ট্রাম্প প্রশাসনের বিজ্ঞাপনে ব্যয় ৫৬ লাখ ডলার, ওয়াশিংটনে তোলপাড়

ট্রাম্প প্রশাসনের বিজ্ঞাপনে ব্যয় ৫৬ লাখ ডলার, ওয়াশিংটনে তোলপাড়
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের নীতির প্রচারে সরকারি তহবিল থেকে অন্তত ১৩টি বিজ্ঞাপন তৈরি করেছে হোয়াইট হাউস। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এসব বিজ্ঞাপনের পেছনে এ পর্যন্ত করদাতাদের অন্তত ৫৬ লাখ ডলার খরচ হয়ে গেছে, অথচ পুরো প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রয়েছে দুই কোটি ডলার। এ বিজ্ঞাপনগুলো প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট- উভয় শিবিরেই তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এসব বিজ্ঞাপনের মধ্যে সামরিক বাহিনী, ইরান ও ভেনেজুয়েলায় চালানো মার্কিন সামরিক অভিযান, হোয়াইট হাউসে আয়োজিত ইউএফসি লড়াই এবং খোদ ট্রাম্পকে কেন্দ্র করে বানানো বিভিন্ন ভিডিও রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি করেছে ‘গড মেড ট্রাম্প’ নামের তিন মিনিটের একটি বিজ্ঞাপন। ট্রাম্পকে অনেকটা ত্রাণকর্তার ভূমিকায় হাজির করা হয়েছে ওই বিজ্ঞাপনে। ভয়েসওভারে বলা হয়েছে, ‘ঈশ্বর এমন একজনকে চাইলেন, যার বাহু এতটাই শক্তিশালী যে তা দিয়ে ডিপ স্টেট গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়, তাই ঈশ্বর ট্রাম্পকে সৃষ্টি করলেন।’
তালিকায় থাকা আরেকটি বিজ্ঞাপনের নাম ‘কিং অব দ্য জঙ্গল’। এতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও জো বাইডেন, ন্যান্সি পেলোসি, হিলারি ক্লিনটন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের মতো শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতাদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পাশাপাশি ট্রাম্পের উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘মাদুরো’ নামের আরেকটি বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনগুলোর শেষ অংশে জুড়ে দেওয়া হয়েছে, ‘পেইড ফর বাই দ্য ইউএস গভর্নমেন্ট’। সিবিএস, সিএনএন ও ফক্স নিউজের মতো বড় বড় টেলিভিশন নেটওয়ার্কে ইতোমধ্যে এর অন্তত তিনটি প্রচারও করা হয়েছে।
অ্যাডইমপ্যাক্টের হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রচারণায় খরচ হয়েছে অন্তত ৫৬ লাখ ডলার। আর সিএনএনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এ বিশাল অর্থের জোগান আসছে কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন থেকে। সরকারি অর্থে এভাবে বিজ্ঞাপন প্রচারের বিষয়টি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাও কড়া অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে হোয়াইট হাউসের দাবি, এগুলো আসলে জনসেবামূলক ঘোষণা। অন্যদিকে, নজরদারি সংস্থাগুলো জানিয়েছে বিজ্ঞাপনগুলো সরকারি তহবিল ব্যবহারের প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের নীতির প্রচারে সরকারি তহবিল থেকে অন্তত ১৩টি বিজ্ঞাপন তৈরি করেছে হোয়াইট হাউস। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এসব বিজ্ঞাপনের পেছনে এ পর্যন্ত করদাতাদের অন্তত ৫৬ লাখ ডলার খরচ হয়ে গেছে, অথচ পুরো প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রয়েছে দুই কোটি ডলার। এ বিজ্ঞাপনগুলো প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট- উভয় শিবিরেই তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এসব বিজ্ঞাপনের মধ্যে সামরিক বাহিনী, ইরান ও ভেনেজুয়েলায় চালানো মার্কিন সামরিক অভিযান, হোয়াইট হাউসে আয়োজিত ইউএফসি লড়াই এবং খোদ ট্রাম্পকে কেন্দ্র করে বানানো বিভিন্ন ভিডিও রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি করেছে ‘গড মেড ট্রাম্প’ নামের তিন মিনিটের একটি বিজ্ঞাপন। ট্রাম্পকে অনেকটা ত্রাণকর্তার ভূমিকায় হাজির করা হয়েছে ওই বিজ্ঞাপনে। ভয়েসওভারে বলা হয়েছে, ‘ঈশ্বর এমন একজনকে চাইলেন, যার বাহু এতটাই শক্তিশালী যে তা দিয়ে ডিপ স্টেট গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়, তাই ঈশ্বর ট্রাম্পকে সৃষ্টি করলেন।’
তালিকায় থাকা আরেকটি বিজ্ঞাপনের নাম ‘কিং অব দ্য জঙ্গল’। এতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও জো বাইডেন, ন্যান্সি পেলোসি, হিলারি ক্লিনটন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের মতো শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতাদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পাশাপাশি ট্রাম্পের উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘মাদুরো’ নামের আরেকটি বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনগুলোর শেষ অংশে জুড়ে দেওয়া হয়েছে, ‘পেইড ফর বাই দ্য ইউএস গভর্নমেন্ট’। সিবিএস, সিএনএন ও ফক্স নিউজের মতো বড় বড় টেলিভিশন নেটওয়ার্কে ইতোমধ্যে এর অন্তত তিনটি প্রচারও করা হয়েছে।
অ্যাডইমপ্যাক্টের হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রচারণায় খরচ হয়েছে অন্তত ৫৬ লাখ ডলার। আর সিএনএনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এ বিশাল অর্থের জোগান আসছে কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন থেকে। সরকারি অর্থে এভাবে বিজ্ঞাপন প্রচারের বিষয়টি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাও কড়া অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে হোয়াইট হাউসের দাবি, এগুলো আসলে জনসেবামূলক ঘোষণা। অন্যদিকে, নজরদারি সংস্থাগুলো জানিয়েছে বিজ্ঞাপনগুলো সরকারি তহবিল ব্যবহারের প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

ট্রাম্প প্রশাসনের বিজ্ঞাপনে ব্যয় ৫৬ লাখ ডলার, ওয়াশিংটনে তোলপাড়
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের নীতির প্রচারে সরকারি তহবিল থেকে অন্তত ১৩টি বিজ্ঞাপন তৈরি করেছে হোয়াইট হাউস। সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এসব বিজ্ঞাপনের পেছনে এ পর্যন্ত করদাতাদের অন্তত ৫৬ লাখ ডলার খরচ হয়ে গেছে, অথচ পুরো প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ রয়েছে দুই কোটি ডলার। এ বিজ্ঞাপনগুলো প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট- উভয় শিবিরেই তুমুল সমালোচনা শুরু হয়েছে।
এসব বিজ্ঞাপনের মধ্যে সামরিক বাহিনী, ইরান ও ভেনেজুয়েলায় চালানো মার্কিন সামরিক অভিযান, হোয়াইট হাউসে আয়োজিত ইউএফসি লড়াই এবং খোদ ট্রাম্পকে কেন্দ্র করে বানানো বিভিন্ন ভিডিও রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তৈরি করেছে ‘গড মেড ট্রাম্প’ নামের তিন মিনিটের একটি বিজ্ঞাপন। ট্রাম্পকে অনেকটা ত্রাণকর্তার ভূমিকায় হাজির করা হয়েছে ওই বিজ্ঞাপনে। ভয়েসওভারে বলা হয়েছে, ‘ঈশ্বর এমন একজনকে চাইলেন, যার বাহু এতটাই শক্তিশালী যে তা দিয়ে ডিপ স্টেট গুঁড়িয়ে দেওয়া যায়, তাই ঈশ্বর ট্রাম্পকে সৃষ্টি করলেন।’
তালিকায় থাকা আরেকটি বিজ্ঞাপনের নাম ‘কিং অব দ্য জঙ্গল’। এতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও জো বাইডেন, ন্যান্সি পেলোসি, হিলারি ক্লিনটন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের মতো শীর্ষ ডেমোক্র্যাট নেতাদের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এ ছাড়া ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর পাশাপাশি ট্রাম্পের উপস্থিতি নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘মাদুরো’ নামের আরেকটি বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনগুলোর শেষ অংশে জুড়ে দেওয়া হয়েছে, ‘পেইড ফর বাই দ্য ইউএস গভর্নমেন্ট’। সিবিএস, সিএনএন ও ফক্স নিউজের মতো বড় বড় টেলিভিশন নেটওয়ার্কে ইতোমধ্যে এর অন্তত তিনটি প্রচারও করা হয়েছে।
অ্যাডইমপ্যাক্টের হিসাব অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রচারণায় খরচ হয়েছে অন্তত ৫৬ লাখ ডলার। আর সিএনএনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এ বিশাল অর্থের জোগান আসছে কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন থেকে। সরকারি অর্থে এভাবে বিজ্ঞাপন প্রচারের বিষয়টি নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের পাশাপাশি কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাও কড়া অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে হোয়াইট হাউসের দাবি, এগুলো আসলে জনসেবামূলক ঘোষণা। অন্যদিকে, নজরদারি সংস্থাগুলো জানিয়েছে বিজ্ঞাপনগুলো সরকারি তহবিল ব্যবহারের প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করতে পারে।
সূত্র: সিএনএন

নোবেল শান্তি পুরস্কার কি পাবেন ট্রাম্প?






