নৌবহরে প্রথম বিমানবাহী রণতরি যুক্ত করলো ইন্দোনেশিয়া

নৌবহরে প্রথম বিমানবাহী রণতরি যুক্ত করলো ইন্দোনেশিয়া
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তি ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বহরে যুক্ত হলো দেশের ইতিহাসের প্রথম বিমানবাহী রণতরি। সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার কথা বলে ইতালির পুরোনো যুদ্ধজাহাজটি লুফে নিলেও, এর বিশাল পরিচালনা খরচ এবং প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দেশের ভেতরেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উত্তর জাকার্তার তানজুং প্রিয়োক বন্দরের নৌঘাঁটিতে এসে নোঙর করে ৪১ বছরের পুরোনো ‘আইটিএস জিউসেপ্পে গ্যারিবালডি’ রণতরিটি। স্বল্প দূরত্বে উড্ডয়ন এবং উলম্বভাবে অবতরণে সক্ষম জাহাজটিকে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনেই বরণ করে নেওয়া হয়। আগামী সপ্তাহে ১৪ শতকের বিখ্যাত মাজাপাহিৎ আমলের এক সামরিক নেতার নামে এটিকে ‘কেআরআই গাজা মাদা’ হিসেবে ইন্দোনেশীয় নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হবে।
মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নিজেদের বাণিজ্যিক ও সামরিক প্রভাব বাড়ানোর জন্য গত মার্চে ইতালি তাদের অবসরে যাওয়া রণতরিটি উপহার দেয় ইন্দোনেশিয়াকে। রোম কেবল তাদের সাবমেরিন ও যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি ত্বরান্বিত করতেই এ চাল চেলেছে, তাছাড়া পুরোনো জাহাজটি স্ক্র্যাপ বা ভেঙে ফেলার বিপুল খরচ থেকেও তারা রেহাই পেয়েছে। থাইল্যান্ডের পর এ অঞ্চলের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে বিমানবাহী রণতরীর মালিক হলো জাকার্তা।
প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো সামরিক আধুনিকায়নে মরিয়া থাকলেও এ জাহাজটির পরিচালন ব্যয় নিয়ে সরকারের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৫ সালে অর্থ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পে ৪৫ কোটি ডলারের অনুমোদন দিলেও পার্লামেন্টের কমিশন-১ এর সদস্য টিবি হাসানউদ্দিন জানিয়েছেন, পুরোনো জাহাজটি পুরোপুরি সচল ও আধুনিক করতে খরচ গিয়ে ঠেকতে পারে প্রায় ৯০ কোটি ডলারে (১৬ ট্রিলিয়ন রুপিয়া)। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চাপে এমন বিলাসী সিদ্ধান্তে চটেছেন বিরোধীরাও।
অবশ্য পরাশক্তিগুলোর মতো দূরপাল্লার কোনো যুদ্ধাভিযানে এটি ব্যবহারের পরিকল্পনা নেই ইন্দোনেশিয়ার। হাজারো দ্বীপের দেশটিতে হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং সামুদ্রিক অভিযানের ভাসমান কমান্ড সেন্টার বা সহায়তা হাব হিসেবেই এটিকে কাজে লাগাতে চায় সরকার। চলতি মাসের শুরুতে এক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বৈঠকে প্রেসিডেন্ট সুবিয়ান্তো জানিয়েছেন, রণতরিটি বন ও পিটল্যান্ডের আগুন নেভানোর কাজেও ব্যবহার করা হবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তি ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বহরে যুক্ত হলো দেশের ইতিহাসের প্রথম বিমানবাহী রণতরি। সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার কথা বলে ইতালির পুরোনো যুদ্ধজাহাজটি লুফে নিলেও, এর বিশাল পরিচালনা খরচ এবং প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দেশের ভেতরেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উত্তর জাকার্তার তানজুং প্রিয়োক বন্দরের নৌঘাঁটিতে এসে নোঙর করে ৪১ বছরের পুরোনো ‘আইটিএস জিউসেপ্পে গ্যারিবালডি’ রণতরিটি। স্বল্প দূরত্বে উড্ডয়ন এবং উলম্বভাবে অবতরণে সক্ষম জাহাজটিকে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনেই বরণ করে নেওয়া হয়। আগামী সপ্তাহে ১৪ শতকের বিখ্যাত মাজাপাহিৎ আমলের এক সামরিক নেতার নামে এটিকে ‘কেআরআই গাজা মাদা’ হিসেবে ইন্দোনেশীয় নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হবে।
মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নিজেদের বাণিজ্যিক ও সামরিক প্রভাব বাড়ানোর জন্য গত মার্চে ইতালি তাদের অবসরে যাওয়া রণতরিটি উপহার দেয় ইন্দোনেশিয়াকে। রোম কেবল তাদের সাবমেরিন ও যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি ত্বরান্বিত করতেই এ চাল চেলেছে, তাছাড়া পুরোনো জাহাজটি স্ক্র্যাপ বা ভেঙে ফেলার বিপুল খরচ থেকেও তারা রেহাই পেয়েছে। থাইল্যান্ডের পর এ অঞ্চলের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে বিমানবাহী রণতরীর মালিক হলো জাকার্তা।
প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো সামরিক আধুনিকায়নে মরিয়া থাকলেও এ জাহাজটির পরিচালন ব্যয় নিয়ে সরকারের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৫ সালে অর্থ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পে ৪৫ কোটি ডলারের অনুমোদন দিলেও পার্লামেন্টের কমিশন-১ এর সদস্য টিবি হাসানউদ্দিন জানিয়েছেন, পুরোনো জাহাজটি পুরোপুরি সচল ও আধুনিক করতে খরচ গিয়ে ঠেকতে পারে প্রায় ৯০ কোটি ডলারে (১৬ ট্রিলিয়ন রুপিয়া)। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চাপে এমন বিলাসী সিদ্ধান্তে চটেছেন বিরোধীরাও।
অবশ্য পরাশক্তিগুলোর মতো দূরপাল্লার কোনো যুদ্ধাভিযানে এটি ব্যবহারের পরিকল্পনা নেই ইন্দোনেশিয়ার। হাজারো দ্বীপের দেশটিতে হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং সামুদ্রিক অভিযানের ভাসমান কমান্ড সেন্টার বা সহায়তা হাব হিসেবেই এটিকে কাজে লাগাতে চায় সরকার। চলতি মাসের শুরুতে এক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বৈঠকে প্রেসিডেন্ট সুবিয়ান্তো জানিয়েছেন, রণতরিটি বন ও পিটল্যান্ডের আগুন নেভানোর কাজেও ব্যবহার করা হবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

নৌবহরে প্রথম বিমানবাহী রণতরি যুক্ত করলো ইন্দোনেশিয়া
সিজেডএন ডেস্ক

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক শক্তি ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বহরে যুক্ত হলো দেশের ইতিহাসের প্রথম বিমানবাহী রণতরি। সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার কথা বলে ইতালির পুরোনো যুদ্ধজাহাজটি লুফে নিলেও, এর বিশাল পরিচালনা খরচ এবং প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা নিয়ে দেশের ভেতরেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক।
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উত্তর জাকার্তার তানজুং প্রিয়োক বন্দরের নৌঘাঁটিতে এসে নোঙর করে ৪১ বছরের পুরোনো ‘আইটিএস জিউসেপ্পে গ্যারিবালডি’ রণতরিটি। স্বল্প দূরত্বে উড্ডয়ন এবং উলম্বভাবে অবতরণে সক্ষম জাহাজটিকে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনেই বরণ করে নেওয়া হয়। আগামী সপ্তাহে ১৪ শতকের বিখ্যাত মাজাপাহিৎ আমলের এক সামরিক নেতার নামে এটিকে ‘কেআরআই গাজা মাদা’ হিসেবে ইন্দোনেশীয় নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা হবে।
মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নিজেদের বাণিজ্যিক ও সামরিক প্রভাব বাড়ানোর জন্য গত মার্চে ইতালি তাদের অবসরে যাওয়া রণতরিটি উপহার দেয় ইন্দোনেশিয়াকে। রোম কেবল তাদের সাবমেরিন ও যুদ্ধবিমান বিক্রির চুক্তি ত্বরান্বিত করতেই এ চাল চেলেছে, তাছাড়া পুরোনো জাহাজটি স্ক্র্যাপ বা ভেঙে ফেলার বিপুল খরচ থেকেও তারা রেহাই পেয়েছে। থাইল্যান্ডের পর এ অঞ্চলের দ্বিতীয় দেশ হিসেবে বিমানবাহী রণতরীর মালিক হলো জাকার্তা।
প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো সামরিক আধুনিকায়নে মরিয়া থাকলেও এ জাহাজটির পরিচালন ব্যয় নিয়ে সরকারের ভেতরেই প্রশ্ন উঠেছে। ২০২৫ সালে অর্থ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পে ৪৫ কোটি ডলারের অনুমোদন দিলেও পার্লামেন্টের কমিশন-১ এর সদস্য টিবি হাসানউদ্দিন জানিয়েছেন, পুরোনো জাহাজটি পুরোপুরি সচল ও আধুনিক করতে খরচ গিয়ে ঠেকতে পারে প্রায় ৯০ কোটি ডলারে (১৬ ট্রিলিয়ন রুপিয়া)। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক চাপে এমন বিলাসী সিদ্ধান্তে চটেছেন বিরোধীরাও।
অবশ্য পরাশক্তিগুলোর মতো দূরপাল্লার কোনো যুদ্ধাভিযানে এটি ব্যবহারের পরিকল্পনা নেই ইন্দোনেশিয়ার। হাজারো দ্বীপের দেশটিতে হেলিকপ্টার, ড্রোন এবং সামুদ্রিক অভিযানের ভাসমান কমান্ড সেন্টার বা সহায়তা হাব হিসেবেই এটিকে কাজে লাগাতে চায় সরকার। চলতি মাসের শুরুতে এক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বৈঠকে প্রেসিডেন্ট সুবিয়ান্তো জানিয়েছেন, রণতরিটি বন ও পিটল্যান্ডের আগুন নেভানোর কাজেও ব্যবহার করা হবে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বাব আল-মান্দেবে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করছে ইতালি







