বাদামতলীর ফলবাজারে উত্তাপ, নাগালের মধ্যে দেশি ফল

বাদামতলীর ফলবাজারে উত্তাপ, নাগালের মধ্যে দেশি ফল
নিজস্ব প্রতিবেদক

এখন পবিত্র ঈদ বা উৎসবের সময় নয়, তবুও রাজধানীর বাদামতলী ফলবাজারে ক্রেতাদের ভিড় কমছে না। তবে ফল কিনতে এসে অনেকেই পড়ছেন দামের চাপে। দেশি-বিদেশি নানা ফলের সমারোহ থাকলেও বেশ কিছু ফলের দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। বিশেষ করে আমদানি করা বিভিন্ন জাতের খেজুর ও দেশী ফলের দামের পার্থক্য চোখে পড়ার মতো।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বাদামতলী ফলবাজার ঘুরে দেখা যায়, আপেল, আনার, ড্রাগন, বিভিন্ন জাতের খেজুর, মাল্টা, পেয়ারা, আনারস, আম ও আঙুরসহ নানা ধরনের ফল বিক্রি হচ্ছে। দেশি ফলের তুলনায় বিদেশি ফলের দাম তুলনামূলক বেশি হলেও ক্রেতাদের একটি অংশ স্বাদ ও বৈচিত্র্যের জন্য এসব ফল কিনছেন।
বাজারে প্রতি কেজি আপেল ২৬০ টাকা, আনার ২৫০ টাকা, ড্রাগন ফল ১০০ টাকা, মাল্টা ২৩০ টাকা, আঙুর ৩০০ টাকা, পেয়ারা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আম ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
আনারসের ক্ষেত্রে আকারভেদে রয়েছে বড় ধরনের দামের পার্থক্য। বড় আনারস ৭০ টাকা এবং ছোট আনারস ৩০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ফলে কম বাজেটের ক্রেতারাও আনারস কিনতে পারছেন।

তবে বাজারে সবচেয়ে বেশি দামের ফলের তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন জাতের খেজুর। আজোয়া খেজুরের দাম মানভেদে কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, মেডজুল খেজুর ৬ হাজার ৮০০ টাকা, সুক্কারি খেজুর ১ হাজার ৮০০ টাকা ও কালমি খেজুর ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ঘুরতে আসা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফলের দাম নিয়ে তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, কয়েকটি দেশি ফলের দাম তুলনামূলক সহনীয় থাকলেও বিদেশি ফল ও উন্নত জাতের খেজুরের দাম বেশি। আবার অনেকে প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প পরিমাণে ফল কিনে বাড়ি ফিরছেন।
রাকিবুল ইসলাম নামে একজন ক্রেতা বলেন, বাজারে ফলের অনেক বৈচিত্র্য আছে। তবে সব ফল সাধারণ মানুষের কেনার মতো দামের মধ্যে নেই। আপেল, মাল্টা, পেয়ারা বা আনারসের মতো ফল তুলনামূলকভাবে কেনা যায়। কিন্তু দামি খেজুর বা কিছু বিদেশি ফল কিনতে গেলে বাজেট অনেক বেড়ে যায়।
আকতার হোসেন নামে আরেকজন ক্রেতা বলেন, পরিবারের জন্য ফল কিনতে এসেছি। একসঙ্গে অনেক ধরনের ফল কেনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই দাম দেখে প্রয়োজনীয় কয়েকটি ফল বেছে নিচ্ছি। দেশি ফলের দাম তুলনামূলক কম থাকায় সেগুলোই বেশি নেওয়ার চেষ্টা করছি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ফলের দাম নির্ধারণে আমদানি খরচ, পরিবহন ব্যয়, ফলের মান ও সরবরাহ পরিস্থিতির প্রভাব রয়েছে। আমদানি করা ফলের ক্ষেত্রে ডলার, পরিবহন ও অন্যান্য খরচের কারণে দামের পার্থক্য তৈরি হয়। একই ফলের ক্ষেত্রেও আকার, মান ও উৎপত্তিস্থল অনুযায়ী দাম কমবেশি হয়।
হাবিবুর রহমান নামে এক ফল বিক্রেতা বলেন, সব ফলের দাম এক নয়। যে ফলের সরবরাহ বেশি, সেটার দাম তুলনামূলক কম থাকে। আবার বিদেশি ফল আনতে খরচ বেশি হওয়ায় সেগুলোর দামও বেশি পড়ে। আমরা আড়ত থেকে যে দামে কিনি, তার সঙ্গে অন্যান্য খরচ যোগ করেই বিক্রি করতে হয়।
মো. সেলিম নামে আরেক বিক্রেতা বলেন, ক্রেতারা এখন দাম যাচাই করে ফল কিনছেন। অনেকে এক কেজি না নিয়ে আধা কেজি বা কম পরিমাণে নিচ্ছেন। দেশি ফলের বিক্রি ভালো, কারণ এগুলোর দাম অনেকের নাগালের মধ্যে। তবে বিশেষ কিছু ফলের ক্রেতাও আছে।
বাদামতলী দেশের অন্যতম বড় ফলের পাইকারি বাজার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার খুচরা বিক্রেতারা এখান থেকে ফল সংগ্রহ করেন। ফলে এই বাজারের পাইকারি দামের ওপর ঢাকার বিভিন্ন এলাকার খুচরা বাজারের দামও অনেকাংশে নির্ভর করে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, একই সময়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য যেমন তুলনামূলক কম দামের ফল রয়েছে, তেমনি উচ্চমূল্যের ফলেরও বড় বাজার রয়েছে। ৫০-৬০ টাকা কেজির পেয়ারা থেকে শুরু করে কয়েক হাজার টাকা কেজির খেজুর পর্যন্ত সব ধরনের পণ্যের উপস্থিতি বাজারটির বৈচিত্র্য তুলে ধরে।
তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ফলের দাম কেন বাড়ছে বা কোন ফলের দাম কত হওয়া উচিত, সে বিষয়ে অনেক সময় স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। ফলে দোকানভেদে দামের পার্থক্যও দেখা যায়। ফলের মান ও দামের বিষয়ে বিক্রেতাদের কাছ থেকে পরিষ্কার তথ্য পাওয়া গেলে কেনাকাটায় সুবিধা হবে।

এখন পবিত্র ঈদ বা উৎসবের সময় নয়, তবুও রাজধানীর বাদামতলী ফলবাজারে ক্রেতাদের ভিড় কমছে না। তবে ফল কিনতে এসে অনেকেই পড়ছেন দামের চাপে। দেশি-বিদেশি নানা ফলের সমারোহ থাকলেও বেশ কিছু ফলের দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। বিশেষ করে আমদানি করা বিভিন্ন জাতের খেজুর ও দেশী ফলের দামের পার্থক্য চোখে পড়ার মতো।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বাদামতলী ফলবাজার ঘুরে দেখা যায়, আপেল, আনার, ড্রাগন, বিভিন্ন জাতের খেজুর, মাল্টা, পেয়ারা, আনারস, আম ও আঙুরসহ নানা ধরনের ফল বিক্রি হচ্ছে। দেশি ফলের তুলনায় বিদেশি ফলের দাম তুলনামূলক বেশি হলেও ক্রেতাদের একটি অংশ স্বাদ ও বৈচিত্র্যের জন্য এসব ফল কিনছেন।
বাজারে প্রতি কেজি আপেল ২৬০ টাকা, আনার ২৫০ টাকা, ড্রাগন ফল ১০০ টাকা, মাল্টা ২৩০ টাকা, আঙুর ৩০০ টাকা, পেয়ারা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আম ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
আনারসের ক্ষেত্রে আকারভেদে রয়েছে বড় ধরনের দামের পার্থক্য। বড় আনারস ৭০ টাকা এবং ছোট আনারস ৩০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ফলে কম বাজেটের ক্রেতারাও আনারস কিনতে পারছেন।

তবে বাজারে সবচেয়ে বেশি দামের ফলের তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন জাতের খেজুর। আজোয়া খেজুরের দাম মানভেদে কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, মেডজুল খেজুর ৬ হাজার ৮০০ টাকা, সুক্কারি খেজুর ১ হাজার ৮০০ টাকা ও কালমি খেজুর ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ঘুরতে আসা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফলের দাম নিয়ে তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, কয়েকটি দেশি ফলের দাম তুলনামূলক সহনীয় থাকলেও বিদেশি ফল ও উন্নত জাতের খেজুরের দাম বেশি। আবার অনেকে প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প পরিমাণে ফল কিনে বাড়ি ফিরছেন।
রাকিবুল ইসলাম নামে একজন ক্রেতা বলেন, বাজারে ফলের অনেক বৈচিত্র্য আছে। তবে সব ফল সাধারণ মানুষের কেনার মতো দামের মধ্যে নেই। আপেল, মাল্টা, পেয়ারা বা আনারসের মতো ফল তুলনামূলকভাবে কেনা যায়। কিন্তু দামি খেজুর বা কিছু বিদেশি ফল কিনতে গেলে বাজেট অনেক বেড়ে যায়।
আকতার হোসেন নামে আরেকজন ক্রেতা বলেন, পরিবারের জন্য ফল কিনতে এসেছি। একসঙ্গে অনেক ধরনের ফল কেনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই দাম দেখে প্রয়োজনীয় কয়েকটি ফল বেছে নিচ্ছি। দেশি ফলের দাম তুলনামূলক কম থাকায় সেগুলোই বেশি নেওয়ার চেষ্টা করছি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ফলের দাম নির্ধারণে আমদানি খরচ, পরিবহন ব্যয়, ফলের মান ও সরবরাহ পরিস্থিতির প্রভাব রয়েছে। আমদানি করা ফলের ক্ষেত্রে ডলার, পরিবহন ও অন্যান্য খরচের কারণে দামের পার্থক্য তৈরি হয়। একই ফলের ক্ষেত্রেও আকার, মান ও উৎপত্তিস্থল অনুযায়ী দাম কমবেশি হয়।
হাবিবুর রহমান নামে এক ফল বিক্রেতা বলেন, সব ফলের দাম এক নয়। যে ফলের সরবরাহ বেশি, সেটার দাম তুলনামূলক কম থাকে। আবার বিদেশি ফল আনতে খরচ বেশি হওয়ায় সেগুলোর দামও বেশি পড়ে। আমরা আড়ত থেকে যে দামে কিনি, তার সঙ্গে অন্যান্য খরচ যোগ করেই বিক্রি করতে হয়।
মো. সেলিম নামে আরেক বিক্রেতা বলেন, ক্রেতারা এখন দাম যাচাই করে ফল কিনছেন। অনেকে এক কেজি না নিয়ে আধা কেজি বা কম পরিমাণে নিচ্ছেন। দেশি ফলের বিক্রি ভালো, কারণ এগুলোর দাম অনেকের নাগালের মধ্যে। তবে বিশেষ কিছু ফলের ক্রেতাও আছে।
বাদামতলী দেশের অন্যতম বড় ফলের পাইকারি বাজার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার খুচরা বিক্রেতারা এখান থেকে ফল সংগ্রহ করেন। ফলে এই বাজারের পাইকারি দামের ওপর ঢাকার বিভিন্ন এলাকার খুচরা বাজারের দামও অনেকাংশে নির্ভর করে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, একই সময়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য যেমন তুলনামূলক কম দামের ফল রয়েছে, তেমনি উচ্চমূল্যের ফলেরও বড় বাজার রয়েছে। ৫০-৬০ টাকা কেজির পেয়ারা থেকে শুরু করে কয়েক হাজার টাকা কেজির খেজুর পর্যন্ত সব ধরনের পণ্যের উপস্থিতি বাজারটির বৈচিত্র্য তুলে ধরে।
তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ফলের দাম কেন বাড়ছে বা কোন ফলের দাম কত হওয়া উচিত, সে বিষয়ে অনেক সময় স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। ফলে দোকানভেদে দামের পার্থক্যও দেখা যায়। ফলের মান ও দামের বিষয়ে বিক্রেতাদের কাছ থেকে পরিষ্কার তথ্য পাওয়া গেলে কেনাকাটায় সুবিধা হবে।

বাদামতলীর ফলবাজারে উত্তাপ, নাগালের মধ্যে দেশি ফল
নিজস্ব প্রতিবেদক

এখন পবিত্র ঈদ বা উৎসবের সময় নয়, তবুও রাজধানীর বাদামতলী ফলবাজারে ক্রেতাদের ভিড় কমছে না। তবে ফল কিনতে এসে অনেকেই পড়ছেন দামের চাপে। দেশি-বিদেশি নানা ফলের সমারোহ থাকলেও বেশ কিছু ফলের দাম সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে। বিশেষ করে আমদানি করা বিভিন্ন জাতের খেজুর ও দেশী ফলের দামের পার্থক্য চোখে পড়ার মতো।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বাদামতলী ফলবাজার ঘুরে দেখা যায়, আপেল, আনার, ড্রাগন, বিভিন্ন জাতের খেজুর, মাল্টা, পেয়ারা, আনারস, আম ও আঙুরসহ নানা ধরনের ফল বিক্রি হচ্ছে। দেশি ফলের তুলনায় বিদেশি ফলের দাম তুলনামূলক বেশি হলেও ক্রেতাদের একটি অংশ স্বাদ ও বৈচিত্র্যের জন্য এসব ফল কিনছেন।
বাজারে প্রতি কেজি আপেল ২৬০ টাকা, আনার ২৫০ টাকা, ড্রাগন ফল ১০০ টাকা, মাল্টা ২৩০ টাকা, আঙুর ৩০০ টাকা, পেয়ারা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, আম ৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
আনারসের ক্ষেত্রে আকারভেদে রয়েছে বড় ধরনের দামের পার্থক্য। বড় আনারস ৭০ টাকা এবং ছোট আনারস ৩০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। ফলে কম বাজেটের ক্রেতারাও আনারস কিনতে পারছেন।

তবে বাজারে সবচেয়ে বেশি দামের ফলের তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন জাতের খেজুর। আজোয়া খেজুরের দাম মানভেদে কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা, মেডজুল খেজুর ৬ হাজার ৮০০ টাকা, সুক্কারি খেজুর ১ হাজার ৮০০ টাকা ও কালমি খেজুর ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে ঘুরতে আসা ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফলের দাম নিয়ে তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, কয়েকটি দেশি ফলের দাম তুলনামূলক সহনীয় থাকলেও বিদেশি ফল ও উন্নত জাতের খেজুরের দাম বেশি। আবার অনেকে প্রয়োজন অনুযায়ী অল্প পরিমাণে ফল কিনে বাড়ি ফিরছেন।
রাকিবুল ইসলাম নামে একজন ক্রেতা বলেন, বাজারে ফলের অনেক বৈচিত্র্য আছে। তবে সব ফল সাধারণ মানুষের কেনার মতো দামের মধ্যে নেই। আপেল, মাল্টা, পেয়ারা বা আনারসের মতো ফল তুলনামূলকভাবে কেনা যায়। কিন্তু দামি খেজুর বা কিছু বিদেশি ফল কিনতে গেলে বাজেট অনেক বেড়ে যায়।
আকতার হোসেন নামে আরেকজন ক্রেতা বলেন, পরিবারের জন্য ফল কিনতে এসেছি। একসঙ্গে অনেক ধরনের ফল কেনা সম্ভব হচ্ছে না। তাই দাম দেখে প্রয়োজনীয় কয়েকটি ফল বেছে নিচ্ছি। দেশি ফলের দাম তুলনামূলক কম থাকায় সেগুলোই বেশি নেওয়ার চেষ্টা করছি।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, ফলের দাম নির্ধারণে আমদানি খরচ, পরিবহন ব্যয়, ফলের মান ও সরবরাহ পরিস্থিতির প্রভাব রয়েছে। আমদানি করা ফলের ক্ষেত্রে ডলার, পরিবহন ও অন্যান্য খরচের কারণে দামের পার্থক্য তৈরি হয়। একই ফলের ক্ষেত্রেও আকার, মান ও উৎপত্তিস্থল অনুযায়ী দাম কমবেশি হয়।
হাবিবুর রহমান নামে এক ফল বিক্রেতা বলেন, সব ফলের দাম এক নয়। যে ফলের সরবরাহ বেশি, সেটার দাম তুলনামূলক কম থাকে। আবার বিদেশি ফল আনতে খরচ বেশি হওয়ায় সেগুলোর দামও বেশি পড়ে। আমরা আড়ত থেকে যে দামে কিনি, তার সঙ্গে অন্যান্য খরচ যোগ করেই বিক্রি করতে হয়।
মো. সেলিম নামে আরেক বিক্রেতা বলেন, ক্রেতারা এখন দাম যাচাই করে ফল কিনছেন। অনেকে এক কেজি না নিয়ে আধা কেজি বা কম পরিমাণে নিচ্ছেন। দেশি ফলের বিক্রি ভালো, কারণ এগুলোর দাম অনেকের নাগালের মধ্যে। তবে বিশেষ কিছু ফলের ক্রেতাও আছে।
বাদামতলী দেশের অন্যতম বড় ফলের পাইকারি বাজার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পরিচিত। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার খুচরা বিক্রেতারা এখান থেকে ফল সংগ্রহ করেন। ফলে এই বাজারের পাইকারি দামের ওপর ঢাকার বিভিন্ন এলাকার খুচরা বাজারের দামও অনেকাংশে নির্ভর করে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, একই সময়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের জন্য যেমন তুলনামূলক কম দামের ফল রয়েছে, তেমনি উচ্চমূল্যের ফলেরও বড় বাজার রয়েছে। ৫০-৬০ টাকা কেজির পেয়ারা থেকে শুরু করে কয়েক হাজার টাকা কেজির খেজুর পর্যন্ত সব ধরনের পণ্যের উপস্থিতি বাজারটির বৈচিত্র্য তুলে ধরে।
তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ফলের দাম কেন বাড়ছে বা কোন ফলের দাম কত হওয়া উচিত, সে বিষয়ে অনেক সময় স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। ফলে দোকানভেদে দামের পার্থক্যও দেখা যায়। ফলের মান ও দামের বিষয়ে বিক্রেতাদের কাছ থেকে পরিষ্কার তথ্য পাওয়া গেলে কেনাকাটায় সুবিধা হবে।

সবজির দাম কিছুটা কমলেও, স্বস্তি নেই মুরগিতে







