পশ্চিম তীরে বড় সামরিক অভিযান শুরু ইসরায়েলের

পশ্চিম তীরে বড় সামরিক অভিযান শুরু ইসরায়েলের
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলে নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন বাকি। এ সময়ে দুজন সেনা নিহত হওয়ার পর অধিকৃত পশ্চিম তীরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। সামরিক বাহিনী ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, হেবরন এলাকায় সন্ত্রাসী অবকাঠামো শনাক্ত ও ধ্বংস করার জন্য তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সংঘর্ষের জায়গায় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হওয়া অবৈধ স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ সাঁড়াশি অভিযান আরও কয়েক দিন ধরে চলবে বলে জানিয়েছে সেনা কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোটে নিজের আসন টিকিয়ে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এক কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন। ভোটারদের নিরাপদ রাখার বার্তা দিয়ে তিনি ও তার ডানপন্থী সঙ্গীরা হামলার ঘটনাস্থলে যান এবং পশ্চিম তীরের সশস্ত্র তৎপরতার বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন।
নেতানিয়াহু জানান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজকে নিয়ে তারা জুডিয়া ও সামারিয়ায় ১৯৬৭ সালের পর সবচেয়ে ব্যাপক অভিযানের পরিকল্পনা করছেন। তিনি বলেন, প্রথম ধাপে আমাদের বাহিনী সন্ত্রাসীরা যে এলাকা থেকে এসেছে সেখানে ঢুকবে, বাসিন্দাদের সরিয়ে দেবে এবং সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস করবে। উত্তর পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরগুলোতে যে মডেল প্রয়োগ করা হয়েছিল, এখানেও সেটি ব্যবহার করা হবে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ওই অভিযানে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
অভিযানের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ। তিনি পশ্চিম তীরে ঠিক গাজার মতোই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন। অন্যদিকে জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির দাবি করেছেন, রামাল্লা-ভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই ভেঙে দিতে হবে। যদিও এ হামলার সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের যুক্ত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলের এ পদক্ষেপ নিয়ে চরম আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফিলিস্তিনিদের ওপর দেওয়া এ অবরোধের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সব পক্ষকে সহিংসতা থামানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। অন্যদিকে ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা বি'ৎসেলেম বিষয়টিকে যৌথ শাস্তির পরিকল্পনা এবং যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে এমন কর্মকাণ্ড উল্লেখ করে তা রুখতে আন্তর্জাতিক চাপের দাবি জানিয়েছে।
২০২৩ সালের গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পুরো পশ্চিম তীরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইসরায়েলি বাহিনী ও উগ্রপন্থী বসতি স্থাপনকারীদের হাতে অন্তত ১ হাজার ১১৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি সূত্রের মতে, একই সময়ে ফিলিস্তিনি হামলা ও সামরিক অভিযানে অন্তত ৫১ জন ইসরায়েলি প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্র: ডন

ইসরায়েলে নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন বাকি। এ সময়ে দুজন সেনা নিহত হওয়ার পর অধিকৃত পশ্চিম তীরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। সামরিক বাহিনী ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, হেবরন এলাকায় সন্ত্রাসী অবকাঠামো শনাক্ত ও ধ্বংস করার জন্য তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সংঘর্ষের জায়গায় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হওয়া অবৈধ স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ সাঁড়াশি অভিযান আরও কয়েক দিন ধরে চলবে বলে জানিয়েছে সেনা কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোটে নিজের আসন টিকিয়ে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এক কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন। ভোটারদের নিরাপদ রাখার বার্তা দিয়ে তিনি ও তার ডানপন্থী সঙ্গীরা হামলার ঘটনাস্থলে যান এবং পশ্চিম তীরের সশস্ত্র তৎপরতার বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন।
নেতানিয়াহু জানান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজকে নিয়ে তারা জুডিয়া ও সামারিয়ায় ১৯৬৭ সালের পর সবচেয়ে ব্যাপক অভিযানের পরিকল্পনা করছেন। তিনি বলেন, প্রথম ধাপে আমাদের বাহিনী সন্ত্রাসীরা যে এলাকা থেকে এসেছে সেখানে ঢুকবে, বাসিন্দাদের সরিয়ে দেবে এবং সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস করবে। উত্তর পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরগুলোতে যে মডেল প্রয়োগ করা হয়েছিল, এখানেও সেটি ব্যবহার করা হবে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ওই অভিযানে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
অভিযানের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ। তিনি পশ্চিম তীরে ঠিক গাজার মতোই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন। অন্যদিকে জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির দাবি করেছেন, রামাল্লা-ভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই ভেঙে দিতে হবে। যদিও এ হামলার সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের যুক্ত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলের এ পদক্ষেপ নিয়ে চরম আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফিলিস্তিনিদের ওপর দেওয়া এ অবরোধের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সব পক্ষকে সহিংসতা থামানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। অন্যদিকে ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা বি'ৎসেলেম বিষয়টিকে যৌথ শাস্তির পরিকল্পনা এবং যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে এমন কর্মকাণ্ড উল্লেখ করে তা রুখতে আন্তর্জাতিক চাপের দাবি জানিয়েছে।
২০২৩ সালের গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পুরো পশ্চিম তীরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইসরায়েলি বাহিনী ও উগ্রপন্থী বসতি স্থাপনকারীদের হাতে অন্তত ১ হাজার ১১৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি সূত্রের মতে, একই সময়ে ফিলিস্তিনি হামলা ও সামরিক অভিযানে অন্তত ৫১ জন ইসরায়েলি প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্র: ডন

পশ্চিম তীরে বড় সামরিক অভিযান শুরু ইসরায়েলের
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েলে নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন বাকি। এ সময়ে দুজন সেনা নিহত হওয়ার পর অধিকৃত পশ্চিম তীরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। সামরিক বাহিনী ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা শিন বেত এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, হেবরন এলাকায় সন্ত্রাসী অবকাঠামো শনাক্ত ও ধ্বংস করার জন্য তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সংঘর্ষের জায়গায় নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে হওয়া অবৈধ স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এ সাঁড়াশি অভিযান আরও কয়েক দিন ধরে চলবে বলে জানিয়েছে সেনা কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোটে নিজের আসন টিকিয়ে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এক কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হয়েছেন। ভোটারদের নিরাপদ রাখার বার্তা দিয়ে তিনি ও তার ডানপন্থী সঙ্গীরা হামলার ঘটনাস্থলে যান এবং পশ্চিম তীরের সশস্ত্র তৎপরতার বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন।
নেতানিয়াহু জানান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজকে নিয়ে তারা জুডিয়া ও সামারিয়ায় ১৯৬৭ সালের পর সবচেয়ে ব্যাপক অভিযানের পরিকল্পনা করছেন। তিনি বলেন, প্রথম ধাপে আমাদের বাহিনী সন্ত্রাসীরা যে এলাকা থেকে এসেছে সেখানে ঢুকবে, বাসিন্দাদের সরিয়ে দেবে এবং সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস করবে। উত্তর পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরগুলোতে যে মডেল প্রয়োগ করা হয়েছিল, এখানেও সেটি ব্যবহার করা হবে বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ওই অভিযানে হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছিল।
অভিযানের তীব্রতা আরও বাড়িয়ে দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোত্রিচ। তিনি পশ্চিম তীরে ঠিক গাজার মতোই সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন। অন্যদিকে জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির দাবি করেছেন, রামাল্লা-ভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই ভেঙে দিতে হবে। যদিও এ হামলার সঙ্গে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের যুক্ত থাকার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েলের এ পদক্ষেপ নিয়ে চরম আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফিলিস্তিনিদের ওপর দেওয়া এ অবরোধের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সব পক্ষকে সহিংসতা থামানোর আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। অন্যদিকে ইসরায়েলি মানবাধিকার সংস্থা বি'ৎসেলেম বিষয়টিকে যৌথ শাস্তির পরিকল্পনা এবং যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে এমন কর্মকাণ্ড উল্লেখ করে তা রুখতে আন্তর্জাতিক চাপের দাবি জানিয়েছে।
২০২৩ সালের গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই পুরো পশ্চিম তীরে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ইসরায়েলি বাহিনী ও উগ্রপন্থী বসতি স্থাপনকারীদের হাতে অন্তত ১ হাজার ১১৭ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি সূত্রের মতে, একই সময়ে ফিলিস্তিনি হামলা ও সামরিক অভিযানে অন্তত ৫১ জন ইসরায়েলি প্রাণ হারিয়েছেন।
সূত্র: ডন

দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত, পশ্চিম তীরে বড় সামরিক অভিযানের ঘোষণা নেতানিয়াহুর







