ভোট গণনার সময় ফল পাল্টানোর চেষ্টা করতে পারেন ট্রাম্প, বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা

ভোট গণনার সময় ফল পাল্টানোর চেষ্টা করতে পারেন ট্রাম্প, বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। তাদের আশঙ্কা, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ফল প্রকাশের আগের সময়কে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনি ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ বা পুরোপুরি পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহযোগীরা।
দেশটির অনেক রাজ্যে ভোট শেষ হওয়ার পর চূড়ান্ত ফলাফল হাতে পেতে বেশ কয়েক দিন, এমনকি সপ্তাহ পর্যন্ত লেগে যায়। সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ফল প্রকাশের এ দীর্ঘসূত্রতাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এ সুযোগে ট্রাম্পের অনুগতরা নানা ধরনের বানোয়াট অভিযোগ তুলে সাধারণ মানুষের মনে অনায়াসে সন্দেহের বীজ বুনে দিতে পারেন।
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন মেইল-ইন ভোটের ওপর কড়াকড়ি আরোপের চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের বাধায় তা কার্যকর হয়নি। আইনি পথগুলো একে একে সংকুচিত হয়ে আসায় এখন এ ‘গণনা উইন্ডো’ বা অপেক্ষার সময়টাকেই ঘিরেই ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির পাঁয়তারা চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাধারণত নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নীরবতা বজায় রাখলেও, এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ভোটার তালিকা যাচাইয়ের কথা বলে বিভিন্ন বিতর্কিত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার ভিত্তিহীনভাবে বিদেশি হস্তক্ষেপ বা কারচুপির কথা বলা হলেও গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞরা পরিষ্কার করেছেন, অতীতের কোনো নির্বাচনেই ভোট গণনার কারিগরি প্রক্রিয়ায় সরাসরি কোনো দেশ নাক গলাতে পারেনি।
ট্রাম্প প্রশাসন মুখে সাইবার নিরাপত্তার কথা বললেও কাজের বেলায় উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। সিআইএসএ-র মতো সংস্থায় নির্বাচন নিরাপত্তা সংক্রান্ত বাজেট ও কর্মী সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে এত কিছুর পরও বসে নেই স্থানীয় প্রশাসন। যেকোনো কৃত্রিম বিতর্ক ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা এখন থেকেই ভোটারদের সচেতন করার নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। তাদের আশঙ্কা, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ফল প্রকাশের আগের সময়কে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনি ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ বা পুরোপুরি পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহযোগীরা।
দেশটির অনেক রাজ্যে ভোট শেষ হওয়ার পর চূড়ান্ত ফলাফল হাতে পেতে বেশ কয়েক দিন, এমনকি সপ্তাহ পর্যন্ত লেগে যায়। সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ফল প্রকাশের এ দীর্ঘসূত্রতাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এ সুযোগে ট্রাম্পের অনুগতরা নানা ধরনের বানোয়াট অভিযোগ তুলে সাধারণ মানুষের মনে অনায়াসে সন্দেহের বীজ বুনে দিতে পারেন।
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন মেইল-ইন ভোটের ওপর কড়াকড়ি আরোপের চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের বাধায় তা কার্যকর হয়নি। আইনি পথগুলো একে একে সংকুচিত হয়ে আসায় এখন এ ‘গণনা উইন্ডো’ বা অপেক্ষার সময়টাকেই ঘিরেই ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির পাঁয়তারা চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাধারণত নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নীরবতা বজায় রাখলেও, এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ভোটার তালিকা যাচাইয়ের কথা বলে বিভিন্ন বিতর্কিত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার ভিত্তিহীনভাবে বিদেশি হস্তক্ষেপ বা কারচুপির কথা বলা হলেও গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞরা পরিষ্কার করেছেন, অতীতের কোনো নির্বাচনেই ভোট গণনার কারিগরি প্রক্রিয়ায় সরাসরি কোনো দেশ নাক গলাতে পারেনি।
ট্রাম্প প্রশাসন মুখে সাইবার নিরাপত্তার কথা বললেও কাজের বেলায় উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। সিআইএসএ-র মতো সংস্থায় নির্বাচন নিরাপত্তা সংক্রান্ত বাজেট ও কর্মী সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে এত কিছুর পরও বসে নেই স্থানীয় প্রশাসন। যেকোনো কৃত্রিম বিতর্ক ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা এখন থেকেই ভোটারদের সচেতন করার নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ভোট গণনার সময় ফল পাল্টানোর চেষ্টা করতে পারেন ট্রাম্প, বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা
সিজেডএন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। তাদের আশঙ্কা, ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর ফল প্রকাশের আগের সময়কে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনি ফলাফলকে প্রশ্নবিদ্ধ বা পুরোপুরি পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহযোগীরা।
দেশটির অনেক রাজ্যে ভোট শেষ হওয়ার পর চূড়ান্ত ফলাফল হাতে পেতে বেশ কয়েক দিন, এমনকি সপ্তাহ পর্যন্ত লেগে যায়। সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, ফল প্রকাশের এ দীর্ঘসূত্রতাই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, কারণ এ সুযোগে ট্রাম্পের অনুগতরা নানা ধরনের বানোয়াট অভিযোগ তুলে সাধারণ মানুষের মনে অনায়াসে সন্দেহের বীজ বুনে দিতে পারেন।
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন মেইল-ইন ভোটের ওপর কড়াকড়ি আরোপের চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের বাধায় তা কার্যকর হয়নি। আইনি পথগুলো একে একে সংকুচিত হয়ে আসায় এখন এ ‘গণনা উইন্ডো’ বা অপেক্ষার সময়টাকেই ঘিরেই ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা তৈরির পাঁয়তারা চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাধারণত নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো নীরবতা বজায় রাখলেও, এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ভোটার তালিকা যাচাইয়ের কথা বলে বিভিন্ন বিতর্কিত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার ভিত্তিহীনভাবে বিদেশি হস্তক্ষেপ বা কারচুপির কথা বলা হলেও গোয়েন্দা বিশেষজ্ঞরা পরিষ্কার করেছেন, অতীতের কোনো নির্বাচনেই ভোট গণনার কারিগরি প্রক্রিয়ায় সরাসরি কোনো দেশ নাক গলাতে পারেনি।
ট্রাম্প প্রশাসন মুখে সাইবার নিরাপত্তার কথা বললেও কাজের বেলায় উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। সিআইএসএ-র মতো সংস্থায় নির্বাচন নিরাপত্তা সংক্রান্ত বাজেট ও কর্মী সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তবে এত কিছুর পরও বসে নেই স্থানীয় প্রশাসন। যেকোনো কৃত্রিম বিতর্ক ও বিশৃঙ্খলা এড়াতে রাজ্য পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তারা এখন থেকেই ভোটারদের সচেতন করার নিরলস কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

কূটনীতিতেই যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান: ইরান







