ইরান ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চীন-রাশিয়ার ভেটো

ইরান ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চীন-রাশিয়ার ভেটো
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তদারককারী বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মেয়াদ বাড়ানোর মার্কিন উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। ফ্রান্সের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ওয়াশিংটনের আনা খসড়া প্রস্তাবটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী দুই সদস্য- রাশিয়া ও চীন।
১৫ সদস্যের কাউন্সিলে ১১টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিলেও রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে তা পাস হয়নি। আর ভোটদান থেকে বিরত থাকে পাকিস্তান ও সোমালিয়া। নিরাপত্তা পরিষদের ১৭৩৭ নিষেধাজ্ঞা কমিটির আওতাধীন এ প্যানেলের মেয়াদ বাড়াতে গিয়ে এমন বড় ধরনের কূটনৈতিক ধাক্কা খেল যুক্তরাষ্ট্র।
ভোটাভুটির পর জাতিসংঘের চীনের প্রতিনিধি ফু চং প্রস্তাবের বিরোধিতা করে নিরাপত্তা পরিষদকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মূল কারণ যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও তাদের সর্বোচ্চ চাপের নীতি, তাই নতুন করে নিষেধাজ্ঞা বা চাপ তৈরি করা হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
এছাড়া, ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর রেজুলেশন ২২৩১-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের আলাদা বৈঠকের আইনি ভিত্তি আগেই শেষ হয়ে গেছে। একতরফা রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের মঞ্চ না বানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদকে বহুপাক্ষিক কূটনীতির স্বার্থে গঠনমূলক পথ খোঁজার পরামর্শ দেয় বেইজিং।
অন্যদিকে, রুশ স্থায়ী প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া ১৭৩৭ কমিটিকে সম্পূর্ণ অকার্যকর ও অবৈধ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, কোনো আইনি উপায়ে ইরানের ওপর পুরোনো নিষেধাজ্ঞাগুলো বা ‘স্ন্যাপব্যাক’ মেকানিজম পুনর্বহাল করা হয়নি। ফলে এ বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মেয়াদ বাড়ানোর বৈঠকটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও অবাস্তব। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন বরাবরই রাজনৈতিক মুখোমুখি লড়াইয়ের পথ বেছে নিয়েছে।
এদিকে, ভোটাভুটি থেকে দূরে থাকা পাকিস্তানের প্রতিনিধি পারমাণবিক সংকটের স্থায়ী সমাধানে কূটনৈতিক আলোচনার ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ভূমিকাকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তদারককারী বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মেয়াদ বাড়ানোর মার্কিন উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। ফ্রান্সের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ওয়াশিংটনের আনা খসড়া প্রস্তাবটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী দুই সদস্য- রাশিয়া ও চীন।
১৫ সদস্যের কাউন্সিলে ১১টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিলেও রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে তা পাস হয়নি। আর ভোটদান থেকে বিরত থাকে পাকিস্তান ও সোমালিয়া। নিরাপত্তা পরিষদের ১৭৩৭ নিষেধাজ্ঞা কমিটির আওতাধীন এ প্যানেলের মেয়াদ বাড়াতে গিয়ে এমন বড় ধরনের কূটনৈতিক ধাক্কা খেল যুক্তরাষ্ট্র।
ভোটাভুটির পর জাতিসংঘের চীনের প্রতিনিধি ফু চং প্রস্তাবের বিরোধিতা করে নিরাপত্তা পরিষদকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মূল কারণ যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও তাদের সর্বোচ্চ চাপের নীতি, তাই নতুন করে নিষেধাজ্ঞা বা চাপ তৈরি করা হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
এছাড়া, ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর রেজুলেশন ২২৩১-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের আলাদা বৈঠকের আইনি ভিত্তি আগেই শেষ হয়ে গেছে। একতরফা রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের মঞ্চ না বানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদকে বহুপাক্ষিক কূটনীতির স্বার্থে গঠনমূলক পথ খোঁজার পরামর্শ দেয় বেইজিং।
অন্যদিকে, রুশ স্থায়ী প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া ১৭৩৭ কমিটিকে সম্পূর্ণ অকার্যকর ও অবৈধ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, কোনো আইনি উপায়ে ইরানের ওপর পুরোনো নিষেধাজ্ঞাগুলো বা ‘স্ন্যাপব্যাক’ মেকানিজম পুনর্বহাল করা হয়নি। ফলে এ বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মেয়াদ বাড়ানোর বৈঠকটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও অবাস্তব। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন বরাবরই রাজনৈতিক মুখোমুখি লড়াইয়ের পথ বেছে নিয়েছে।
এদিকে, ভোটাভুটি থেকে দূরে থাকা পাকিস্তানের প্রতিনিধি পারমাণবিক সংকটের স্থায়ী সমাধানে কূটনৈতিক আলোচনার ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ভূমিকাকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

ইরান ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চীন-রাশিয়ার ভেটো
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা তদারককারী বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মেয়াদ বাড়ানোর মার্কিন উদ্যোগ ভেস্তে গেছে। ফ্রান্সের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে ওয়াশিংটনের আনা খসড়া প্রস্তাবটি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী দুই সদস্য- রাশিয়া ও চীন।
১৫ সদস্যের কাউন্সিলে ১১টি দেশ প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দিলেও রাশিয়া ও চীনের ভেটোর কারণে তা পাস হয়নি। আর ভোটদান থেকে বিরত থাকে পাকিস্তান ও সোমালিয়া। নিরাপত্তা পরিষদের ১৭৩৭ নিষেধাজ্ঞা কমিটির আওতাধীন এ প্যানেলের মেয়াদ বাড়াতে গিয়ে এমন বড় ধরনের কূটনৈতিক ধাক্কা খেল যুক্তরাষ্ট্র।
ভোটাভুটির পর জাতিসংঘের চীনের প্রতিনিধি ফু চং প্রস্তাবের বিরোধিতা করে নিরাপত্তা পরিষদকে আরও দায়িত্বশীল আচরণ করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের মূল কারণ যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ও তাদের সর্বোচ্চ চাপের নীতি, তাই নতুন করে নিষেধাজ্ঞা বা চাপ তৈরি করা হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
এছাড়া, ২০২৫ সালের ১৮ অক্টোবর রেজুলেশন ২২৩১-এর মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের আলাদা বৈঠকের আইনি ভিত্তি আগেই শেষ হয়ে গেছে। একতরফা রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের মঞ্চ না বানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদকে বহুপাক্ষিক কূটনীতির স্বার্থে গঠনমূলক পথ খোঁজার পরামর্শ দেয় বেইজিং।
অন্যদিকে, রুশ স্থায়ী প্রতিনিধি ভাসিলি নেবেনজিয়া ১৭৩৭ কমিটিকে সম্পূর্ণ অকার্যকর ও অবৈধ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, কোনো আইনি উপায়ে ইরানের ওপর পুরোনো নিষেধাজ্ঞাগুলো বা ‘স্ন্যাপব্যাক’ মেকানিজম পুনর্বহাল করা হয়নি। ফলে এ বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মেয়াদ বাড়ানোর বৈঠকটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন ও অবাস্তব। তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটন বরাবরই রাজনৈতিক মুখোমুখি লড়াইয়ের পথ বেছে নিয়েছে।
এদিকে, ভোটাভুটি থেকে দূরে থাকা পাকিস্তানের প্রতিনিধি পারমাণবিক সংকটের স্থায়ী সমাধানে কূটনৈতিক আলোচনার ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ভূমিকাকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

২৪ ঘণ্টায় রুশ হামলায় ইউক্রেনের ১২৬০ সেনা নিহত







