যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিল উত্তেজনা, রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল

যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিল উত্তেজনা, রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈরি সম্পর্ক বিরাজ করছে। ভেনেজুয়েলা, ডেনমার্ক, কিউবার পর এবার ব্রাজিলের সঙ্গে দেশটির উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন প্রশাসন। এটিকে দুই দেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার সর্বশেষ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রদূত মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। তবে এখনই তাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে না বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এর আগে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে ড্যানি পেরেজকে মনোনীত করে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে তাকে অনুমোদন দেয়নি ব্রাজিল। এ ঘটনার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে রিবেইরোর ভিসা বাতিল করা হলো।
মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রদূতের অনুমোদন দেওয়া হলে রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ততদিন পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন। যার অর্থ হলো তিনি ভিসা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।
জানা যায়, ট্রাম্প ব্রাজিল সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের আগেই প্রকাশ্যে পেরেজের মনোনয়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এটিকে কূটনৈতিক প্রোটোকল লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করছে ব্রাজিল। তাকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়ার আগে পেরেজের মনোনয়ন খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা করছে ব্রাসিলিয়া। এই অনুমোদন ছাড়া পেরেজ রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন না।
রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ ওয়াশিংটন-ব্রাসিলিয়ার মধ্যকার উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসন নীতি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে অবৈধ অধিবাসীদের আটক করে হাত-পায়ে শেকল বেধে ফেরত পাঠানো শুরু করে মার্কিন প্রশাসন। এই তালিকায় ব্রাজিলিয়ান অভিবাসীরাও ছিলেন। এ ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক চিড় ধরতে শুরু করে। এদিকে গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম ব্যুরোর কর্মকর্তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানায় ব্রাজিল। প্রতিনিধিদলটি দেশটির নির্বাচনব্যবস্থাকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে কাজ করতে পারে এমন উদ্বেগের কথা জানিয়ে দেশটি এ সিদ্ধান্ত নেয়। আগামী অক্টোবরে ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈরি সম্পর্ক বিরাজ করছে। ভেনেজুয়েলা, ডেনমার্ক, কিউবার পর এবার ব্রাজিলের সঙ্গে দেশটির উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন প্রশাসন। এটিকে দুই দেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার সর্বশেষ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রদূত মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। তবে এখনই তাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে না বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এর আগে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে ড্যানি পেরেজকে মনোনীত করে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে তাকে অনুমোদন দেয়নি ব্রাজিল। এ ঘটনার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে রিবেইরোর ভিসা বাতিল করা হলো।
মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রদূতের অনুমোদন দেওয়া হলে রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ততদিন পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন। যার অর্থ হলো তিনি ভিসা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।
জানা যায়, ট্রাম্প ব্রাজিল সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের আগেই প্রকাশ্যে পেরেজের মনোনয়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এটিকে কূটনৈতিক প্রোটোকল লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করছে ব্রাজিল। তাকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়ার আগে পেরেজের মনোনয়ন খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা করছে ব্রাসিলিয়া। এই অনুমোদন ছাড়া পেরেজ রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন না।
রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ ওয়াশিংটন-ব্রাসিলিয়ার মধ্যকার উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসন নীতি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে অবৈধ অধিবাসীদের আটক করে হাত-পায়ে শেকল বেধে ফেরত পাঠানো শুরু করে মার্কিন প্রশাসন। এই তালিকায় ব্রাজিলিয়ান অভিবাসীরাও ছিলেন। এ ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক চিড় ধরতে শুরু করে। এদিকে গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম ব্যুরোর কর্মকর্তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানায় ব্রাজিল। প্রতিনিধিদলটি দেশটির নির্বাচনব্যবস্থাকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে কাজ করতে পারে এমন উদ্বেগের কথা জানিয়ে দেশটি এ সিদ্ধান্ত নেয়। আগামী অক্টোবরে ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্র-ব্রাজিল উত্তেজনা, রাষ্ট্রদূতের ভিসা বাতিল
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বৈরি সম্পর্ক বিরাজ করছে। ভেনেজুয়েলা, ডেনমার্ক, কিউবার পর এবার ব্রাজিলের সঙ্গে দেশটির উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা বাতিল করেছে মার্কিন প্রশাসন। এটিকে দুই দেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার সর্বশেষ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রদূত মারিয়া লুইজা রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। তবে এখনই তাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে না বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
এর আগে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে ড্যানি পেরেজকে মনোনীত করে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে তাকে অনুমোদন দেয়নি ব্রাজিল। এ ঘটনার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে রিবেইরোর ভিসা বাতিল করা হলো।
মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেন, রাষ্ট্রদূতের অনুমোদন দেওয়া হলে রিবেইরো ভিয়োত্তির ভিসা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ততদিন পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে পারবেন। যার অর্থ হলো তিনি ভিসা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।
জানা যায়, ট্রাম্প ব্রাজিল সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগের আগেই প্রকাশ্যে পেরেজের মনোনয়নের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এটিকে কূটনৈতিক প্রোটোকল লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করছে ব্রাজিল। তাকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়ার আগে পেরেজের মনোনয়ন খতিয়ে দেখার পরিকল্পনা করছে ব্রাসিলিয়া। এই অনুমোদন ছাড়া পেরেজ রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারবেন না।
রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ ওয়াশিংটন-ব্রাসিলিয়ার মধ্যকার উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
প্রসঙ্গত, দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসন নীতি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে অবৈধ অধিবাসীদের আটক করে হাত-পায়ে শেকল বেধে ফেরত পাঠানো শুরু করে মার্কিন প্রশাসন। এই তালিকায় ব্রাজিলিয়ান অভিবাসীরাও ছিলেন। এ ঘটনায় কঠোর প্রতিক্রিয়া জানান ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক চিড় ধরতে শুরু করে। এদিকে গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শ্রম ব্যুরোর কর্মকর্তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানায় ব্রাজিল। প্রতিনিধিদলটি দেশটির নির্বাচনব্যবস্থাকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে কাজ করতে পারে এমন উদ্বেগের কথা জানিয়ে দেশটি এ সিদ্ধান্ত নেয়। আগামী অক্টোবরে ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক এলাকায় গুলি, নিহত ৩







