শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ

শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ
বিশেষ প্রতিনিধি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। এই টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়। গত সোমবার ও মঙ্গলবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৈঠকে অংশ নেন জাপানি কনসোর্টিয়াম প্রতিনিধিসহ প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে। এরপর টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হতে আরও ছয় মাস সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে। তবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত এই টার্মিনালে বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য বাড়বে ব্যয়ের বোঝা। টিকিট প্রতি অতিরিক্ত এক হাজার টাকা গুনতে হতে পারে তাদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একইসঙ্গে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমেও আসছে কাঠামোগত পরিবর্তন, যেখানে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার একক নিয়ন্ত্রণ আর থাকছে না।
জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আলোচনায় সংশোধিত ও কম খরচের প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে আসে ।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কনসোর্টিয়াম সার্ভিস চার্জ, অপারেশনাল কন্ট্রোল এবং রাজস্ব ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিষয়ে আর্থিক প্রস্তাব পুনঃসমন্বয়ের মাধ্যমে ঢাকার উদ্বেগ দূর করেছে।
তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজ ৯৯ শতাংশেরও বেশি সম্পন্ন হলেও ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান না হওয়ায় অনেক দিন ধরে এটি অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে আলোচনা পুনরায় শুরু করার নির্দেশ দেন। এতে বাস্তবসম্মত ও ফলাফলমুখী সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
এই নির্দেশনার ফলে ১৩ মার্চ অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অগ্রগতি আসে। বৈঠকটি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানি পক্ষকে সংশোধিত প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ জানায়।
জাপানি কনসোর্টিয়াম- জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো কর্পোরেশন, সোজিঞ্জ কর্পোরেশন এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট কর্পোরেশন-ইতোমধ্যে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এতে মূল্য কমানো হয়েছে এবং এর ফলে উল্লেখযোগ্য হারে পার্থক্য কমেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন প্রস্তাবে অধিক নমনীয়তা প্রতিফলিত হয়েছে এবং একটি উইন উইন' চুক্তির পথে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। টার্মিনাল প্রকল্পটিতে মূলত জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) অর্থায়ন করেছে এবং এটি আনুমানিক ২১হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে।
প্রায় ৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই টার্মিনালটি প্রতি বছর অতিরিক্ত ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ যাত্রী এবং কার্গো বিমান ব্যবস্থাপনার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে।
বেবিচনের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা শুধু ঢাকার বিমানবন্দরের চাপ কমানোর জন্যই নয়, বরং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক বিমান ও লজিস্টিকস কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। এই টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়। গত সোমবার ও মঙ্গলবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৈঠকে অংশ নেন জাপানি কনসোর্টিয়াম প্রতিনিধিসহ প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে। এরপর টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হতে আরও ছয় মাস সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে। তবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত এই টার্মিনালে বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য বাড়বে ব্যয়ের বোঝা। টিকিট প্রতি অতিরিক্ত এক হাজার টাকা গুনতে হতে পারে তাদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একইসঙ্গে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমেও আসছে কাঠামোগত পরিবর্তন, যেখানে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার একক নিয়ন্ত্রণ আর থাকছে না।
জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আলোচনায় সংশোধিত ও কম খরচের প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে আসে ।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কনসোর্টিয়াম সার্ভিস চার্জ, অপারেশনাল কন্ট্রোল এবং রাজস্ব ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিষয়ে আর্থিক প্রস্তাব পুনঃসমন্বয়ের মাধ্যমে ঢাকার উদ্বেগ দূর করেছে।
তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজ ৯৯ শতাংশেরও বেশি সম্পন্ন হলেও ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান না হওয়ায় অনেক দিন ধরে এটি অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে আলোচনা পুনরায় শুরু করার নির্দেশ দেন। এতে বাস্তবসম্মত ও ফলাফলমুখী সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
এই নির্দেশনার ফলে ১৩ মার্চ অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অগ্রগতি আসে। বৈঠকটি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানি পক্ষকে সংশোধিত প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ জানায়।
জাপানি কনসোর্টিয়াম- জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো কর্পোরেশন, সোজিঞ্জ কর্পোরেশন এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট কর্পোরেশন-ইতোমধ্যে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এতে মূল্য কমানো হয়েছে এবং এর ফলে উল্লেখযোগ্য হারে পার্থক্য কমেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন প্রস্তাবে অধিক নমনীয়তা প্রতিফলিত হয়েছে এবং একটি উইন উইন' চুক্তির পথে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। টার্মিনাল প্রকল্পটিতে মূলত জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) অর্থায়ন করেছে এবং এটি আনুমানিক ২১হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে।
প্রায় ৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই টার্মিনালটি প্রতি বছর অতিরিক্ত ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ যাত্রী এবং কার্গো বিমান ব্যবস্থাপনার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে।
বেবিচনের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা শুধু ঢাকার বিমানবন্দরের চাপ কমানোর জন্যই নয়, বরং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক বিমান ও লজিস্টিকস কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ
বিশেষ প্রতিনিধি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হতে যাচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। এই টার্মিনাল পরিচালনার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৩টার পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এই ত্রিপক্ষীয় বৈঠক শুরু হয়। গত সোমবার ও মঙ্গলবার বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর দ্বিতীয় উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বৈঠকে অংশ নেন জাপানি কনসোর্টিয়াম প্রতিনিধিসহ প্রধানমন্ত্রীর বেসামরিক বিমান বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, বিমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগবে। এরপর টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হতে আরও ছয় মাস সময় লাগতে পারে বলে জানা গেছে। তবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত এই টার্মিনালে বিদেশগামী যাত্রীদের জন্য বাড়বে ব্যয়ের বোঝা। টিকিট প্রতি অতিরিক্ত এক হাজার টাকা গুনতে হতে পারে তাদের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, একইসঙ্গে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং কার্যক্রমেও আসছে কাঠামোগত পরিবর্তন, যেখানে রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার একক নিয়ন্ত্রণ আর থাকছে না।
জাপানি কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে আলোচনায় সংশোধিত ও কম খরচের প্রস্তাব জমা দেওয়ার পর টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে চুক্তির বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে আসে ।
বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কনসোর্টিয়াম সার্ভিস চার্জ, অপারেশনাল কন্ট্রোল এবং রাজস্ব ভাগাভাগি সংক্রান্ত বিষয়ে আর্থিক প্রস্তাব পুনঃসমন্বয়ের মাধ্যমে ঢাকার উদ্বেগ দূর করেছে।
তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজ ৯৯ শতাংশেরও বেশি সম্পন্ন হলেও ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান না হওয়ায় অনেক দিন ধরে এটি অচল অবস্থায় পড়ে রয়েছে।
নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে আলোচনা পুনরায় শুরু করার নির্দেশ দেন। এতে বাস্তবসম্মত ও ফলাফলমুখী সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
এই নির্দেশনার ফলে ১৩ মার্চ অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অগ্রগতি আসে। বৈঠকটি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানি পক্ষকে সংশোধিত প্রস্তাব দেওয়ার অনুরোধ জানায়।
জাপানি কনসোর্টিয়াম- জাপান এয়ারপোর্ট টার্মিনাল কোম্পানি, সুমিতোমো কর্পোরেশন, সোজিঞ্জ কর্পোরেশন এবং নারিতা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট কর্পোরেশন-ইতোমধ্যে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দিয়েছে। এতে মূল্য কমানো হয়েছে এবং এর ফলে উল্লেখযোগ্য হারে পার্থক্য কমেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন প্রস্তাবে অধিক নমনীয়তা প্রতিফলিত হয়েছে এবং একটি উইন উইন' চুক্তির পথে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। টার্মিনাল প্রকল্পটিতে মূলত জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা) অর্থায়ন করেছে এবং এটি আনুমানিক ২১হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে।
প্রায় ৫ লাখ ৪২ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই টার্মিনালটি প্রতি বছর অতিরিক্ত ১ কোটি ২০ লাখ থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ যাত্রী এবং কার্গো বিমান ব্যবস্থাপনার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে।
বেবিচনের সাবেক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান বলেন, তৃতীয় টার্মিনাল চালু করা শুধু ঢাকার বিমানবন্দরের চাপ কমানোর জন্যই নয়, বরং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক বিমান ও লজিস্টিকস কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।




