ইরানের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বৈঠকে বসবে যুক্তরাষ্ট্র-চীন

ইরানের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বৈঠকে বসবে যুক্তরাষ্ট্র-চীন
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দেওয়ার পথ বন্ধ করতে এবং বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের আর্থিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে বৈঠকে বসছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী হি লিফেং। মূলত ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করতেই এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে অংশ নিয়ে বেসেন্ট জানান, ইরান যাতে কোনোভাবেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে না পারে, সে বিষয়ে চীনের সঙ্গে ইতোমধ্যে বেশ কিছু ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে।
আসন্ন বৈঠকে সে আলোচনাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘চীনের সঙ্গে আমরা বেশ কিছু ভালো ব্যক্তিগত আলোচনা করেছি। চলতি সপ্তাহের শেষে আমার হি লিফেংয়ের সঙ্গে বৈঠকে সেই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’ এছাড়া ইরানের সঙ্গে চীনের আর্থিক সম্পর্ক নিয়েও ওয়াশিংটন বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানকে পশ্চিমা আর্থিক ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করতে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও তিনটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের তেল বিক্রি এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নেটওয়ার্ককেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঠিক তার আগেই বেসেন্ট ও হি লিফেংয়ের এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় ও স্থান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান ইস্যুর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে, যদিও বৈঠকের পূর্ণাঙ্গ আলোচ্যসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি বেসেন্ট।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এক ধরনের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণার কথা বলেছিলেন বেসেন্ট। তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে পুরোপুরি কোণঠাসা করতে ওয়াশিংটন যে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়েও তিনি সতর্ক করেছিলেন।
উল্লেখ্য, চীন হলো ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার এবং তাদের তেলের একটি বড় ক্রেতা। একই সঙ্গে কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও তেহরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে চীনকে দেখা হয়। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে কার্যকর করতে হলে বেইজিংয়ের সহযোগিতা পাওয়া ওয়াশিংটনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দেওয়ার পথ বন্ধ করতে এবং বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের আর্থিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে বৈঠকে বসছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী হি লিফেং। মূলত ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করতেই এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে অংশ নিয়ে বেসেন্ট জানান, ইরান যাতে কোনোভাবেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে না পারে, সে বিষয়ে চীনের সঙ্গে ইতোমধ্যে বেশ কিছু ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে।
আসন্ন বৈঠকে সে আলোচনাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘চীনের সঙ্গে আমরা বেশ কিছু ভালো ব্যক্তিগত আলোচনা করেছি। চলতি সপ্তাহের শেষে আমার হি লিফেংয়ের সঙ্গে বৈঠকে সেই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’ এছাড়া ইরানের সঙ্গে চীনের আর্থিক সম্পর্ক নিয়েও ওয়াশিংটন বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানকে পশ্চিমা আর্থিক ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করতে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও তিনটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের তেল বিক্রি এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নেটওয়ার্ককেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঠিক তার আগেই বেসেন্ট ও হি লিফেংয়ের এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় ও স্থান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান ইস্যুর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে, যদিও বৈঠকের পূর্ণাঙ্গ আলোচ্যসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি বেসেন্ট।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এক ধরনের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণার কথা বলেছিলেন বেসেন্ট। তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে পুরোপুরি কোণঠাসা করতে ওয়াশিংটন যে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়েও তিনি সতর্ক করেছিলেন।
উল্লেখ্য, চীন হলো ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার এবং তাদের তেলের একটি বড় ক্রেতা। একই সঙ্গে কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও তেহরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে চীনকে দেখা হয়। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে কার্যকর করতে হলে বেইজিংয়ের সহযোগিতা পাওয়া ওয়াশিংটনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বৈঠকে বসবে যুক্তরাষ্ট্র-চীন
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের ওপর আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ফাঁকি দেওয়ার পথ বন্ধ করতে এবং বেইজিংয়ের সঙ্গে তেহরানের আর্থিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করতে চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে বৈঠকে বসছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এবং চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী হি লিফেং। মূলত ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও জোরদার করতেই এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মার্কিন কংগ্রেসের হাউস ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে অংশ নিয়ে বেসেন্ট জানান, ইরান যাতে কোনোভাবেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে না পারে, সে বিষয়ে চীনের সঙ্গে ইতোমধ্যে বেশ কিছু ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে।
আসন্ন বৈঠকে সে আলোচনাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘চীনের সঙ্গে আমরা বেশ কিছু ভালো ব্যক্তিগত আলোচনা করেছি। চলতি সপ্তাহের শেষে আমার হি লিফেংয়ের সঙ্গে বৈঠকে সেই আলোচনা অব্যাহত থাকবে।’ এছাড়া ইরানের সঙ্গে চীনের আর্থিক সম্পর্ক নিয়েও ওয়াশিংটন বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানকে পশ্চিমা আর্থিক ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করতে নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ও তিনটি ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের তেল বিক্রি এবং নিষেধাজ্ঞা এড়াতে সহায়তাকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও নেটওয়ার্ককেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের একটি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঠিক তার আগেই বেসেন্ট ও হি লিফেংয়ের এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট সময় ও স্থান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান ইস্যুর পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হতে পারে, যদিও বৈঠকের পূর্ণাঙ্গ আলোচ্যসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি বেসেন্ট।
এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এক ধরনের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ ঘোষণার কথা বলেছিলেন বেসেন্ট। তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে পুরোপুরি কোণঠাসা করতে ওয়াশিংটন যে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেবে, সে বিষয়েও তিনি সতর্ক করেছিলেন।
উল্লেখ্য, চীন হলো ইরানের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক অংশীদার এবং তাদের তেলের একটি বড় ক্রেতা। একই সঙ্গে কূটনৈতিক ক্ষেত্রেও তেহরানের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে চীনকে দেখা হয়। ফলে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে কার্যকর করতে হলে বেইজিংয়ের সহযোগিতা পাওয়া ওয়াশিংটনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্র: রয়টার্স

মিয়ানমারে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতা: টেলিনরের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু 






