দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের জাহাজে চীনা কোস্ট গার্ডের ধাক্কা

দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের জাহাজে চীনা কোস্ট গার্ডের ধাক্কা
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের একটি জ্বালানি সরবরাহকারী জাহাজে সজোরে ধাক্কা দিয়েছে চীনের কোস্টগার্ড। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফিলিপাইনের নৌযানটির ডেক ও সুরক্ষা রেলিং ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পালাওয়ান উপকূল থেকে ৫৪ নটিক্যাল মাইল দূরে স্থানীয় জেলেদের জন্য জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার সময় ‘বিআরপি ডাতু মাগাত সালামাত’ নামের ওই নৌযানটি এ বিপদের মুখে পড়ে।
প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ঠিক সংঘর্ষের আগের মুহূর্তে নৌযানের কর্মীরা উৎকণ্ঠায় ‘আঘাতের জন্য প্রস্তুত হও’ বলে চিৎকার করছিলেন। একই সঙ্গে জাহাজের কর্মচারীদের নিজেদের শক্ত করে ধরে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়ার আওয়াজও শোনা যায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক বাকবিতণ্ডা শুরু হয়েছে। ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের অভিযোগ, মানবিক কাজে নিয়োজিত তাদের ওই বেসামরিক সরকারি নৌযানে চীনা কোস্টগার্ড ইচ্ছা করেই সজোরে ধাক্কা দিয়েছে। তবে এ অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বেইজিং দাবি করেছে, বারবার সতর্কবার্তা দেওয়ার পরও ফিলিপাইনের জাহাজটি হঠাৎ তাদের সামনে এসে পড়ে এবং তারাই ইচ্ছাকৃতভাবে গতি বাড়িয়ে কোস্টগার্ডের জাহাজের সামনে চলে আসে। চীনা কর্তৃপক্ষের দাবি, পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের কোস্টগার্ড যথেষ্ট পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে এবং এই ঘটনার দায় সম্পূর্ণ ফিলিপাইনের।
এ উত্তেজনার রেশ ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহলেও। ম্যানিলায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লি লিপ্টন চীনের এ আগ্রাসী পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এর জবাবে স্থানীয় চীনা দূতাবাস মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রই মূলত এ অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত সৃষ্টিতে গোপনে ইন্ধন জুগিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে জুলাই মাসেও দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ স্কারবোরো শোলের কাছে ফিলিপাইনের সরকারি জাহাজে জলকামান বর্ষণ এবং এক নৌসেনাকে আঘাত করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছিল ম্যানিলা। ফিলিপাইনের প্রধান দ্বীপ লুজান থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং চীনের হাইনান দ্বীপ থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে স্কারবোরো শোলটি অবস্থিত। অন্যদিকে, যে সাবিনা শোলে সাম্প্রতিক সংঘর্ষটি ঘটেছে, সেটি দক্ষিণ চীন সাগরের অত্যন্ত সংবেদনশীল স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এলাকার কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবাল প্রাচীর। ফিলিপাইন এটিকে ‘এসকোডা শোল’ নামে ডেকে থাকে এবং এলাকাটি দেশটির নিজস্ব ২০০ নটিক্যাল মাইলের অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরেই পড়েছে।
মূলত দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০ শতাংশ জলসীমাই নিজেদের বলে দাবি করে আসছে চীন। তবে এর পাশাপাশি ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোও তাদের নিজস্ব উপকূলীয় প্রাপ্য অংশ দাবি করে আসায় এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত রয়েছে। বিপুল অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে জলপথটি বর্তমানে বৈশ্বিক কূটনীতি ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বের এক বিপজ্জনক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের একটি জ্বালানি সরবরাহকারী জাহাজে সজোরে ধাক্কা দিয়েছে চীনের কোস্টগার্ড। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফিলিপাইনের নৌযানটির ডেক ও সুরক্ষা রেলিং ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পালাওয়ান উপকূল থেকে ৫৪ নটিক্যাল মাইল দূরে স্থানীয় জেলেদের জন্য জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার সময় ‘বিআরপি ডাতু মাগাত সালামাত’ নামের ওই নৌযানটি এ বিপদের মুখে পড়ে।
প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ঠিক সংঘর্ষের আগের মুহূর্তে নৌযানের কর্মীরা উৎকণ্ঠায় ‘আঘাতের জন্য প্রস্তুত হও’ বলে চিৎকার করছিলেন। একই সঙ্গে জাহাজের কর্মচারীদের নিজেদের শক্ত করে ধরে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়ার আওয়াজও শোনা যায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক বাকবিতণ্ডা শুরু হয়েছে। ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের অভিযোগ, মানবিক কাজে নিয়োজিত তাদের ওই বেসামরিক সরকারি নৌযানে চীনা কোস্টগার্ড ইচ্ছা করেই সজোরে ধাক্কা দিয়েছে। তবে এ অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বেইজিং দাবি করেছে, বারবার সতর্কবার্তা দেওয়ার পরও ফিলিপাইনের জাহাজটি হঠাৎ তাদের সামনে এসে পড়ে এবং তারাই ইচ্ছাকৃতভাবে গতি বাড়িয়ে কোস্টগার্ডের জাহাজের সামনে চলে আসে। চীনা কর্তৃপক্ষের দাবি, পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের কোস্টগার্ড যথেষ্ট পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে এবং এই ঘটনার দায় সম্পূর্ণ ফিলিপাইনের।
এ উত্তেজনার রেশ ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহলেও। ম্যানিলায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লি লিপ্টন চীনের এ আগ্রাসী পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এর জবাবে স্থানীয় চীনা দূতাবাস মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রই মূলত এ অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত সৃষ্টিতে গোপনে ইন্ধন জুগিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে জুলাই মাসেও দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ স্কারবোরো শোলের কাছে ফিলিপাইনের সরকারি জাহাজে জলকামান বর্ষণ এবং এক নৌসেনাকে আঘাত করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছিল ম্যানিলা। ফিলিপাইনের প্রধান দ্বীপ লুজান থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং চীনের হাইনান দ্বীপ থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে স্কারবোরো শোলটি অবস্থিত। অন্যদিকে, যে সাবিনা শোলে সাম্প্রতিক সংঘর্ষটি ঘটেছে, সেটি দক্ষিণ চীন সাগরের অত্যন্ত সংবেদনশীল স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এলাকার কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবাল প্রাচীর। ফিলিপাইন এটিকে ‘এসকোডা শোল’ নামে ডেকে থাকে এবং এলাকাটি দেশটির নিজস্ব ২০০ নটিক্যাল মাইলের অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরেই পড়েছে।
মূলত দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০ শতাংশ জলসীমাই নিজেদের বলে দাবি করে আসছে চীন। তবে এর পাশাপাশি ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোও তাদের নিজস্ব উপকূলীয় প্রাপ্য অংশ দাবি করে আসায় এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত রয়েছে। বিপুল অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে জলপথটি বর্তমানে বৈশ্বিক কূটনীতি ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বের এক বিপজ্জনক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের জাহাজে চীনা কোস্ট গার্ডের ধাক্কা
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ চীন সাগরে ফিলিপাইনের একটি জ্বালানি সরবরাহকারী জাহাজে সজোরে ধাক্কা দিয়েছে চীনের কোস্টগার্ড। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ফিলিপাইনের নৌযানটির ডেক ও সুরক্ষা রেলিং ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। পালাওয়ান উপকূল থেকে ৫৪ নটিক্যাল মাইল দূরে স্থানীয় জেলেদের জন্য জ্বালানি নিয়ে যাওয়ার সময় ‘বিআরপি ডাতু মাগাত সালামাত’ নামের ওই নৌযানটি এ বিপদের মুখে পড়ে।
প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ঠিক সংঘর্ষের আগের মুহূর্তে নৌযানের কর্মীরা উৎকণ্ঠায় ‘আঘাতের জন্য প্রস্তুত হও’ বলে চিৎকার করছিলেন। একই সঙ্গে জাহাজের কর্মচারীদের নিজেদের শক্ত করে ধরে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়ার আওয়াজও শোনা যায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে তীব্র কূটনৈতিক বাকবিতণ্ডা শুরু হয়েছে। ফিলিপাইন কোস্টগার্ডের অভিযোগ, মানবিক কাজে নিয়োজিত তাদের ওই বেসামরিক সরকারি নৌযানে চীনা কোস্টগার্ড ইচ্ছা করেই সজোরে ধাক্কা দিয়েছে। তবে এ অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বেইজিং দাবি করেছে, বারবার সতর্কবার্তা দেওয়ার পরও ফিলিপাইনের জাহাজটি হঠাৎ তাদের সামনে এসে পড়ে এবং তারাই ইচ্ছাকৃতভাবে গতি বাড়িয়ে কোস্টগার্ডের জাহাজের সামনে চলে আসে। চীনা কর্তৃপক্ষের দাবি, পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাদের কোস্টগার্ড যথেষ্ট পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে এবং এই ঘটনার দায় সম্পূর্ণ ফিলিপাইনের।
এ উত্তেজনার রেশ ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক মহলেও। ম্যানিলায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লি লিপ্টন চীনের এ আগ্রাসী পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এর জবাবে স্থানীয় চীনা দূতাবাস মার্কিন প্রশাসনের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রই মূলত এ অঞ্চলে নতুন করে সংঘাত সৃষ্টিতে গোপনে ইন্ধন জুগিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে জুলাই মাসেও দক্ষিণ চীন সাগরের বিরোধপূর্ণ স্কারবোরো শোলের কাছে ফিলিপাইনের সরকারি জাহাজে জলকামান বর্ষণ এবং এক নৌসেনাকে আঘাত করার গুরুতর অভিযোগ তুলেছিল ম্যানিলা। ফিলিপাইনের প্রধান দ্বীপ লুজান থেকে প্রায় ২২০ কিলোমিটার পশ্চিমে এবং চীনের হাইনান দ্বীপ থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে স্কারবোরো শোলটি অবস্থিত। অন্যদিকে, যে সাবিনা শোলে সাম্প্রতিক সংঘর্ষটি ঘটেছে, সেটি দক্ষিণ চীন সাগরের অত্যন্ত সংবেদনশীল স্প্র্যাটলি দ্বীপপুঞ্জ এলাকার কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রবাল প্রাচীর। ফিলিপাইন এটিকে ‘এসকোডা শোল’ নামে ডেকে থাকে এবং এলাকাটি দেশটির নিজস্ব ২০০ নটিক্যাল মাইলের অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভেতরেই পড়েছে।
মূলত দক্ষিণ চীন সাগরের প্রায় ৯০ শতাংশ জলসীমাই নিজেদের বলে দাবি করে আসছে চীন। তবে এর পাশাপাশি ব্রুনাই, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান ও ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোও তাদের নিজস্ব উপকূলীয় প্রাপ্য অংশ দাবি করে আসায় এই অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত রয়েছে। বিপুল অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে জলপথটি বর্তমানে বৈশ্বিক কূটনীতি ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বের এক বিপজ্জনক কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরান ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চীন-রাশিয়ার ভেটো







