবিরের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে পোনাগিউন যুব সমিতির মুখপাত্র কিয়াও উইন তুন বলেন, ওখানে প্রত্যেকেই বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিক। তবে এ জোড়া বিমান হামলার বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের পক্ষথেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে বেসামরিক ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করে। রয়টার্স অবশ্য ঘটনার বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্য বর্তমানে মিয়ানমার গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। উপকূলীয় রাজ্যটির বেশিরভাগ এলাকা এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, আর হারানো এলাকা পুনরুদ্ধার করতে জান্তা বাহিনী মরিয়া হয়ে হামলা চালাচ্ছে। ২০২১ সালে সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকে শুরু হওয়া এ যুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ৩৫ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স

রাখাইনে আশ্রয়শিবিরে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর বিমান হামলা, নিহত ৮
সিজেডএন ডেস্ক

মিয়ানমারের যুদ্ধবিধ্বস্ত রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুতদের দুটি আশ্রয়শিবিরে পরপর দুই দিন বিমান হামলা চালিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী। এতে অন্তত আটজন নিহত এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও একটি যুব সংগঠন সোমবার (৫ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে। গত সপ্তাহেও এ অঞ্চলে বিমান হামলায় ৫০ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন।
বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ও পোনাগিউন ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্রদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম হামলাটি ঘটে রবিবার বিকেলে রাখাইনের পোনাগিউন টাউনশিপের একটি বাস্তুচ্যুত শিবিরে। সেখানে ঘটনাস্থলেই ছয়জন নিহত হন এবং আহত হন ১১ জন। এর পরের দিন অর্থাৎ সোমবার সকালে একই এলাকার আরেকটি শিবিরে দ্বিতীয় দফায় বিমান হামলা চালানো হয়। এতে দুজন নিহত ও আরও দুজন আহত হন।
উভয় শিবিরের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে পোনাগিউন যুব সমিতির মুখপাত্র কিয়াও উইন তুন বলেন, ওখানে প্রত্যেকেই বাস্তুচ্যুত বেসামরিক নাগরিক। তবে এ জোড়া বিমান হামলার বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের পক্ষথেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। যদিও সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা যুদ্ধক্ষেত্রে বেসামরিক ক্ষতি এড়াতে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করে। রয়টার্স অবশ্য ঘটনার বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাখাইন রাজ্য বর্তমানে মিয়ানমার গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। উপকূলীয় রাজ্যটির বেশিরভাগ এলাকা এখন আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, আর হারানো এলাকা পুনরুদ্ধার করতে জান্তা বাহিনী মরিয়া হয়ে হামলা চালাচ্ছে। ২০২১ সালে সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের পর থেকে শুরু হওয়া এ যুদ্ধে এ পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ৩৫ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সূত্র: রয়টার্স

মিয়ানমার পৌঁছেছে মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো ১৫০০ শরণার্থী







