বিষাক্ত ইনজেকশন পুশের পরও বেঁচে যাওয়া সেই নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক

বিষাক্ত ইনজেকশন পুশের পরও বেঁচে যাওয়া সেই নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের দুটি ডোজ পরপর প্রয়োগ করার পরও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন পঞ্চাশ বছর বয়সি কয়েদি ক্রিস্টা পাইক। বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে এবং অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। এ ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর বিল লি চলতি বছরের জন্য অঙ্গরাজ্যটিতে সব ধরনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ক্রিস্টার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তার আইনজীবী র্যান্ডি স্পাইভি। তিনি সেই রাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান, বিষাক্ত তরল প্রয়োগের পরও ক্রিস্টা অলৌকিকভাবে বেঁচে আছেন এবং হাসপাতালে তাকে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তার শারীরিক পরিস্থিতি কতটুকু উন্নতি হবে, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। আইনজীবী আরও জানান, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে কার্যকরকারী দল প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ক্রিস্টা পাইকের শিরায় আইভি লাইন বা সুই বসানোর চেষ্টা চালান। কেবল তার বাম হাতেই অন্তত সাতটি সুই ফুটানো হয়েছিল। ক্রিস্টা নিজে পুরো প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি সহযোগিতা করলেও সংশ্লিষ্টদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার অভাবে সেখানে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন পরপর দুই বার পেন্টোবারবিটাল নামক বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করার পরও দেখা যায় ক্রিস্টা স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস নিচ্ছেন। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় তড়িঘড়ি করে প্রত্যক্ষদর্শীদের অন্ধকার কক্ষে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং মাঝের পর্দা টেনে দেওয়া হয়। এরপর দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় উপস্থিত থাকা স্বজনেরাও পুরো ঘটনাটিকে ‘বিশৃঙ্খলা ও চরম অব্যবস্থাপনা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এ ঘটনার পর ক্রিস্টার আইনজীবীরা জোরালো দাবি তুলেছেন যেন তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করা হয়। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নির্জন কারাবাসের মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করার পাশাপাশি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার পর পুনরায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি করা চরম অমানবিক ও নিষ্ঠুরতা। অন্যদিকে, রাজ্যজুড়ে তৈরি হওয়া এ তীব্র সমালোচনার মুখে গভর্নর বিল লি পুরো ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত টেনেসি রাজ্যে সব ধরনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সি এক তরুণীকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যার অপরাধে ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ তিন দশক ধরে তিনি টেনেসির একমাত্র নারী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে কারাগারে দিন কাটাচ্ছেন।
সূত্র: বিবিসি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের দুটি ডোজ পরপর প্রয়োগ করার পরও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন পঞ্চাশ বছর বয়সি কয়েদি ক্রিস্টা পাইক। বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে এবং অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। এ ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর বিল লি চলতি বছরের জন্য অঙ্গরাজ্যটিতে সব ধরনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ক্রিস্টার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তার আইনজীবী র্যান্ডি স্পাইভি। তিনি সেই রাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান, বিষাক্ত তরল প্রয়োগের পরও ক্রিস্টা অলৌকিকভাবে বেঁচে আছেন এবং হাসপাতালে তাকে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তার শারীরিক পরিস্থিতি কতটুকু উন্নতি হবে, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। আইনজীবী আরও জানান, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে কার্যকরকারী দল প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ক্রিস্টা পাইকের শিরায় আইভি লাইন বা সুই বসানোর চেষ্টা চালান। কেবল তার বাম হাতেই অন্তত সাতটি সুই ফুটানো হয়েছিল। ক্রিস্টা নিজে পুরো প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি সহযোগিতা করলেও সংশ্লিষ্টদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার অভাবে সেখানে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন পরপর দুই বার পেন্টোবারবিটাল নামক বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করার পরও দেখা যায় ক্রিস্টা স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস নিচ্ছেন। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় তড়িঘড়ি করে প্রত্যক্ষদর্শীদের অন্ধকার কক্ষে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং মাঝের পর্দা টেনে দেওয়া হয়। এরপর দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় উপস্থিত থাকা স্বজনেরাও পুরো ঘটনাটিকে ‘বিশৃঙ্খলা ও চরম অব্যবস্থাপনা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এ ঘটনার পর ক্রিস্টার আইনজীবীরা জোরালো দাবি তুলেছেন যেন তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করা হয়। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নির্জন কারাবাসের মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করার পাশাপাশি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার পর পুনরায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি করা চরম অমানবিক ও নিষ্ঠুরতা। অন্যদিকে, রাজ্যজুড়ে তৈরি হওয়া এ তীব্র সমালোচনার মুখে গভর্নর বিল লি পুরো ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত টেনেসি রাজ্যে সব ধরনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সি এক তরুণীকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যার অপরাধে ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ তিন দশক ধরে তিনি টেনেসির একমাত্র নারী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে কারাগারে দিন কাটাচ্ছেন।
সূত্র: বিবিসি

বিষাক্ত ইনজেকশন পুশের পরও বেঁচে যাওয়া সেই নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের দুটি ডোজ পরপর প্রয়োগ করার পরও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছেন পঞ্চাশ বছর বয়সি কয়েদি ক্রিস্টা পাইক। বর্তমানে হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে এবং অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। এ ঘটনার পর টেনেসির গভর্নর বিল লি চলতি বছরের জন্য অঙ্গরাজ্যটিতে সব ধরনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ক্রিস্টার শারীরিক অবস্থা নিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তার আইনজীবী র্যান্ডি স্পাইভি। তিনি সেই রাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে জানান, বিষাক্ত তরল প্রয়োগের পরও ক্রিস্টা অলৌকিকভাবে বেঁচে আছেন এবং হাসপাতালে তাকে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তার শারীরিক পরিস্থিতি কতটুকু উন্নতি হবে, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত কিছু বলা যাচ্ছে না। আইনজীবী আরও জানান, বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে কার্যকরকারী দল প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ক্রিস্টা পাইকের শিরায় আইভি লাইন বা সুই বসানোর চেষ্টা চালান। কেবল তার বাম হাতেই অন্তত সাতটি সুই ফুটানো হয়েছিল। ক্রিস্টা নিজে পুরো প্রক্রিয়ায় পুরোপুরি সহযোগিতা করলেও সংশ্লিষ্টদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার অভাবে সেখানে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।
পরিস্থিতি আরও জটিল হয় যখন পরপর দুই বার পেন্টোবারবিটাল নামক বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ করার পরও দেখা যায় ক্রিস্টা স্বাভাবিকভাবেই শ্বাস নিচ্ছেন। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ হাতের বাইরে চলে যাওয়ায় তড়িঘড়ি করে প্রত্যক্ষদর্শীদের অন্ধকার কক্ষে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং মাঝের পর্দা টেনে দেওয়া হয়। এরপর দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় উপস্থিত থাকা স্বজনেরাও পুরো ঘটনাটিকে ‘বিশৃঙ্খলা ও চরম অব্যবস্থাপনা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
এ ঘটনার পর ক্রিস্টার আইনজীবীরা জোরালো দাবি তুলেছেন যেন তার মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে রূপান্তর করা হয়। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নির্জন কারাবাসের মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করার পাশাপাশি মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার পর পুনরায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি করা চরম অমানবিক ও নিষ্ঠুরতা। অন্যদিকে, রাজ্যজুড়ে তৈরি হওয়া এ তীব্র সমালোচনার মুখে গভর্নর বিল লি পুরো ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত টেনেসি রাজ্যে সব ধরনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সি এক তরুণীকে নির্মমভাবে নির্যাতনের পর হত্যার অপরাধে ক্রিস্টা পাইককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ তিন দশক ধরে তিনি টেনেসির একমাত্র নারী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে কারাগারে দিন কাটাচ্ছেন।
সূত্র: বিবিসি

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইনজেকশন পুশ, তারপরও বেঁচে আছেন নারী







