বিমানবালা হতে চেয়েছিলেন মৌসুমী

বিমানবালা হতে চেয়েছিলেন মৌসুমী
বিনোদন ডেস্ক

ঢাকাই সিনেমার একসময়ের ব্যস্ততম নায়িকা মৌসুমী। দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত নব্বইয়ের দশকে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেত্রী।
১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে রূপালী পর্দায় অভিষেক হয় মৌসুমীর। প্রথম সিনেমাতেই সিনেমাটি রেকর্ড সৃষ্টি করে। তার ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটিই আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা এনে দেয় অভিনেত্রীকে।
এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি মৌসুমীকে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অনেকগুলো ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার লাভ করেন। পেয়েছেন কোটি দর্শকের ভালোবাসা।

বর্তমানে সপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করছেন মৌসুমী। মাঝে মাঝে দেশে আসেন।
সম্প্রতি দেশের এক সংবাদমাধ্যমকে ছোটবেলায় ক্যারিয়ারের স্বপ্ন ও চলচ্চিত্রে কীভাবে আসা সেসব বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি ছোটবেলায় শিক্ষক হতে চেয়েছিলেন বলেও জানান।
নায়িকা বলেন, ‘স্কুলজীবনে ভাবতাম শিক্ষক হব। তারা খুব সুন্দর করে ক্লাস নেন। সবাই তাদের সম্মান করেন। এসব দেখেই মনের ভেতরে ভাবনা কাজ করত, শিক্ষক হব। কিন্তু নিয়তি বলে একটা কথা আছে। নিয়তি কাকে কখন কোথায় নিয়ে যাবে, আমরা কেউই জানি না।’
একসময় আইনজীবী হওয়ার কথাও ভাবতেন মৌসুমী। তিনি বলেন, ‘নামকরা উকিল হয়ে সুনাম অর্জন করব এমন ভাবনা কাজ করতো। তবে কেন এমন ভাবনা তৈরি হয় সেটা জানেন না অভিনেত্রী। কিশোর বয়সে একান্ত ভাবনায় এমন চিন্তা করতেন তারা।’
শুধু এটুকুতেই নায়িকার ভাবনা সীমাবদ্ধ ছিলো না। বিমানবালা হয়ে আকাশে আকাশে ঘুরে বেড়ানোর স্বপ্নও ছিলো তার। মৌসুমী বলেন, ‘কখনো কখনো ভাবতাম বিমানবালা হব, আকাশে আকাশে ঘুরে বেড়াব, নীল আকাশ হবে আমার ঠিকানা। কিন্তু ভাগ্যে তো এটাও ছিল না।’
রূপালী জগতে আসার শুরুর কাহিনীও জানান মৌসুমী। নায়িকা বলেন, ‘প্রথম জীবনে পাক্ষিক আনন্দ বিচিত্রার ফটোসুন্দরী হিসেবে নির্বাচিত হই। শুরুতে তিনি এগিয়ে ছিলেন না, তবে দর্শকদের ভোটে এগিয়ে যান। পরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। এরপর তিনটি মডেলিংয়ে কাজ করেন। সেখান থেকে দর্শকদের মাঝে বেশ পরিচিতি পান।
এরপরই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করে। মৌসুমী বলেন, ‘এক এক করে প্রস্তাব আসতে শুরু করে। কিন্তু বাসা থেকে কেউ রাজি ছিল না। আমার নিজেরও শুরুতে তেমন আগ্রহ ছিল না।’
তবে তার সিনেমায় আসার পেছনে পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজারের অবদান আছে। তখন তিনি সাংবাদিকতা করেন। মৌসুমী বলেন, ‘ফটোসুন্দরী হওয়ার পর গুলজার ভাই আমাদের বাসায় এসেছিলেন ইন্টারভিউ করতে। একদিন আব্বুর সঙ্গে বাসায় দেখা করতে আসেন তিনি। সঙ্গে করে সোহানুর রহমান সোহান ভাইকে নিয়ে আসেন। সেদিনই সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পাই।’
প্রথম সিনেমা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকাই সিনেমায় আমার অভিষেক হয় কেয়ামত থেকে কেয়ামত দিয়ে। এই সিনেমাটি রেকর্ড সৃষ্টি করে। ইতিহাস হয়ে আছে রূপালি জগতে। দর্শকদের জন্যই তা সম্ভব হয়েছে।’
নস্টালজিক হয়ে তিনি বলেন, ‘একটা সময় ভিসিআরে সিনেমা দেখার বেশ প্রচলন ছিল। আমিও দেখেছি। সবচেয়ে বেশি দেখেছি হিন্দি সিনেমা কেয়ামত সে কেয়ামত তক।’ তিনি বলেন, ‘এই সিনেমা ঢালিউডেও রিমেক হবে একদিন এবং সেখানে আমিই নায়িকা হব, তা কখনো কল্পনা করিনি।’
সিনেমাটি মুক্তির সময়ের কথা বলতে গিয়ে মৌসুমী বলেন, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি পাওয়ার পর খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এটা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এই সিনেমার গান মানুষের মুখে মুখে। আমার আর সালমান শাহ জুটির সুনামও ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। সেই সময় প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে এই সিনেমা দেখেননি, এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া কঠিন।’
‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তির পর আমিও হলে গিয়ে দেখেছিলাম। প্রথম দেখেছিলাম ফার্মগেট আনন্দ হলে। ওই স্মৃতি ভুলবার নয়,’ যোগ করেন নায়িকা।

ঢাকাই সিনেমার একসময়ের ব্যস্ততম নায়িকা মৌসুমী। দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত নব্বইয়ের দশকে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেত্রী।
১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে রূপালী পর্দায় অভিষেক হয় মৌসুমীর। প্রথম সিনেমাতেই সিনেমাটি রেকর্ড সৃষ্টি করে। তার ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটিই আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা এনে দেয় অভিনেত্রীকে।
এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি মৌসুমীকে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অনেকগুলো ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার লাভ করেন। পেয়েছেন কোটি দর্শকের ভালোবাসা।

বর্তমানে সপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করছেন মৌসুমী। মাঝে মাঝে দেশে আসেন।
সম্প্রতি দেশের এক সংবাদমাধ্যমকে ছোটবেলায় ক্যারিয়ারের স্বপ্ন ও চলচ্চিত্রে কীভাবে আসা সেসব বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি ছোটবেলায় শিক্ষক হতে চেয়েছিলেন বলেও জানান।
নায়িকা বলেন, ‘স্কুলজীবনে ভাবতাম শিক্ষক হব। তারা খুব সুন্দর করে ক্লাস নেন। সবাই তাদের সম্মান করেন। এসব দেখেই মনের ভেতরে ভাবনা কাজ করত, শিক্ষক হব। কিন্তু নিয়তি বলে একটা কথা আছে। নিয়তি কাকে কখন কোথায় নিয়ে যাবে, আমরা কেউই জানি না।’
একসময় আইনজীবী হওয়ার কথাও ভাবতেন মৌসুমী। তিনি বলেন, ‘নামকরা উকিল হয়ে সুনাম অর্জন করব এমন ভাবনা কাজ করতো। তবে কেন এমন ভাবনা তৈরি হয় সেটা জানেন না অভিনেত্রী। কিশোর বয়সে একান্ত ভাবনায় এমন চিন্তা করতেন তারা।’
শুধু এটুকুতেই নায়িকার ভাবনা সীমাবদ্ধ ছিলো না। বিমানবালা হয়ে আকাশে আকাশে ঘুরে বেড়ানোর স্বপ্নও ছিলো তার। মৌসুমী বলেন, ‘কখনো কখনো ভাবতাম বিমানবালা হব, আকাশে আকাশে ঘুরে বেড়াব, নীল আকাশ হবে আমার ঠিকানা। কিন্তু ভাগ্যে তো এটাও ছিল না।’
রূপালী জগতে আসার শুরুর কাহিনীও জানান মৌসুমী। নায়িকা বলেন, ‘প্রথম জীবনে পাক্ষিক আনন্দ বিচিত্রার ফটোসুন্দরী হিসেবে নির্বাচিত হই। শুরুতে তিনি এগিয়ে ছিলেন না, তবে দর্শকদের ভোটে এগিয়ে যান। পরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। এরপর তিনটি মডেলিংয়ে কাজ করেন। সেখান থেকে দর্শকদের মাঝে বেশ পরিচিতি পান।
এরপরই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করে। মৌসুমী বলেন, ‘এক এক করে প্রস্তাব আসতে শুরু করে। কিন্তু বাসা থেকে কেউ রাজি ছিল না। আমার নিজেরও শুরুতে তেমন আগ্রহ ছিল না।’
তবে তার সিনেমায় আসার পেছনে পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজারের অবদান আছে। তখন তিনি সাংবাদিকতা করেন। মৌসুমী বলেন, ‘ফটোসুন্দরী হওয়ার পর গুলজার ভাই আমাদের বাসায় এসেছিলেন ইন্টারভিউ করতে। একদিন আব্বুর সঙ্গে বাসায় দেখা করতে আসেন তিনি। সঙ্গে করে সোহানুর রহমান সোহান ভাইকে নিয়ে আসেন। সেদিনই সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পাই।’
প্রথম সিনেমা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকাই সিনেমায় আমার অভিষেক হয় কেয়ামত থেকে কেয়ামত দিয়ে। এই সিনেমাটি রেকর্ড সৃষ্টি করে। ইতিহাস হয়ে আছে রূপালি জগতে। দর্শকদের জন্যই তা সম্ভব হয়েছে।’
নস্টালজিক হয়ে তিনি বলেন, ‘একটা সময় ভিসিআরে সিনেমা দেখার বেশ প্রচলন ছিল। আমিও দেখেছি। সবচেয়ে বেশি দেখেছি হিন্দি সিনেমা কেয়ামত সে কেয়ামত তক।’ তিনি বলেন, ‘এই সিনেমা ঢালিউডেও রিমেক হবে একদিন এবং সেখানে আমিই নায়িকা হব, তা কখনো কল্পনা করিনি।’
সিনেমাটি মুক্তির সময়ের কথা বলতে গিয়ে মৌসুমী বলেন, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি পাওয়ার পর খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এটা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এই সিনেমার গান মানুষের মুখে মুখে। আমার আর সালমান শাহ জুটির সুনামও ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। সেই সময় প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে এই সিনেমা দেখেননি, এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া কঠিন।’
‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তির পর আমিও হলে গিয়ে দেখেছিলাম। প্রথম দেখেছিলাম ফার্মগেট আনন্দ হলে। ওই স্মৃতি ভুলবার নয়,’ যোগ করেন নায়িকা।

বিমানবালা হতে চেয়েছিলেন মৌসুমী
বিনোদন ডেস্ক

ঢাকাই সিনেমার একসময়ের ব্যস্ততম নায়িকা মৌসুমী। দীর্ঘদিন ধরেই অভিনয়ে অনিয়মিত নব্বইয়ের দশকে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এই অভিনেত্রী।
১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমা দিয়ে রূপালী পর্দায় অভিষেক হয় মৌসুমীর। প্রথম সিনেমাতেই সিনেমাটি রেকর্ড সৃষ্টি করে। তার ক্যারিয়ারের প্রথম সিনেমাটিই আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা এনে দেয় অভিনেত্রীকে।
এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি মৌসুমীকে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অনেকগুলো ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ একাধিক পুরস্কার লাভ করেন। পেয়েছেন কোটি দর্শকের ভালোবাসা।

বর্তমানে সপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করছেন মৌসুমী। মাঝে মাঝে দেশে আসেন।
সম্প্রতি দেশের এক সংবাদমাধ্যমকে ছোটবেলায় ক্যারিয়ারের স্বপ্ন ও চলচ্চিত্রে কীভাবে আসা সেসব বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি ছোটবেলায় শিক্ষক হতে চেয়েছিলেন বলেও জানান।
নায়িকা বলেন, ‘স্কুলজীবনে ভাবতাম শিক্ষক হব। তারা খুব সুন্দর করে ক্লাস নেন। সবাই তাদের সম্মান করেন। এসব দেখেই মনের ভেতরে ভাবনা কাজ করত, শিক্ষক হব। কিন্তু নিয়তি বলে একটা কথা আছে। নিয়তি কাকে কখন কোথায় নিয়ে যাবে, আমরা কেউই জানি না।’
একসময় আইনজীবী হওয়ার কথাও ভাবতেন মৌসুমী। তিনি বলেন, ‘নামকরা উকিল হয়ে সুনাম অর্জন করব এমন ভাবনা কাজ করতো। তবে কেন এমন ভাবনা তৈরি হয় সেটা জানেন না অভিনেত্রী। কিশোর বয়সে একান্ত ভাবনায় এমন চিন্তা করতেন তারা।’
শুধু এটুকুতেই নায়িকার ভাবনা সীমাবদ্ধ ছিলো না। বিমানবালা হয়ে আকাশে আকাশে ঘুরে বেড়ানোর স্বপ্নও ছিলো তার। মৌসুমী বলেন, ‘কখনো কখনো ভাবতাম বিমানবালা হব, আকাশে আকাশে ঘুরে বেড়াব, নীল আকাশ হবে আমার ঠিকানা। কিন্তু ভাগ্যে তো এটাও ছিল না।’
রূপালী জগতে আসার শুরুর কাহিনীও জানান মৌসুমী। নায়িকা বলেন, ‘প্রথম জীবনে পাক্ষিক আনন্দ বিচিত্রার ফটোসুন্দরী হিসেবে নির্বাচিত হই। শুরুতে তিনি এগিয়ে ছিলেন না, তবে দর্শকদের ভোটে এগিয়ে যান। পরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। এরপর তিনটি মডেলিংয়ে কাজ করেন। সেখান থেকে দর্শকদের মাঝে বেশ পরিচিতি পান।
এরপরই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব আসতে শুরু করে। মৌসুমী বলেন, ‘এক এক করে প্রস্তাব আসতে শুরু করে। কিন্তু বাসা থেকে কেউ রাজি ছিল না। আমার নিজেরও শুরুতে তেমন আগ্রহ ছিল না।’
তবে তার সিনেমায় আসার পেছনে পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজারের অবদান আছে। তখন তিনি সাংবাদিকতা করেন। মৌসুমী বলেন, ‘ফটোসুন্দরী হওয়ার পর গুলজার ভাই আমাদের বাসায় এসেছিলেন ইন্টারভিউ করতে। একদিন আব্বুর সঙ্গে বাসায় দেখা করতে আসেন তিনি। সঙ্গে করে সোহানুর রহমান সোহান ভাইকে নিয়ে আসেন। সেদিনই সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব পাই।’
প্রথম সিনেমা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ঢাকাই সিনেমায় আমার অভিষেক হয় কেয়ামত থেকে কেয়ামত দিয়ে। এই সিনেমাটি রেকর্ড সৃষ্টি করে। ইতিহাস হয়ে আছে রূপালি জগতে। দর্শকদের জন্যই তা সম্ভব হয়েছে।’
নস্টালজিক হয়ে তিনি বলেন, ‘একটা সময় ভিসিআরে সিনেমা দেখার বেশ প্রচলন ছিল। আমিও দেখেছি। সবচেয়ে বেশি দেখেছি হিন্দি সিনেমা কেয়ামত সে কেয়ামত তক।’ তিনি বলেন, ‘এই সিনেমা ঢালিউডেও রিমেক হবে একদিন এবং সেখানে আমিই নায়িকা হব, তা কখনো কল্পনা করিনি।’
সিনেমাটি মুক্তির সময়ের কথা বলতে গিয়ে মৌসুমী বলেন, ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তি পাওয়ার পর খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এটা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এই সিনেমার গান মানুষের মুখে মুখে। আমার আর সালমান শাহ জুটির সুনামও ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। সেই সময় প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে এই সিনেমা দেখেননি, এমন দর্শক খুঁজে পাওয়া কঠিন।’
‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত মুক্তির পর আমিও হলে গিয়ে দেখেছিলাম। প্রথম দেখেছিলাম ফার্মগেট আনন্দ হলে। ওই স্মৃতি ভুলবার নয়,’ যোগ করেন নায়িকা।

মৌসুমীর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে বিরোধে জড়ালেন ওমর সানী ও জাহাঙ্গীর
পপিকে নিয়ে বিষ্ফোরক মন্তব্য ওমর সানির







