এআই আমার কাছে খুবই ভীতিকর: কৃতি স্যানন

বিনোদন ডেস্ক
বিনোদন ডেস্ক
এআই আমার কাছে খুবই ভীতিকর: কৃতি স্যানন
কৃতি স্যানন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তারকাদের আপত্তিকর ছবি বানিয়ে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে বিনোদন জগতের তারকারা এর শিকার বেশি হন। এবার এ বিষয়ে নিজের ভীতি ও এর প্রতিকার কী হতে পারে সে বিষয়ে কথা বলেছেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি স্যানন।

এআই দিয়ে ব্যক্তিগত অধিকার ও ছবি অপব্যবহারের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে বলে মনে করেন এই অভিনেত্রী। এজন্য প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনও বদলানো জরুরি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মাইক্রোফোন হাতে দর্শকদের প্রশ্ন শুনছেন কৃতি স্যানন
মাইক্রোফোন হাতে দর্শকদের প্রশ্ন শুনছেন কৃতি স্যানন

অনলাইনে ছবি দেখে কোনটি আসল, আর কোনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি তা বোঝা দিন দিন মুশকিল ও কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে জানান অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ‘আসল ছবি দেখতে যেমন, এআই দিয়ে তৈরি ছবিও ঠিক একই রকম। দুটির মধ্যে পার্থক্য সামান্যই। সে কারণে এআই ভবিষ্যতে কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে, তার জন্য আমরা প্রস্তুত নই। এক্ষেত্রে কিছু আইন থাকা দরকার।’

সম্প্রতি এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড সামিট ২০২৬-এ অংশ নিয়ে ‘দ্য মেকিং অব আ মডার্ন স্টার’ বিষয়ে কথা বলেন কৃতি। সেখানেই এআই নিয়ে নিজের উদ্বেগের কথা তুলে ধরে তিনি।

গ্লামারাস লুকে কৃতি
গ্লামারাস লুকে কৃতি

সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামের কথা উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘ইনস্টাগ্রামে আমি যদি কোনো কিছু রিপোর্ট করতে চাই, সেখানে এমন কোনো বিকল্প নেই, যেখানে বলা যাবে এটি এআই দিয়ে তৈরি আমার ছবি। তাই এটি রিপোর্ট করে সরিয়ে দেওয়া উচিত। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা এখনো তত দ্রুত এগোতে পারছি না। সেজন্য এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে আইনও যুগোপযোগী করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি প্রযুক্তি ও নতুন উদ্ভাবনের পক্ষে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির সঙ্গে আইনকেও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

কৃতি বলেন, ‘এআই দিয়ে আসলে কী কী করা সম্ভব, তার জন্য আমরা কতটা প্রস্তুত, তা জানি না। ব্যক্তিগত অধিকারের ক্ষেত্রে বিষয়টি আমার কাছে খুবই ভীতিকর। অনলাইনে যা দেখা যায়, তা সত্যিই ভয় পাওয়ার মতো।’

‘এআই আমাকে ভয় দেখায়। আমার মনে হয়, অনেকেই এতে ভয় পান,’ যোগ করেন তিনি। তবে এটি একটি হাতিয়ার, গন্তব্য নয় বলে মনে করেন অভিনেত্রী।

গাউন পরা কৃতি
গাউন পরা কৃতি

তার ভাষায়, ‘এটি খুব ধারালো হাতিয়ারের মতো। আর হাতিয়ার যত ধারালো হয়, সেটি তত বিপজ্জনক হতে পারে।’

উল্লেখ্য, কৃতি শ্যানন ২০১৪ সালে তেলুগু চলচ্চিত্র ‘১: নেনোক্কাদিন’ দিয়ে বড়পর্দায় পা রাখেন। একই বছর ‘হিরোপন্তি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে অভিষেক ঘটে। এরপর থেকে তিনি একের পর এক সফল সিনেমা উপহার দিয়ে চলেছেন।

/জেএইচ/