শিরোনাম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে: শিক্ষামন্ত্রী

সিটিজেন ডেস্ক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের চূড়ান্ত কর্মপরিকল্পনা আগামী ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) মন্ত্রিসভার বৈঠকে নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক।

রবিবার (৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার পর বিষয়টি মন্ত্রিসভায় যাবে এবং সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আপাতত সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাসের পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার মধ্যে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীরে (সরাসরি) পাঠদানের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, অনলাইনে ক্লাসের পরের দিন সশরীর ক্লাস হবে। তবে অনলাইনে ক্লাসের সময়ও শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকবে এবং সব ধরনের ব্যবহারিক ক্লাস সশরীরেই অনুষ্ঠিত হবে। মিশ্র ক্লাস পদ্ধতির মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত না করে জ্বালানি ও বিদ্যুতের ওপর চাপ কমানো।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অনলাইন ক্লাস কার্যকর করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী দরিদ্র পরিবারের হওয়ায় সবার পক্ষে অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হওয়া সম্ভব নয়। করোনাকালীন অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারা জানান, সে সময়ও অনেক শিক্ষার্থীকে অনলাইনের আওতার বাইরে ছিল। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সূত্রও এ বাস্তবতাকে স্বীকার করে জানিয়েছে, বিদ্যালয় খোলা রেখেই বিকল্প কোনো উপায়ে সমস্যার সমাধান করা যায় কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে মন্ত্রণালয়।

উল্লেখ্য, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ৪০ দিনের ছুটি শেষে গত ২৯ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। এরই মধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট প্রকট হওয়ায় সরকার সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করেছে। এর আগে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছিলেন, শিক্ষা কার্যক্রম সচল রেখে
ই প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

/এমএকে/