ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ২১

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ছবি: সংগৃহীত
দুই দেশের মধ্যে চলমান দুই মাসের যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ বিভাগ ইরানের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে মোট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে।
মূলত সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য ইরানি প্রশাসনকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে ইকোনমিক ফিউরির আওতায় ইরানের হঠকারিতা ও তাদের সহযোগীদের অর্থের উৎস বন্ধ করার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধের কারণে তেহরান এখন পর্যন্ত বৈঠকে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে জানান, তিনি বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে রাজি আছেন। দুই সপ্তাহের জন্য করা এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজই শেষ হওয়ার কথা ছিল। ট্রাম্প এর আগে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানোর বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকলেও গতকাল তার অবস্থানে পরিবর্তন আনেন। তিনি করেছেন, ইরানের প্রতিনিধিরা একটি সমন্বিত ও কার্যকর প্রস্তাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত এ যুদ্ধ বন্ধ থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা

দুই দেশের মধ্যে চলমান দুই মাসের যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ বিভাগ ইরানের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে মোট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে।
মূলত সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য ইরানি প্রশাসনকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে ইকোনমিক ফিউরির আওতায় ইরানের হঠকারিতা ও তাদের সহযোগীদের অর্থের উৎস বন্ধ করার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধের কারণে তেহরান এখন পর্যন্ত বৈঠকে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে জানান, তিনি বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে রাজি আছেন। দুই সপ্তাহের জন্য করা এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজই শেষ হওয়ার কথা ছিল। ট্রাম্প এর আগে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানোর বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকলেও গতকাল তার অবস্থানে পরিবর্তন আনেন। তিনি করেছেন, ইরানের প্রতিনিধিরা একটি সমন্বিত ও কার্যকর প্রস্তাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত এ যুদ্ধ বন্ধ থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি যুক্তরাষ্ট্রের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ২১

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। ছবি: সংগৃহীত
দুই দেশের মধ্যে চলমান দুই মাসের যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার সম্ভাব্য বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের ওপর নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন অর্থ বিভাগ ইরানের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে মোট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছে।
মূলত সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য ইরানি প্রশাসনকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে ইকোনমিক ফিউরির আওতায় ইরানের হঠকারিতা ও তাদের সহযোগীদের অর্থের উৎস বন্ধ করার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
বুধবার (২২ এপ্রিল) পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধের কারণে তেহরান এখন পর্যন্ত বৈঠকে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কোনো নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তবে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে জানান, তিনি বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে রাজি আছেন। দুই সপ্তাহের জন্য করা এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজই শেষ হওয়ার কথা ছিল। ট্রাম্প এর আগে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানোর বিষয়ে কঠোর অবস্থানে থাকলেও গতকাল তার অবস্থানে পরিবর্তন আনেন। তিনি করেছেন, ইরানের প্রতিনিধিরা একটি সমন্বিত ও কার্যকর প্রস্তাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত এ যুদ্ধ বন্ধ থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা
/এমএকে/




