হরমুজে ট্যাংকারে আগুন, মধ্যপ্রাচ্যের পথে ৯ হাজার মার্কিন সেনা

হরমুজে ট্যাংকারে আগুন, মধ্যপ্রাচ্যের পথে ৯ হাজার মার্কিন সেনা
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর আগুন ধরে গেছে। এ ঘটনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে করে এসব সেনাকে ওই অঞ্চলের দিকে নেওয়া হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনা সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় ট্যাংকারটিতে ‘অজ্ঞাত একটি বস্তু’ আঘাত হানে। এরপর জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে ট্যাংকারের নাবিকেরা নিরাপদে রয়েছেন।
হামলায় জাহাজটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ট্যাংকারটি কোন দেশের পতাকা বহন করছিল, সেটিও প্রকাশ করেনি ইউকেএমটিও। জাহাজটির গন্তব্য বা যাত্রাপথ সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে অপরিশোধিত তেল ছিল, নাকি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তা-ও স্পষ্ট নয়।
মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে ৯ হাজার সেনা
ইরানকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে আরও হামলা চালানো হতে পারে, এমন আলোচনা চললেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা নাকচ করেননি।
ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে করে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সেনাকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে। এসব জাহাজে ৭ হাজারের বেশি নাবিক এবং প্রায় ২ হাজার মেরিন সেনা রয়েছেন।
এ বহরে রয়েছে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ। এর সঙ্গে সম্প্রতি ইউএসএস চোসিন নামের একটি ক্রুজারও যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপও রয়েছে। এ বহরে উভচর অবতরণকারী জাহাজ ইউএসএস জন পি মার্থা ও ইউএসএস অ্যাঙ্কোরেজ রয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মোতায়েনের ফলে অক্টোবরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরি থাকতে পারে।
এদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। ইরানের দেওয়া প্রস্তাবের জবাব যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অবশ্যই একটি শান্তিচুক্তিতে সই করতে হবে। তা না হলে দেশটির ‘কোনো অস্তিত্বই থাকবে না’ বলেও হুমকি দেন তিনি।
তবে কয়েক দিন আগেই ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ট্রাম্প। চুক্তি বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে বলে বুধবার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন জবাব প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কাছে তুলে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, গত বুধবার একটি ইসরায়েলি বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টার পেছনে ইরানের সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ ঘটনায় ইরানের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশোধ নেবে। এ ক্ষেত্রে ইরান ‘তীব্র আঘাতের’ মুখে পড়বে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর আগুন ধরে গেছে। এ ঘটনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে করে এসব সেনাকে ওই অঞ্চলের দিকে নেওয়া হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনা সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় ট্যাংকারটিতে ‘অজ্ঞাত একটি বস্তু’ আঘাত হানে। এরপর জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে ট্যাংকারের নাবিকেরা নিরাপদে রয়েছেন।
হামলায় জাহাজটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ট্যাংকারটি কোন দেশের পতাকা বহন করছিল, সেটিও প্রকাশ করেনি ইউকেএমটিও। জাহাজটির গন্তব্য বা যাত্রাপথ সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে অপরিশোধিত তেল ছিল, নাকি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তা-ও স্পষ্ট নয়।
মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে ৯ হাজার সেনা
ইরানকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে আরও হামলা চালানো হতে পারে, এমন আলোচনা চললেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা নাকচ করেননি।
ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে করে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সেনাকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে। এসব জাহাজে ৭ হাজারের বেশি নাবিক এবং প্রায় ২ হাজার মেরিন সেনা রয়েছেন।
এ বহরে রয়েছে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ। এর সঙ্গে সম্প্রতি ইউএসএস চোসিন নামের একটি ক্রুজারও যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপও রয়েছে। এ বহরে উভচর অবতরণকারী জাহাজ ইউএসএস জন পি মার্থা ও ইউএসএস অ্যাঙ্কোরেজ রয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মোতায়েনের ফলে অক্টোবরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরি থাকতে পারে।
এদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। ইরানের দেওয়া প্রস্তাবের জবাব যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অবশ্যই একটি শান্তিচুক্তিতে সই করতে হবে। তা না হলে দেশটির ‘কোনো অস্তিত্বই থাকবে না’ বলেও হুমকি দেন তিনি।
তবে কয়েক দিন আগেই ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ট্রাম্প। চুক্তি বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে বলে বুধবার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন জবাব প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কাছে তুলে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, গত বুধবার একটি ইসরায়েলি বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টার পেছনে ইরানের সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ ঘটনায় ইরানের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশোধ নেবে। এ ক্ষেত্রে ইরান ‘তীব্র আঘাতের’ মুখে পড়বে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

হরমুজে ট্যাংকারে আগুন, মধ্যপ্রাচ্যের পথে ৯ হাজার মার্কিন সেনা
সিজেডএন ডেস্ক

হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার পর আগুন ধরে গেছে। এ ঘটনার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে করে এসব সেনাকে ওই অঞ্চলের দিকে নেওয়া হচ্ছে।
যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনা সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় ট্যাংকারটিতে ‘অজ্ঞাত একটি বস্তু’ আঘাত হানে। এরপর জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। তবে ট্যাংকারের নাবিকেরা নিরাপদে রয়েছেন।
হামলায় জাহাজটির কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ট্যাংকারটি কোন দেশের পতাকা বহন করছিল, সেটিও প্রকাশ করেনি ইউকেএমটিও। জাহাজটির গন্তব্য বা যাত্রাপথ সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এতে অপরিশোধিত তেল ছিল, নাকি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তা-ও স্পষ্ট নয়।
মধ্যপ্রাচ্যে যাচ্ছে ৯ হাজার সেনা
ইরানকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে আরও হামলা চালানো হতে পারে, এমন আলোচনা চললেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা নাকচ করেননি।
ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকটি যুদ্ধজাহাজে করে প্রায় ৯ হাজার মার্কিন সেনাকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হচ্ছে। এসব জাহাজে ৭ হাজারের বেশি নাবিক এবং প্রায় ২ হাজার মেরিন সেনা রয়েছেন।
এ বহরে রয়েছে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ। এর সঙ্গে সম্প্রতি ইউএসএস চোসিন নামের একটি ক্রুজারও যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি ইউএসএস মাকিন আইল্যান্ড অ্যাম্ফিবিয়াস রেডিনেস গ্রুপও রয়েছে। এ বহরে উভচর অবতরণকারী জাহাজ ইউএসএস জন পি মার্থা ও ইউএসএস অ্যাঙ্কোরেজ রয়েছে।
বার্তা সংস্থা এপিকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মোতায়েনের ফলে অক্টোবরের শেষ নাগাদ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি বিমানবাহী রণতরি থাকতে পারে।
এদিকে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। ইরানের দেওয়া প্রস্তাবের জবাব যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেন, ইরানকে অবশ্যই একটি শান্তিচুক্তিতে সই করতে হবে। তা না হলে দেশটির ‘কোনো অস্তিত্বই থাকবে না’ বলেও হুমকি দেন তিনি।
তবে কয়েক দিন আগেই ইরানের শান্তি প্রস্তাব প্রকাশ্যে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন ট্রাম্প। চুক্তি বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়েও দুই দেশের মধ্যে বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে বলে বুধবার ইঙ্গিত দিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভার বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মার্কিন জবাব প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কাছে তুলে দিয়েছেন।
অন্যদিকে, গত বুধবার একটি ইসরায়েলি বিমান ছিনতাইয়ের চেষ্টার পেছনে ইরানের সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ ঘটনায় ইরানের সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিশোধ নেবে। এ ক্ষেত্রে ইরান ‘তীব্র আঘাতের’ মুখে পড়বে বলেও সতর্ক করেন তিনি।









