যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ১০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়বে ইউরোপ

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ১০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়বে ইউরোপ
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রশাসনের কড়া চাপের মুখে অবশেষে জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল করতে বড় একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে জোট জি-৭। আগামী চার মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল ছাড়বে গোষ্ঠীটি। শুক্রবার (২ অক্টোবর) এক জরুরি বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে জানানো হয়, এ তেল ছাড়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে এবং ডিজেল দিয়েই শুরু হবে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে পলিটিকোর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে জ্বালানির লাগামহীন দাম সামাল দিতে ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের ডিজেলের সংরক্ষিত মজুত বাজারে ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জ্বালানির চড়া দাম ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। পরিস্থিতি নিজের পক্ষে টানতে ট্রাম্প একপর্যায়ে ইউরোপে ডিজেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেন। ইউরোপের মোট জ্বালানি আমদানির অর্ধেকের বেশি অংশই আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ট্রাম্পের এ হুমকিতে নড়েচড়ে বসেছিল ইউরোপীয় দেশগুলো।
তবে শুক্রবারের বৈঠকের পর সে ধোঁয়াশা আপাতত কেটে গেছে। জি-৭ নেতাদের যৌথ বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নতুন চুক্তির অধীনে জোটভুক্ত দেশগুলোর নিজেদের মধ্যে জ্বালানি রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাধা বা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
চাপের মুখে ইউরোপীয় নেতাদের কাছ থেকে জোর করে ছাড় আদায়ের যে গুঞ্জন উঠেছিল, তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, আমাদের আলোচনায় হুমকি ছিল না বরং এটি ছিল গঠনমূলক। ম্যাক্রোঁ আরও যোগ করেন, কোনো ধরনের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা থাকছে না- এ বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
যদিও জি-৭ এর যৌথ বিবৃতিতে সুনির্দিষ্টভাবে ইউরোপীয় মজুত থেকে তেল ছাড়ার কথা সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরের মতো সামাজিক মাধ্যমে বড় দাবি করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ইউরোপ তাদের বিপুল পরিমাণে মজুত করা ডিজেল তেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রক্রিয়াটি অবিলম্বে শুরু হবে।
সূত্র: পলিটিকো

মার্কিন প্রশাসনের কড়া চাপের মুখে অবশেষে জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল করতে বড় একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে জোট জি-৭। আগামী চার মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল ছাড়বে গোষ্ঠীটি। শুক্রবার (২ অক্টোবর) এক জরুরি বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে জানানো হয়, এ তেল ছাড়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে এবং ডিজেল দিয়েই শুরু হবে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে পলিটিকোর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে জ্বালানির লাগামহীন দাম সামাল দিতে ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের ডিজেলের সংরক্ষিত মজুত বাজারে ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জ্বালানির চড়া দাম ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। পরিস্থিতি নিজের পক্ষে টানতে ট্রাম্প একপর্যায়ে ইউরোপে ডিজেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেন। ইউরোপের মোট জ্বালানি আমদানির অর্ধেকের বেশি অংশই আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ট্রাম্পের এ হুমকিতে নড়েচড়ে বসেছিল ইউরোপীয় দেশগুলো।
তবে শুক্রবারের বৈঠকের পর সে ধোঁয়াশা আপাতত কেটে গেছে। জি-৭ নেতাদের যৌথ বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নতুন চুক্তির অধীনে জোটভুক্ত দেশগুলোর নিজেদের মধ্যে জ্বালানি রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাধা বা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
চাপের মুখে ইউরোপীয় নেতাদের কাছ থেকে জোর করে ছাড় আদায়ের যে গুঞ্জন উঠেছিল, তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, আমাদের আলোচনায় হুমকি ছিল না বরং এটি ছিল গঠনমূলক। ম্যাক্রোঁ আরও যোগ করেন, কোনো ধরনের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা থাকছে না- এ বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
যদিও জি-৭ এর যৌথ বিবৃতিতে সুনির্দিষ্টভাবে ইউরোপীয় মজুত থেকে তেল ছাড়ার কথা সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরের মতো সামাজিক মাধ্যমে বড় দাবি করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ইউরোপ তাদের বিপুল পরিমাণে মজুত করা ডিজেল তেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রক্রিয়াটি অবিলম্বে শুরু হবে।
সূত্র: পলিটিকো

যুক্তরাষ্ট্রের চাপে ১০ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়বে ইউরোপ
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন প্রশাসনের কড়া চাপের মুখে অবশেষে জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল করতে বড় একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে জোট জি-৭। আগামী চার মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি তেল ছাড়বে গোষ্ঠীটি। শুক্রবার (২ অক্টোবর) এক জরুরি বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। বিবৃতিতে জানানো হয়, এ তেল ছাড়ার প্রক্রিয়া অবিলম্বে এবং ডিজেল দিয়েই শুরু হবে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে পলিটিকোর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে জ্বালানির লাগামহীন দাম সামাল দিতে ইউরোপীয় দেশগুলোকে তাদের ডিজেলের সংরক্ষিত মজুত বাজারে ছাড়ার অনুরোধ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। জ্বালানির চড়া দাম ক্ষমতাসীন রিপাবলিকানদের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। পরিস্থিতি নিজের পক্ষে টানতে ট্রাম্প একপর্যায়ে ইউরোপে ডিজেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেন। ইউরোপের মোট জ্বালানি আমদানির অর্ধেকের বেশি অংশই আসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ট্রাম্পের এ হুমকিতে নড়েচড়ে বসেছিল ইউরোপীয় দেশগুলো।
তবে শুক্রবারের বৈঠকের পর সে ধোঁয়াশা আপাতত কেটে গেছে। জি-৭ নেতাদের যৌথ বিবৃতিতে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, নতুন চুক্তির অধীনে জোটভুক্ত দেশগুলোর নিজেদের মধ্যে জ্বালানি রপ্তানির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বাধা বা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না।
চাপের মুখে ইউরোপীয় নেতাদের কাছ থেকে জোর করে ছাড় আদায়ের যে গুঞ্জন উঠেছিল, তা সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, আমাদের আলোচনায় হুমকি ছিল না বরং এটি ছিল গঠনমূলক। ম্যাক্রোঁ আরও যোগ করেন, কোনো ধরনের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা থাকছে না- এ বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
যদিও জি-৭ এর যৌথ বিবৃতিতে সুনির্দিষ্টভাবে ইউরোপীয় মজুত থেকে তেল ছাড়ার কথা সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বরাবরের মতো সামাজিক মাধ্যমে বড় দাবি করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লিখেছেন, ইউরোপ তাদের বিপুল পরিমাণে মজুত করা ডিজেল তেল ছাড়তে সম্মত হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রক্রিয়াটি অবিলম্বে শুরু হবে।
সূত্র: পলিটিকো

হরমুজে ট্যাংকারে আগুন, মধ্যপ্রাচ্যের পথে ৯ হাজার মার্কিন সেনা







