আড়াই লাখের বেশি ভিসা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের

আড়াই লাখের বেশি ভিসা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

ট্রাম্পর দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই অভিবাসন ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত আড়াই লাখেরও বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ। মূলত ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া, আমেরিকানদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করায় এ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর অধীনে পররাষ্ট্র দপ্তর এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে আমাদের অবিচল অঙ্গীকারের প্রতিফলন এটি। তিনি আরও বলেন, মার্কিন ভিসা হলো একটি ‘সুযোগ, কোনও অধিকার নয়’ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য যারা হুমকি হয়ে দাঁড়াবেন, তাদের বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই ও বহিষ্কারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হবে।
বাতিল হওয়া ভিসাগুলোর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৩০০টি যুক্ত ছিল ‘বার্থ ট্যুরিজমের’ সঙ্গে। এ ভিসায় মূলত গর্ভবতী বিদেশি নারীরা তাদের অনাগত সন্তানের জন্য স্বয়ংক্রিয় মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করে থাকেন। এ ছাড়াও দুর্নীতির দায়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর এবং পেরুর ২৭ জন বর্তমান ও সাবেক লাতিন আমেরিকান কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া মার্কিন প্রশাসন চলতি গ্রীষ্মে প্রায় ২ লাখ বিদেশির বি১ ও বি২ ব্যবসায়িক এবং পর্যটন ভিসা বাতিলের উদ্যোগ নেয়, যারা পরবর্তীতে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আমেরিকানরা ভুয়া আশ্রয়ের দাবিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
এর আগে আগস্ট মাসেই ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছিল। মূলত হামলা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে আটক কিংবা মুখোমুখি হওয়ার মতো বিভিন্ন ঘটনার পরেই বড় পদক্ষেপ নিয়েছিল পররাষ্ট্র দপ্তর। অবৈধ অভিবাসন ও অপরাধপ্রবণতার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এ কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে আরও জোরদার হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কতৃপক্ষ।
সূত্র: ফক্স নিউজ

ট্রাম্পর দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই অভিবাসন ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত আড়াই লাখেরও বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ। মূলত ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া, আমেরিকানদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করায় এ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর অধীনে পররাষ্ট্র দপ্তর এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে আমাদের অবিচল অঙ্গীকারের প্রতিফলন এটি। তিনি আরও বলেন, মার্কিন ভিসা হলো একটি ‘সুযোগ, কোনও অধিকার নয়’ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য যারা হুমকি হয়ে দাঁড়াবেন, তাদের বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই ও বহিষ্কারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হবে।
বাতিল হওয়া ভিসাগুলোর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৩০০টি যুক্ত ছিল ‘বার্থ ট্যুরিজমের’ সঙ্গে। এ ভিসায় মূলত গর্ভবতী বিদেশি নারীরা তাদের অনাগত সন্তানের জন্য স্বয়ংক্রিয় মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করে থাকেন। এ ছাড়াও দুর্নীতির দায়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর এবং পেরুর ২৭ জন বর্তমান ও সাবেক লাতিন আমেরিকান কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া মার্কিন প্রশাসন চলতি গ্রীষ্মে প্রায় ২ লাখ বিদেশির বি১ ও বি২ ব্যবসায়িক এবং পর্যটন ভিসা বাতিলের উদ্যোগ নেয়, যারা পরবর্তীতে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আমেরিকানরা ভুয়া আশ্রয়ের দাবিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
এর আগে আগস্ট মাসেই ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছিল। মূলত হামলা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে আটক কিংবা মুখোমুখি হওয়ার মতো বিভিন্ন ঘটনার পরেই বড় পদক্ষেপ নিয়েছিল পররাষ্ট্র দপ্তর। অবৈধ অভিবাসন ও অপরাধপ্রবণতার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এ কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে আরও জোরদার হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কতৃপক্ষ।
সূত্র: ফক্স নিউজ

আড়াই লাখের বেশি ভিসা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

ট্রাম্পর দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই অভিবাসন ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ পর্যন্ত আড়াই লাখেরও বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।
দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ। মূলত ভিসার শর্ত লঙ্ঘন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া, আমেরিকানদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়া এবং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করায় এ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর অধীনে পররাষ্ট্র দপ্তর এখন পর্যন্ত ২ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে। এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। আমেরিকান জনগণকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে আমাদের অবিচল অঙ্গীকারের প্রতিফলন এটি। তিনি আরও বলেন, মার্কিন ভিসা হলো একটি ‘সুযোগ, কোনও অধিকার নয়’ এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য যারা হুমকি হয়ে দাঁড়াবেন, তাদের বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই ও বহিষ্কারের প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা হবে।
বাতিল হওয়া ভিসাগুলোর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ৩০০টি যুক্ত ছিল ‘বার্থ ট্যুরিজমের’ সঙ্গে। এ ভিসায় মূলত গর্ভবতী বিদেশি নারীরা তাদের অনাগত সন্তানের জন্য স্বয়ংক্রিয় মার্কিন নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করে থাকেন। এ ছাড়াও দুর্নীতির দায়ে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বলিভিয়া, কলম্বিয়া, ইকুয়েডর এবং পেরুর ২৭ জন বর্তমান ও সাবেক লাতিন আমেরিকান কর্মকর্তা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া মার্কিন প্রশাসন চলতি গ্রীষ্মে প্রায় ২ লাখ বিদেশির বি১ ও বি২ ব্যবসায়িক এবং পর্যটন ভিসা বাতিলের উদ্যোগ নেয়, যারা পরবর্তীতে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন। এ প্রসঙ্গে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, আমেরিকানরা ভুয়া আশ্রয়ের দাবিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে।
এর আগে আগস্ট মাসেই ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করা হয়েছিল। মূলত হামলা, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে আটক কিংবা মুখোমুখি হওয়ার মতো বিভিন্ন ঘটনার পরেই বড় পদক্ষেপ নিয়েছিল পররাষ্ট্র দপ্তর। অবৈধ অভিবাসন ও অপরাধপ্রবণতার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের এ কড়া অবস্থান ভবিষ্যতে আরও জোরদার হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কতৃপক্ষ।
সূত্র: ফক্স নিউজ

যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে বাধ্য হবে: মোজতবা খামেনি







