কেন পদত্যাগ করলেন মার্কিন গোয়েন্দা পরিচালক

কেন পদত্যাগ করলেন মার্কিন গোয়েন্দা পরিচালক
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের (ডিএনআই) পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তুলসী গ্যাবার্ড। শুক্রবার তিনি জানান, আগামী ৩০ জুন থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে।
পদত্যাগের কারণ হিসেবে স্বামীর গুরুতর অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছেন তুলসী গ্যাবার্ড। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেখা চিঠিতে তিনি বলেন, তার স্বামী আব্রাহামের শরীরে বিরল ধরনের বোন ক্যানসার ধরা পড়েছে। সামনে কঠিন চিকিৎসা ও শারীরিক চ্যালেঞ্জ থাকায় এই সময়ে স্বামীর পাশে থাকতে সরকারি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
চিঠিতে তুলসী লেখেন, দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমি পদত্যাগপত্র জমা দিচ্ছি, যা ৩০ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। আগামী সপ্তাহ ও মাসগুলোতে আমার স্বামী বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। এই সময়ে তার পাশে থাকা এবং পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার জন্য আমাকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হচ্ছে।
তবে হোয়াইট হাউস সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বিষয়টি শুধুই পারিবারিক কারণে সীমাবদ্ধ নয়। প্রশাসনের ভেতরে মতবিরোধের কারণেও তাকে সরে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তুলসী গ্যাবার্ডের অবস্থানগত পার্থক্যের কথা আগে থেকেই আলোচনায় ছিল। গত মার্চে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইরানের সম্ভাব্য পারমাণবিক কর্মসূচি মোকাবিলার ক্ষেত্রে তার তুলনায় তুলসী গ্যাবার্ড অনেক বেশি নমনীয় অবস্থানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদটি সৃষ্টি করা হয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের টুইন টাওয়ারে হামলার পর। মার্কিন কংগ্রেস জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের সমন্বয়ের জন্য এই পদ চালু করে। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।
গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাবেক ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য তুলসী গ্যাবার্ডকে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের (ডিএনআই) পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তুলসী গ্যাবার্ড। শুক্রবার তিনি জানান, আগামী ৩০ জুন থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে।
পদত্যাগের কারণ হিসেবে স্বামীর গুরুতর অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছেন তুলসী গ্যাবার্ড। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেখা চিঠিতে তিনি বলেন, তার স্বামী আব্রাহামের শরীরে বিরল ধরনের বোন ক্যানসার ধরা পড়েছে। সামনে কঠিন চিকিৎসা ও শারীরিক চ্যালেঞ্জ থাকায় এই সময়ে স্বামীর পাশে থাকতে সরকারি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
চিঠিতে তুলসী লেখেন, দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমি পদত্যাগপত্র জমা দিচ্ছি, যা ৩০ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। আগামী সপ্তাহ ও মাসগুলোতে আমার স্বামী বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। এই সময়ে তার পাশে থাকা এবং পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার জন্য আমাকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হচ্ছে।
তবে হোয়াইট হাউস সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বিষয়টি শুধুই পারিবারিক কারণে সীমাবদ্ধ নয়। প্রশাসনের ভেতরে মতবিরোধের কারণেও তাকে সরে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তুলসী গ্যাবার্ডের অবস্থানগত পার্থক্যের কথা আগে থেকেই আলোচনায় ছিল। গত মার্চে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইরানের সম্ভাব্য পারমাণবিক কর্মসূচি মোকাবিলার ক্ষেত্রে তার তুলনায় তুলসী গ্যাবার্ড অনেক বেশি নমনীয় অবস্থানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদটি সৃষ্টি করা হয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের টুইন টাওয়ারে হামলার পর। মার্কিন কংগ্রেস জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের সমন্বয়ের জন্য এই পদ চালু করে। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।
গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাবেক ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য তুলসী গ্যাবার্ডকে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেন।

কেন পদত্যাগ করলেন মার্কিন গোয়েন্দা পরিচালক
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের (ডিএনআই) পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তুলসী গ্যাবার্ড। শুক্রবার তিনি জানান, আগামী ৩০ জুন থেকে তার পদত্যাগ কার্যকর হবে।
পদত্যাগের কারণ হিসেবে স্বামীর গুরুতর অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছেন তুলসী গ্যাবার্ড। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেখা চিঠিতে তিনি বলেন, তার স্বামী আব্রাহামের শরীরে বিরল ধরনের বোন ক্যানসার ধরা পড়েছে। সামনে কঠিন চিকিৎসা ও শারীরিক চ্যালেঞ্জ থাকায় এই সময়ে স্বামীর পাশে থাকতে সরকারি দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
চিঠিতে তুলসী লেখেন, দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমি পদত্যাগপত্র জমা দিচ্ছি, যা ৩০ জুন ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে। আগামী সপ্তাহ ও মাসগুলোতে আমার স্বামী বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। এই সময়ে তার পাশে থাকা এবং পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার জন্য আমাকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হচ্ছে।
তবে হোয়াইট হাউস সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বিষয়টি শুধুই পারিবারিক কারণে সীমাবদ্ধ নয়। প্রশাসনের ভেতরে মতবিরোধের কারণেও তাকে সরে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
বিশেষ করে ইরান ইস্যুতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তুলসী গ্যাবার্ডের অবস্থানগত পার্থক্যের কথা আগে থেকেই আলোচনায় ছিল। গত মার্চে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ইরানের সম্ভাব্য পারমাণবিক কর্মসূচি মোকাবিলার ক্ষেত্রে তার তুলনায় তুলসী গ্যাবার্ড অনেক বেশি নমনীয় অবস্থানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালকের পদটি সৃষ্টি করা হয় ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের টুইন টাওয়ারে হামলার পর। মার্কিন কংগ্রেস জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের সমন্বয়ের জন্য এই পদ চালু করে। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা পদ হিসেবে বিবেচিত হয়।
গত বছরের জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাবেক ডেমোক্রেটিক কংগ্রেস সদস্য তুলসী গ্যাবার্ডকে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেন।



