জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণে ওয়াকআউট করা দেশের মধ্যে বাংলাদেশও ছিল

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণে ওয়াকআউট করা দেশের মধ্যে বাংলাদেশও ছিল
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই বাংলাদেশসহ অনেক দেশের কূটনীতিকরা সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। ফিলিস্তিনে চলা সহিংসতার প্রতিবাদে এ ওয়াকআউটের কারণে মুহূর্তেই সাধারণ পরিষদের একটি বড় অংশ ফাঁকা হয়ে পড়ে।
প্রতিবেদন ও বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে, বাংলাদেশ ছাড়াও সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, সুদান, তিউনিসিয়া, উজবেকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আলজেরিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, কাতার, মিশর, ইরাক ও জর্ডানের মতো দেশগুলোর প্রতিনিধিরা হয় ওয়াকআউট করেছেন অথবা তাদের আসন খালি রেখেছেন।
বার্তা সংস্থা আনাদোলুর এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রায় ৭০টি দেশের প্রতিনিধিরা নেতানিয়াহুর বক্তৃতার সময় কক্ষ ত্যাগ করেন বা আসন ফাঁকা রাখেন। যদিও সব দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
কক্ষ থেকে একের পর এক কূটনীতিকের বেরিয়ে যাওয়ার পরও নেতানিয়াহু বক্তৃতা চালিয়ে যান। আর গ্যালারিতে থাকা তার সমর্থকরা হাততালি দিয়ে তাকে উৎসাহ দিতে থাকেন। পরে যারা কক্ষ ছেড়ে চলে গেছেন তাদের ‘ভণ্ড মানবাধিকার আন্দোলনকারী’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। এমনকি যারা হলে থেকে গিয়েছিলেন, তাদের উদ্দেশ্যেও কটূক্তি করতে ছাড়েননি নেতানিয়াহু।
গাজায় কোনো ধরনের গণহত্যা চালানোর অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেন তিনি। এ সময় তিনি দাবি করেন, ‘ইসরায়েল কোনো গণহত্যা চালায়নি। গণহত্যা রোধ করেছে।’
ভাষণে নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির তীব্র সমালোচনা করেন। কারণ মামদানি গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আচরণের প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে নেতানিয়াহুকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান মেয়র মামদানি। তিনি অভিযোগ করেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা নৃশংসতা ধামাচাপা দিতেই আন্তর্জাতিক মঞ্চকে ব্যবহার করেছেন নেতানিয়াহু। মামদানি বলেন, ‘তিনি বারবার যেমনটি করেছেন, নেতানিয়াহু এবারও ফিলিস্তিনিদের ওপর তার গণহত্যাকে ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করতে তার ভাষণকে ব্যবহার করেছেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘কোনো মিথ্যাই এ সত্যকে পরিবর্তন করতে পারবে না, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখোমুখি হয়েছেন।’ উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরেই গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছিল আইসিসি, যদিও ইসরায়েল শুরু থেকেই তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
জাতিসংঘের ভেতরে যখন এসব নাটকীয়তা চলছে, তখন বাইরে ম্যানহাটনজুড়ে তৈরি হয়েছিল উত্তাল পরিস্থিতি। নেতানিয়াহুর সফর এবং গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে শত শত বিক্ষোভকারী জাতিসংঘের আশেপাশে জমায়েত হয়ে তীব্র বিক্ষোভ দেখান। এতে শহরের যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করে। ইহুদি, মুসলিম ও ফিলিস্তিনিরা আলাদাভাবে এই বিক্ষোভে অংশ নেয়। এর মধ্যে ‘জুয়িশ ভয়েস ফর পিস’ নামের প্রগতিশীল ইহুদি সংগঠনটির বিক্ষোভ ছিল সবচেয়ে বড়। পুলিশ জানায়, অভিনেতা, সংগীতশিল্পী ও রাজনীতিবিদসহ একশরও বেশি মানুষকে সেখান থেকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুরো ঘটনাটি মার্কিন সমাজে ইসরায়েল ও নেতানিয়াহুকে নিয়ে চলা তীব্র বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। মে মাসে পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক জরিপেও এক বয়সভিত্তিক ফারাক দেখা গিয়েছিল। যেখানে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী মার্কিন তরুণদের মাত্র ১৮ শতাংশ ইসরায়েলি সরকারের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এই হার ছিল ৪৭ শতাংশ। আবার তরুণদের ৫৮ শতাংশই ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই বাংলাদেশসহ অনেক দেশের কূটনীতিকরা সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। ফিলিস্তিনে চলা সহিংসতার প্রতিবাদে এ ওয়াকআউটের কারণে মুহূর্তেই সাধারণ পরিষদের একটি বড় অংশ ফাঁকা হয়ে পড়ে।
প্রতিবেদন ও বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে, বাংলাদেশ ছাড়াও সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, সুদান, তিউনিসিয়া, উজবেকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আলজেরিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, কাতার, মিশর, ইরাক ও জর্ডানের মতো দেশগুলোর প্রতিনিধিরা হয় ওয়াকআউট করেছেন অথবা তাদের আসন খালি রেখেছেন।
বার্তা সংস্থা আনাদোলুর এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রায় ৭০টি দেশের প্রতিনিধিরা নেতানিয়াহুর বক্তৃতার সময় কক্ষ ত্যাগ করেন বা আসন ফাঁকা রাখেন। যদিও সব দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
কক্ষ থেকে একের পর এক কূটনীতিকের বেরিয়ে যাওয়ার পরও নেতানিয়াহু বক্তৃতা চালিয়ে যান। আর গ্যালারিতে থাকা তার সমর্থকরা হাততালি দিয়ে তাকে উৎসাহ দিতে থাকেন। পরে যারা কক্ষ ছেড়ে চলে গেছেন তাদের ‘ভণ্ড মানবাধিকার আন্দোলনকারী’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। এমনকি যারা হলে থেকে গিয়েছিলেন, তাদের উদ্দেশ্যেও কটূক্তি করতে ছাড়েননি নেতানিয়াহু।
গাজায় কোনো ধরনের গণহত্যা চালানোর অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেন তিনি। এ সময় তিনি দাবি করেন, ‘ইসরায়েল কোনো গণহত্যা চালায়নি। গণহত্যা রোধ করেছে।’
ভাষণে নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির তীব্র সমালোচনা করেন। কারণ মামদানি গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আচরণের প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে নেতানিয়াহুকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান মেয়র মামদানি। তিনি অভিযোগ করেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা নৃশংসতা ধামাচাপা দিতেই আন্তর্জাতিক মঞ্চকে ব্যবহার করেছেন নেতানিয়াহু। মামদানি বলেন, ‘তিনি বারবার যেমনটি করেছেন, নেতানিয়াহু এবারও ফিলিস্তিনিদের ওপর তার গণহত্যাকে ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করতে তার ভাষণকে ব্যবহার করেছেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘কোনো মিথ্যাই এ সত্যকে পরিবর্তন করতে পারবে না, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখোমুখি হয়েছেন।’ উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরেই গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছিল আইসিসি, যদিও ইসরায়েল শুরু থেকেই তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
জাতিসংঘের ভেতরে যখন এসব নাটকীয়তা চলছে, তখন বাইরে ম্যানহাটনজুড়ে তৈরি হয়েছিল উত্তাল পরিস্থিতি। নেতানিয়াহুর সফর এবং গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে শত শত বিক্ষোভকারী জাতিসংঘের আশেপাশে জমায়েত হয়ে তীব্র বিক্ষোভ দেখান। এতে শহরের যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করে। ইহুদি, মুসলিম ও ফিলিস্তিনিরা আলাদাভাবে এই বিক্ষোভে অংশ নেয়। এর মধ্যে ‘জুয়িশ ভয়েস ফর পিস’ নামের প্রগতিশীল ইহুদি সংগঠনটির বিক্ষোভ ছিল সবচেয়ে বড়। পুলিশ জানায়, অভিনেতা, সংগীতশিল্পী ও রাজনীতিবিদসহ একশরও বেশি মানুষকে সেখান থেকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুরো ঘটনাটি মার্কিন সমাজে ইসরায়েল ও নেতানিয়াহুকে নিয়ে চলা তীব্র বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। মে মাসে পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক জরিপেও এক বয়সভিত্তিক ফারাক দেখা গিয়েছিল। যেখানে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী মার্কিন তরুণদের মাত্র ১৮ শতাংশ ইসরায়েলি সরকারের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এই হার ছিল ৪৭ শতাংশ। আবার তরুণদের ৫৮ শতাংশই ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষণে ওয়াকআউট করা দেশের মধ্যে বাংলাদেশও ছিল
সিজেডএন ডেস্ক

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই বাংলাদেশসহ অনেক দেশের কূটনীতিকরা সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান। ফিলিস্তিনে চলা সহিংসতার প্রতিবাদে এ ওয়াকআউটের কারণে মুহূর্তেই সাধারণ পরিষদের একটি বড় অংশ ফাঁকা হয়ে পড়ে।
প্রতিবেদন ও বিভিন্ন ফুটেজে দেখা গেছে, বাংলাদেশ ছাড়াও সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, সুদান, তিউনিসিয়া, উজবেকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, আলজেরিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, কাতার, মিশর, ইরাক ও জর্ডানের মতো দেশগুলোর প্রতিনিধিরা হয় ওয়াকআউট করেছেন অথবা তাদের আসন খালি রেখেছেন।
বার্তা সংস্থা আনাদোলুর এক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রায় ৭০টি দেশের প্রতিনিধিরা নেতানিয়াহুর বক্তৃতার সময় কক্ষ ত্যাগ করেন বা আসন ফাঁকা রাখেন। যদিও সব দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়নি।
কক্ষ থেকে একের পর এক কূটনীতিকের বেরিয়ে যাওয়ার পরও নেতানিয়াহু বক্তৃতা চালিয়ে যান। আর গ্যালারিতে থাকা তার সমর্থকরা হাততালি দিয়ে তাকে উৎসাহ দিতে থাকেন। পরে যারা কক্ষ ছেড়ে চলে গেছেন তাদের ‘ভণ্ড মানবাধিকার আন্দোলনকারী’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। এমনকি যারা হলে থেকে গিয়েছিলেন, তাদের উদ্দেশ্যেও কটূক্তি করতে ছাড়েননি নেতানিয়াহু।
গাজায় কোনো ধরনের গণহত্যা চালানোর অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দেন তিনি। এ সময় তিনি দাবি করেন, ‘ইসরায়েল কোনো গণহত্যা চালায়নি। গণহত্যা রোধ করেছে।’
ভাষণে নেতানিয়াহু নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানির তীব্র সমালোচনা করেন। কারণ মামদানি গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর আচরণের প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা মাথায় নিয়ে নেতানিয়াহুকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই এর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান মেয়র মামদানি। তিনি অভিযোগ করেন, ফিলিস্তিনিদের ওপর চলা নৃশংসতা ধামাচাপা দিতেই আন্তর্জাতিক মঞ্চকে ব্যবহার করেছেন নেতানিয়াহু। মামদানি বলেন, ‘তিনি বারবার যেমনটি করেছেন, নেতানিয়াহু এবারও ফিলিস্তিনিদের ওপর তার গণহত্যাকে ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভিত্তিহীন মিথ্যার পুনরাবৃত্তি করতে তার ভাষণকে ব্যবহার করেছেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘কোনো মিথ্যাই এ সত্যকে পরিবর্তন করতে পারবে না, যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মুখোমুখি হয়েছেন।’ উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরেই গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করেছিল আইসিসি, যদিও ইসরায়েল শুরু থেকেই তা প্রত্যাখ্যান করে আসছে।
জাতিসংঘের ভেতরে যখন এসব নাটকীয়তা চলছে, তখন বাইরে ম্যানহাটনজুড়ে তৈরি হয়েছিল উত্তাল পরিস্থিতি। নেতানিয়াহুর সফর এবং গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে শত শত বিক্ষোভকারী জাতিসংঘের আশেপাশে জমায়েত হয়ে তীব্র বিক্ষোভ দেখান। এতে শহরের যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ শতাধিক ব্যক্তিকে আটক করে। ইহুদি, মুসলিম ও ফিলিস্তিনিরা আলাদাভাবে এই বিক্ষোভে অংশ নেয়। এর মধ্যে ‘জুয়িশ ভয়েস ফর পিস’ নামের প্রগতিশীল ইহুদি সংগঠনটির বিক্ষোভ ছিল সবচেয়ে বড়। পুলিশ জানায়, অভিনেতা, সংগীতশিল্পী ও রাজনীতিবিদসহ একশরও বেশি মানুষকে সেখান থেকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
পুরো ঘটনাটি মার্কিন সমাজে ইসরায়েল ও নেতানিয়াহুকে নিয়ে চলা তীব্র বিভাজনকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। মে মাসে পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক জরিপেও এক বয়সভিত্তিক ফারাক দেখা গিয়েছিল। যেখানে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী মার্কিন তরুণদের মাত্র ১৮ শতাংশ ইসরায়েলি সরকারের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে এই হার ছিল ৪৭ শতাংশ। আবার তরুণদের ৫৮ শতাংশই ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

নেতানিয়াহুর জাতিসংঘ সফর ঘিরে উত্তাল নিউইয়র্ক, গ্রেপ্তার ১০৩







