সুদানের উত্তর কর্ডোফানে ড্রোন হামলায় নিহত ১১

সুদানের উত্তর কর্ডোফানে ড্রোন হামলায় নিহত ১১
সিটিজেন ডেস্ক

সুদানের উত্তর কর্ডোফান রাজ্যের একটি বাজারে ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মানুষ। স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংস্থার বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার (৬ জুন) সকালে হামরাত আল শেখ এলাকার আবু জাইমা অঞ্চলের বাজারে এ নৃশংস হামলাটি চালানো হয়।
‘ইমার্জেন্সি লয়ার্স গ্রুপ’ নামের মানবাধিকার সংগঠনটি জানিয়েছে, এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের আগে একই এলাকায় গ্রাম ও বেসামরিক যানবাহন লক্ষ্য করে আরেকটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। বেসামরিক নাগরিক ও সাধারণ যানবাহনকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গোষ্ঠীটি। তারা এটিকে মানব জীবন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মৌলিক নীতির প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বেসামরিক মানুষের ওপর চালানো এ ধারাবাহিক হামলাকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে এ ধরনের হামলা বন্ধের পাশাপাশি দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে।
এ হামলার পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো পক্ষকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি, তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এলাকাটিতে তীব্র লড়াই চলছে। সুদানি সেনাবাহিনী মূলত আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর কাছ থেকে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে জোরালো অভিযান চালাচ্ছে। এর আগে শুক্রবারও (৫ জুন) উত্তর কর্ডোফানের দুটি গ্রামে ড্রোন হামলায় ৪ জন নিহত ও ৬ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছিল মানবাধিকার গোষ্ঠীটি।
জাতিসংঘ মে মাসে কর্ডোফান অঞ্চলজুড়ে ড্রোন হামলার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। সংস্খাটির তথ্যমতে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে এ ধরনের হামলায় অন্তত ৮৮০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। মূলত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম কর্ডোফানে সুদানি সেনাবাহিনী এবং আরএসএফ-এর মধ্যে সংঘাত তীব্র রূপ নিয়েছে।
২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে আধাসামরিক বাহিনীকে সামরিক বাহিনীর সাথে একীভূত করার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ বর্তমানে সুদানকে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে, যার ফলে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সুদানের উত্তর কর্ডোফান রাজ্যের একটি বাজারে ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মানুষ। স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংস্থার বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার (৬ জুন) সকালে হামরাত আল শেখ এলাকার আবু জাইমা অঞ্চলের বাজারে এ নৃশংস হামলাটি চালানো হয়।
‘ইমার্জেন্সি লয়ার্স গ্রুপ’ নামের মানবাধিকার সংগঠনটি জানিয়েছে, এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের আগে একই এলাকায় গ্রাম ও বেসামরিক যানবাহন লক্ষ্য করে আরেকটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। বেসামরিক নাগরিক ও সাধারণ যানবাহনকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গোষ্ঠীটি। তারা এটিকে মানব জীবন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মৌলিক নীতির প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বেসামরিক মানুষের ওপর চালানো এ ধারাবাহিক হামলাকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে এ ধরনের হামলা বন্ধের পাশাপাশি দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে।
এ হামলার পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো পক্ষকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি, তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এলাকাটিতে তীব্র লড়াই চলছে। সুদানি সেনাবাহিনী মূলত আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর কাছ থেকে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে জোরালো অভিযান চালাচ্ছে। এর আগে শুক্রবারও (৫ জুন) উত্তর কর্ডোফানের দুটি গ্রামে ড্রোন হামলায় ৪ জন নিহত ও ৬ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছিল মানবাধিকার গোষ্ঠীটি।
জাতিসংঘ মে মাসে কর্ডোফান অঞ্চলজুড়ে ড্রোন হামলার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। সংস্খাটির তথ্যমতে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে এ ধরনের হামলায় অন্তত ৮৮০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। মূলত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম কর্ডোফানে সুদানি সেনাবাহিনী এবং আরএসএফ-এর মধ্যে সংঘাত তীব্র রূপ নিয়েছে।
২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে আধাসামরিক বাহিনীকে সামরিক বাহিনীর সাথে একীভূত করার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ বর্তমানে সুদানকে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে, যার ফলে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সুদানের উত্তর কর্ডোফানে ড্রোন হামলায় নিহত ১১
সিটিজেন ডেস্ক

সুদানের উত্তর কর্ডোফান রাজ্যের একটি বাজারে ভয়াবহ ড্রোন হামলায় অন্তত ১১ জন বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মানুষ। স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংস্থার বরাত দিয়ে জানা গেছে, শনিবার (৬ জুন) সকালে হামরাত আল শেখ এলাকার আবু জাইমা অঞ্চলের বাজারে এ নৃশংস হামলাটি চালানো হয়।
‘ইমার্জেন্সি লয়ার্স গ্রুপ’ নামের মানবাধিকার সংগঠনটি জানিয়েছে, এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের আগে একই এলাকায় গ্রাম ও বেসামরিক যানবাহন লক্ষ্য করে আরেকটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। বেসামরিক নাগরিক ও সাধারণ যানবাহনকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গোষ্ঠীটি। তারা এটিকে মানব জীবন এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মৌলিক নীতির প্রতি চরম অবজ্ঞার প্রতিফলন বলে উল্লেখ করেছে। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বেসামরিক মানুষের ওপর চালানো এ ধারাবাহিক হামলাকে কোনোভাবেই স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়। একই সঙ্গে তারা অবিলম্বে এ ধরনের হামলা বন্ধের পাশাপাশি দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছে।
এ হামলার পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো পক্ষকে এখনো শনাক্ত করা যায়নি, তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এলাকাটিতে তীব্র লড়াই চলছে। সুদানি সেনাবাহিনী মূলত আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর কাছ থেকে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে জোরালো অভিযান চালাচ্ছে। এর আগে শুক্রবারও (৫ জুন) উত্তর কর্ডোফানের দুটি গ্রামে ড্রোন হামলায় ৪ জন নিহত ও ৬ জন আহত হওয়ার খবর দিয়েছিল মানবাধিকার গোষ্ঠীটি।
জাতিসংঘ মে মাসে কর্ডোফান অঞ্চলজুড়ে ড্রোন হামলার আশঙ্কাজনক বৃদ্ধির বিষয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। সংস্খাটির তথ্যমতে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে এ ধরনের হামলায় অন্তত ৮৮০ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। মূলত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিম কর্ডোফানে সুদানি সেনাবাহিনী এবং আরএসএফ-এর মধ্যে সংঘাত তীব্র রূপ নিয়েছে।
২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে আধাসামরিক বাহিনীকে সামরিক বাহিনীর সাথে একীভূত করার পরিকল্পনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘস্থায়ী এই যুদ্ধ বর্তমানে সুদানকে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে, যার ফলে ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

দক্ষিণ সুদানে বিমান বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত


