এখনো মন্থর পশুর হাট, কাল থেকে বাড়তে পারে ক্রেতা

এখনো মন্থর পশুর হাট, কাল থেকে বাড়তে পারে ক্রেতা
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে পশুর হাট। তবে এখনো ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় বিক্রেতারা অপেক্ষায় আছেন শেষ মুহূর্তের ভিড়ের। হাট জুড়ে গরু-ছাগলের সমাহার থাকলেও বেচাকেনা চলছে ধীরগতিতে। ব্যবসায়ীদের আশা, আগামীকাল থেকে ক্রেতা বাড়লে হাটে কেনা-বেচা জমে উঠবে।
রবিবার (২৪ মে) রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি, ১৬ ও ১৮ নাম্বার সেক্টর সংলগ্ন বউ বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর হাটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে হাটটি ঘুরে দেখা যায়, বিশাল এলাকা জুড়ে বাঁশ ও পলিথিন দিয়ে অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করা হয়েছে। তীব্র রোদ এবং বৃষ্টি থেকে পশুদের রক্ষা করতে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাটের ভেতরে গরুগুলোকে সারিবদ্ধভাবে বেঁধে রাখা হয়েছে। কিছু স্থানে গরু দাঁড়িয়ে আছে, আবার কোথাও পশুদের শান্ত হয়ে মাটিতে শুয়ে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে।
আরও দেখা যায়, বিক্রেতাদের অত্যন্ত যত্ন সহকারে পশুদের দেখভাল করতে দেখা গেছে। কেউ গরুকে খড় খাওয়াচ্ছেন, কেউ আবার গরুর গা পরিষ্কার করে দিচ্ছেন যাতে ক্রেতাদের নজরে পড়ে। হাটের ভেতরের কাঁচা রাস্তা ধরে দলে দলে ক্রেতারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তারা এক শেড থেকে অন্য শেডে গিয়ে গরুর জাত, স্বাস্থ্য এবং দাম যাচাই করছেন।
বিক্রেতাদের বক্তব্য
কুষ্টিয়া থেকে ছোট ও মাঝারি সাইজের ৩২ টা গরু নিয়ে এসেছেন মো. আল আমিন। তিনি বলেন, শুক্রবারে গরু নিয়ে এসেছি। এখনো একটাও বিক্রি করতে পারিনি। তবে আগামীকাল থেকে যদি আবহাওয়া ভালো থাকে, তাহলে বেচাকেনা ভালোভাবে শুরু হবে।
গরু নিয়ে আসতে পথে কোনো ধরনের চাঁদা দিতে হয়েছে কিনা, এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবার কোনো চাঁদা দেওয়া লাগেনি। তবে, অন্যান্যবার চাঁদা দেওয়া লাগছে বলে জানান তিনি।
মো. মোশাররফ হোসেন নামের আরেকজন খামারি বলেন, এবার বড় সাইজের মোট ১৪টা গরু নিয়ে এসেছি। ইতোমধ্যে ২টা গরু বিক্রি করেছি। তার আশা, আগামীকাল থেকে বেচাকেনা বাড়বে। এবার গরু নিয়ে আসার সময় কোনো চাঁদা দেওয়া লাগেনি বলেও জানায় সে।
ছাগল-ভেড়া বিক্রেতা শামসুল আলম জানান, এবার অনেকগুলো ছাগল-ভেড়া নিয়ে এসেছেন। তবে, এখন পর্যন্ত মাত্র ৫টি ছাগল ও ২ টি ভেড়া বিক্রি করতে পেরেছেন। তার মতে, আগামীকাল থেকে হাটে বেচাকেনা বাড়বে।
ক্রেতারা যা বলছেন
হাট থেকে ২ লাখ টাকা দিয়ে একটি মাঝারি সাইজের গরু কিনেছেন মোতালেব মিয়া। তার মতে, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম বেশি। তিনি বলেন, গতবার মাঝারি সাইজের গরু কিনেছি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে। এবার ২ লাখ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে।
মো. তাজ নামের আরেকজন ক্রেতা বলেন, গরুর দাম তুলনামূলক কিছুটা বেশি। ১ লাখ টাকার গরু এখন ১ লাখ ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দাম চাচ্ছে।
এদিকে আমানুল্লাহ নামের একজন ক্রেতা ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে ২টা ছাগল কিনেছেন। তিনি জানান, প্রথমে গরু কেনার টার্গেট ছিল। কিন্তু, গরুর দাম বেশি হওয়ায় দুটো ছাগল কিনেছেন।

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে পশুর হাট। তবে এখনো ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় বিক্রেতারা অপেক্ষায় আছেন শেষ মুহূর্তের ভিড়ের। হাট জুড়ে গরু-ছাগলের সমাহার থাকলেও বেচাকেনা চলছে ধীরগতিতে। ব্যবসায়ীদের আশা, আগামীকাল থেকে ক্রেতা বাড়লে হাটে কেনা-বেচা জমে উঠবে।
রবিবার (২৪ মে) রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি, ১৬ ও ১৮ নাম্বার সেক্টর সংলগ্ন বউ বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর হাটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে হাটটি ঘুরে দেখা যায়, বিশাল এলাকা জুড়ে বাঁশ ও পলিথিন দিয়ে অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করা হয়েছে। তীব্র রোদ এবং বৃষ্টি থেকে পশুদের রক্ষা করতে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাটের ভেতরে গরুগুলোকে সারিবদ্ধভাবে বেঁধে রাখা হয়েছে। কিছু স্থানে গরু দাঁড়িয়ে আছে, আবার কোথাও পশুদের শান্ত হয়ে মাটিতে শুয়ে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে।
আরও দেখা যায়, বিক্রেতাদের অত্যন্ত যত্ন সহকারে পশুদের দেখভাল করতে দেখা গেছে। কেউ গরুকে খড় খাওয়াচ্ছেন, কেউ আবার গরুর গা পরিষ্কার করে দিচ্ছেন যাতে ক্রেতাদের নজরে পড়ে। হাটের ভেতরের কাঁচা রাস্তা ধরে দলে দলে ক্রেতারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তারা এক শেড থেকে অন্য শেডে গিয়ে গরুর জাত, স্বাস্থ্য এবং দাম যাচাই করছেন।
বিক্রেতাদের বক্তব্য
কুষ্টিয়া থেকে ছোট ও মাঝারি সাইজের ৩২ টা গরু নিয়ে এসেছেন মো. আল আমিন। তিনি বলেন, শুক্রবারে গরু নিয়ে এসেছি। এখনো একটাও বিক্রি করতে পারিনি। তবে আগামীকাল থেকে যদি আবহাওয়া ভালো থাকে, তাহলে বেচাকেনা ভালোভাবে শুরু হবে।
গরু নিয়ে আসতে পথে কোনো ধরনের চাঁদা দিতে হয়েছে কিনা, এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবার কোনো চাঁদা দেওয়া লাগেনি। তবে, অন্যান্যবার চাঁদা দেওয়া লাগছে বলে জানান তিনি।
মো. মোশাররফ হোসেন নামের আরেকজন খামারি বলেন, এবার বড় সাইজের মোট ১৪টা গরু নিয়ে এসেছি। ইতোমধ্যে ২টা গরু বিক্রি করেছি। তার আশা, আগামীকাল থেকে বেচাকেনা বাড়বে। এবার গরু নিয়ে আসার সময় কোনো চাঁদা দেওয়া লাগেনি বলেও জানায় সে।
ছাগল-ভেড়া বিক্রেতা শামসুল আলম জানান, এবার অনেকগুলো ছাগল-ভেড়া নিয়ে এসেছেন। তবে, এখন পর্যন্ত মাত্র ৫টি ছাগল ও ২ টি ভেড়া বিক্রি করতে পেরেছেন। তার মতে, আগামীকাল থেকে হাটে বেচাকেনা বাড়বে।
ক্রেতারা যা বলছেন
হাট থেকে ২ লাখ টাকা দিয়ে একটি মাঝারি সাইজের গরু কিনেছেন মোতালেব মিয়া। তার মতে, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম বেশি। তিনি বলেন, গতবার মাঝারি সাইজের গরু কিনেছি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে। এবার ২ লাখ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে।
মো. তাজ নামের আরেকজন ক্রেতা বলেন, গরুর দাম তুলনামূলক কিছুটা বেশি। ১ লাখ টাকার গরু এখন ১ লাখ ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দাম চাচ্ছে।
এদিকে আমানুল্লাহ নামের একজন ক্রেতা ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে ২টা ছাগল কিনেছেন। তিনি জানান, প্রথমে গরু কেনার টার্গেট ছিল। কিন্তু, গরুর দাম বেশি হওয়ায় দুটো ছাগল কিনেছেন।

এখনো মন্থর পশুর হাট, কাল থেকে বাড়তে পারে ক্রেতা
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে পশুর হাট। তবে এখনো ক্রেতার উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় বিক্রেতারা অপেক্ষায় আছেন শেষ মুহূর্তের ভিড়ের। হাট জুড়ে গরু-ছাগলের সমাহার থাকলেও বেচাকেনা চলছে ধীরগতিতে। ব্যবসায়ীদের আশা, আগামীকাল থেকে ক্রেতা বাড়লে হাটে কেনা-বেচা জমে উঠবে।
রবিবার (২৪ মে) রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি, ১৬ ও ১৮ নাম্বার সেক্টর সংলগ্ন বউ বাজার এলাকায় কোরবানির পশুর হাটে গিয়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে হাটটি ঘুরে দেখা যায়, বিশাল এলাকা জুড়ে বাঁশ ও পলিথিন দিয়ে অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করা হয়েছে। তীব্র রোদ এবং বৃষ্টি থেকে পশুদের রক্ষা করতে এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাটের ভেতরে গরুগুলোকে সারিবদ্ধভাবে বেঁধে রাখা হয়েছে। কিছু স্থানে গরু দাঁড়িয়ে আছে, আবার কোথাও পশুদের শান্ত হয়ে মাটিতে শুয়ে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে।
আরও দেখা যায়, বিক্রেতাদের অত্যন্ত যত্ন সহকারে পশুদের দেখভাল করতে দেখা গেছে। কেউ গরুকে খড় খাওয়াচ্ছেন, কেউ আবার গরুর গা পরিষ্কার করে দিচ্ছেন যাতে ক্রেতাদের নজরে পড়ে। হাটের ভেতরের কাঁচা রাস্তা ধরে দলে দলে ক্রেতারা ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তারা এক শেড থেকে অন্য শেডে গিয়ে গরুর জাত, স্বাস্থ্য এবং দাম যাচাই করছেন।
বিক্রেতাদের বক্তব্য
কুষ্টিয়া থেকে ছোট ও মাঝারি সাইজের ৩২ টা গরু নিয়ে এসেছেন মো. আল আমিন। তিনি বলেন, শুক্রবারে গরু নিয়ে এসেছি। এখনো একটাও বিক্রি করতে পারিনি। তবে আগামীকাল থেকে যদি আবহাওয়া ভালো থাকে, তাহলে বেচাকেনা ভালোভাবে শুরু হবে।
গরু নিয়ে আসতে পথে কোনো ধরনের চাঁদা দিতে হয়েছে কিনা, এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এবার কোনো চাঁদা দেওয়া লাগেনি। তবে, অন্যান্যবার চাঁদা দেওয়া লাগছে বলে জানান তিনি।
মো. মোশাররফ হোসেন নামের আরেকজন খামারি বলেন, এবার বড় সাইজের মোট ১৪টা গরু নিয়ে এসেছি। ইতোমধ্যে ২টা গরু বিক্রি করেছি। তার আশা, আগামীকাল থেকে বেচাকেনা বাড়বে। এবার গরু নিয়ে আসার সময় কোনো চাঁদা দেওয়া লাগেনি বলেও জানায় সে।
ছাগল-ভেড়া বিক্রেতা শামসুল আলম জানান, এবার অনেকগুলো ছাগল-ভেড়া নিয়ে এসেছেন। তবে, এখন পর্যন্ত মাত্র ৫টি ছাগল ও ২ টি ভেড়া বিক্রি করতে পেরেছেন। তার মতে, আগামীকাল থেকে হাটে বেচাকেনা বাড়বে।
ক্রেতারা যা বলছেন
হাট থেকে ২ লাখ টাকা দিয়ে একটি মাঝারি সাইজের গরু কিনেছেন মোতালেব মিয়া। তার মতে, গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম বেশি। তিনি বলেন, গতবার মাঝারি সাইজের গরু কিনেছি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে। এবার ২ লাখ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে।
মো. তাজ নামের আরেকজন ক্রেতা বলেন, গরুর দাম তুলনামূলক কিছুটা বেশি। ১ লাখ টাকার গরু এখন ১ লাখ ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা দাম চাচ্ছে।
এদিকে আমানুল্লাহ নামের একজন ক্রেতা ৩৩ হাজার টাকা দিয়ে ২টা ছাগল কিনেছেন। তিনি জানান, প্রথমে গরু কেনার টার্গেট ছিল। কিন্তু, গরুর দাম বেশি হওয়ায় দুটো ছাগল কিনেছেন।




