ফিলিপাইনে ৬.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

ফিলিপাইনে ৬.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশের সারাঙ্গানি উপকূলসংলগ্ন এলাকায় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। শক্তিশালী এই কম্পনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সারাঙ্গানি এলাকার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫২ থেকে ৬৬ কিলোমিটার গভীরে অবস্থান করছিল।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে একই দিনে জাপানে ৫.৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে রাজধানী টোকিওসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হলেও কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
এদিকে চলতি মাসের শুরুতে ফিলিপাইনের সারাঙ্গানি উপকূলেই ৭.৮ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওই ভূমিকম্পে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন এবং ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরবর্তীতে শত শত আফটারশক বা পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। দেশটির এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর অন্যতম বলে বিবেচিত হচ্ছে। ভূমিকম্পের কম্পন ভেনেজুয়েলার সীমানা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতেও অনুভূত হয়।
ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৫৮৯ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ২ হাজার ৯৮০ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ভূমিকম্প-পরবর্তী প্রথম ৭২ ঘণ্টাকে ‘গোল্ডেন উইন্ডো’ হিসেবে বিবেচনা করে জীবিতদের সন্ধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশের সারাঙ্গানি উপকূলসংলগ্ন এলাকায় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। শক্তিশালী এই কম্পনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সারাঙ্গানি এলাকার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫২ থেকে ৬৬ কিলোমিটার গভীরে অবস্থান করছিল।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে একই দিনে জাপানে ৫.৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে রাজধানী টোকিওসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হলেও কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
এদিকে চলতি মাসের শুরুতে ফিলিপাইনের সারাঙ্গানি উপকূলেই ৭.৮ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওই ভূমিকম্পে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন এবং ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরবর্তীতে শত শত আফটারশক বা পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। দেশটির এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর অন্যতম বলে বিবেচিত হচ্ছে। ভূমিকম্পের কম্পন ভেনেজুয়েলার সীমানা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতেও অনুভূত হয়।
ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৫৮৯ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ২ হাজার ৯৮০ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ভূমিকম্প-পরবর্তী প্রথম ৭২ ঘণ্টাকে ‘গোল্ডেন উইন্ডো’ হিসেবে বিবেচনা করে জীবিতদের সন্ধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি

ফিলিপাইনে ৬.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৪ মিনিটে দাভাও অক্সিডেন্টাল প্রদেশের সারাঙ্গানি উপকূলসংলগ্ন এলাকায় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। শক্তিশালী এই কম্পনে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সারাঙ্গানি এলাকার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে প্রায় ২১ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠের প্রায় ৫২ থেকে ৬৬ কিলোমিটার গভীরে অবস্থান করছিল।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের পর কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের অবকাঠামোগত ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এর আগে একই দিনে জাপানে ৫.৮ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এতে রাজধানী টোকিওসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হলেও কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
এদিকে চলতি মাসের শুরুতে ফিলিপাইনের সারাঙ্গানি উপকূলেই ৭.৮ মাত্রার এক ভয়াবহ ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ওই ভূমিকম্পে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন এবং ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়। পরবর্তীতে শত শত আফটারশক বা পরাঘাত রেকর্ড করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত বুধবার ভেনেজুয়েলায় ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। দেশটির এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের ইতিহাসে এটি সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর অন্যতম বলে বিবেচিত হচ্ছে। ভূমিকম্পের কম্পন ভেনেজুয়েলার সীমানা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতেও অনুভূত হয়।
ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ৫৮৯ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ২ হাজার ৯৮০ জন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে ভূমিকম্প-পরবর্তী প্রথম ৭২ ঘণ্টাকে ‘গোল্ডেন উইন্ডো’ হিসেবে বিবেচনা করে জীবিতদের সন্ধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা, আনাদোলু এজেন্সি




