লোকসান এড়াতে কম লাভে গরু-ছাগল বিক্রি

লোকসান এড়াতে কম লাভে গরু-ছাগল বিক্রি
রাকিবুল ইসলাম

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলোতে এখনো বেচাকেনা চলছে। তবে বেশকিছু ছোট হাটে বেচাকেনা কমে এসেছে। লোকসানের আশঙ্কায় মালিক ও ব্যবসায়ীরা কম লাভে গরু ও ছাগল বিক্রি করে দিচ্ছেন।
বুধবার দুপুর দুইটার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, হাজারীবাগ পশুর হাট অনেকটাই ফাঁকা। হাট ও এর আশপাশে সবমিলিয়ে এক শ গরু ও ২০-৩০টি ছাগল আছে। অথচ কয়েক দিন আগেও এখানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল।
গরু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তারা গরু কিনে লাভের আশায় রাজধানীতে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু প্রত্যাশিত দাম পাননি। তাই ঈদের আগেই লোকসান এড়াতে গরু বিক্রি করে দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, ঈদের শেষ সময়ে গরু বিক্রি করতে না পারলে সেগুলো আবার বাড়ি ফিরিয়ে নিতে হয়। এতে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে বাড়তি খরচ হয়। তাই কম লাভ হলেও দ্রুত গরু বিক্রি করে দিয়েছেন তারা।
হাজারীবাগ হাটের ইজারাদারের লোকজন ও গবাদি পশুর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে আড়াই লাখ থেকে ৬০ হাজার টাকায় গরু কেনাবেচা হয়েছে। আর ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে ছাগল ।
রাজশাহী থেকে বেশকিছু গরু নিয়ে হাজারিবাগ হাটে এসেছিলেন ব্যবসায়ী আবুল মিয়া। এবার গরু বিক্রি করে লাভ কম হয়েছে তার। তিনি জানালেন, তিনি একটি গরুর দাম ২ লাখ ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন। তবে ক্রেতারা সেটির দাম এক লাখ থেকে দেড় লাখ বলায় তিনি আর বিক্রি করেননি। তিনি বলেন, “বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও গরু ফেরত নিয়ে যাওয়ার চেয়ে বিক্রি করে দেওয়াই ভালো।”
গরুর দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন গতবারের চেয়ে এবার দাম অনেক বেশি। আবার কেউ বলছেন দাম কম। অনেকেই বলছেন, শেষ সময়ে এসে তুলনামূলক কম দামে তারা গরু কিনতে পারছেন।
বুধবার বিকেলে হাজারীবাগ পশুর হাট থেকে ছোট আকারের একটি গরু কেনেন কালাম শেখ। তিনি বলেন, তিনি যে গরু কিনেছেন সেটি থেকে প্রায় দেড় থেকে দুই মণ মাংস পাওয়া যাবে। গরুটি তিনি ৬২ হাজার টাকায় কিনেছেন। অন্য সময় হলে একই ধরনের গরুর দাম এক লাখ টাকার কাছাকাছি হতো।
তবে কয়েকজন ক্রেতা বলেন, বড় আকারের গরুর দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। শেষ মুহূর্তে হাটে গরুর সংখ্যা কমে যাওয়ায় খুব একটা সুবিধা করতে পারছেন না তারা।

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলোতে এখনো বেচাকেনা চলছে। তবে বেশকিছু ছোট হাটে বেচাকেনা কমে এসেছে। লোকসানের আশঙ্কায় মালিক ও ব্যবসায়ীরা কম লাভে গরু ও ছাগল বিক্রি করে দিচ্ছেন।
বুধবার দুপুর দুইটার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, হাজারীবাগ পশুর হাট অনেকটাই ফাঁকা। হাট ও এর আশপাশে সবমিলিয়ে এক শ গরু ও ২০-৩০টি ছাগল আছে। অথচ কয়েক দিন আগেও এখানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল।
গরু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তারা গরু কিনে লাভের আশায় রাজধানীতে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু প্রত্যাশিত দাম পাননি। তাই ঈদের আগেই লোকসান এড়াতে গরু বিক্রি করে দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, ঈদের শেষ সময়ে গরু বিক্রি করতে না পারলে সেগুলো আবার বাড়ি ফিরিয়ে নিতে হয়। এতে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে বাড়তি খরচ হয়। তাই কম লাভ হলেও দ্রুত গরু বিক্রি করে দিয়েছেন তারা।
হাজারীবাগ হাটের ইজারাদারের লোকজন ও গবাদি পশুর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে আড়াই লাখ থেকে ৬০ হাজার টাকায় গরু কেনাবেচা হয়েছে। আর ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে ছাগল ।
রাজশাহী থেকে বেশকিছু গরু নিয়ে হাজারিবাগ হাটে এসেছিলেন ব্যবসায়ী আবুল মিয়া। এবার গরু বিক্রি করে লাভ কম হয়েছে তার। তিনি জানালেন, তিনি একটি গরুর দাম ২ লাখ ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন। তবে ক্রেতারা সেটির দাম এক লাখ থেকে দেড় লাখ বলায় তিনি আর বিক্রি করেননি। তিনি বলেন, “বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও গরু ফেরত নিয়ে যাওয়ার চেয়ে বিক্রি করে দেওয়াই ভালো।”
গরুর দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন গতবারের চেয়ে এবার দাম অনেক বেশি। আবার কেউ বলছেন দাম কম। অনেকেই বলছেন, শেষ সময়ে এসে তুলনামূলক কম দামে তারা গরু কিনতে পারছেন।
বুধবার বিকেলে হাজারীবাগ পশুর হাট থেকে ছোট আকারের একটি গরু কেনেন কালাম শেখ। তিনি বলেন, তিনি যে গরু কিনেছেন সেটি থেকে প্রায় দেড় থেকে দুই মণ মাংস পাওয়া যাবে। গরুটি তিনি ৬২ হাজার টাকায় কিনেছেন। অন্য সময় হলে একই ধরনের গরুর দাম এক লাখ টাকার কাছাকাছি হতো।
তবে কয়েকজন ক্রেতা বলেন, বড় আকারের গরুর দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। শেষ মুহূর্তে হাটে গরুর সংখ্যা কমে যাওয়ায় খুব একটা সুবিধা করতে পারছেন না তারা।

লোকসান এড়াতে কম লাভে গরু-ছাগল বিক্রি
রাকিবুল ইসলাম

ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর কোরবানির পশুর হাটগুলোতে এখনো বেচাকেনা চলছে। তবে বেশকিছু ছোট হাটে বেচাকেনা কমে এসেছে। লোকসানের আশঙ্কায় মালিক ও ব্যবসায়ীরা কম লাভে গরু ও ছাগল বিক্রি করে দিচ্ছেন।
বুধবার দুপুর দুইটার দিকে সরেজমিনে দেখা যায়, হাজারীবাগ পশুর হাট অনেকটাই ফাঁকা। হাট ও এর আশপাশে সবমিলিয়ে এক শ গরু ও ২০-৩০টি ছাগল আছে। অথচ কয়েক দিন আগেও এখানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ছিল।
গরু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে তারা গরু কিনে লাভের আশায় রাজধানীতে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু প্রত্যাশিত দাম পাননি। তাই ঈদের আগেই লোকসান এড়াতে গরু বিক্রি করে দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, ঈদের শেষ সময়ে গরু বিক্রি করতে না পারলে সেগুলো আবার বাড়ি ফিরিয়ে নিতে হয়। এতে পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে বাড়তি খরচ হয়। তাই কম লাভ হলেও দ্রুত গরু বিক্রি করে দিয়েছেন তারা।
হাজারীবাগ হাটের ইজারাদারের লোকজন ও গবাদি পশুর ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখানে আড়াই লাখ থেকে ৬০ হাজার টাকায় গরু কেনাবেচা হয়েছে। আর ১৫ থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে ছাগল ।
রাজশাহী থেকে বেশকিছু গরু নিয়ে হাজারিবাগ হাটে এসেছিলেন ব্যবসায়ী আবুল মিয়া। এবার গরু বিক্রি করে লাভ কম হয়েছে তার। তিনি জানালেন, তিনি একটি গরুর দাম ২ লাখ ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন। তবে ক্রেতারা সেটির দাম এক লাখ থেকে দেড় লাখ বলায় তিনি আর বিক্রি করেননি। তিনি বলেন, “বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। তারপরও গরু ফেরত নিয়ে যাওয়ার চেয়ে বিক্রি করে দেওয়াই ভালো।”
গরুর দাম নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে আছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছেন গতবারের চেয়ে এবার দাম অনেক বেশি। আবার কেউ বলছেন দাম কম। অনেকেই বলছেন, শেষ সময়ে এসে তুলনামূলক কম দামে তারা গরু কিনতে পারছেন।
বুধবার বিকেলে হাজারীবাগ পশুর হাট থেকে ছোট আকারের একটি গরু কেনেন কালাম শেখ। তিনি বলেন, তিনি যে গরু কিনেছেন সেটি থেকে প্রায় দেড় থেকে দুই মণ মাংস পাওয়া যাবে। গরুটি তিনি ৬২ হাজার টাকায় কিনেছেন। অন্য সময় হলে একই ধরনের গরুর দাম এক লাখ টাকার কাছাকাছি হতো।
তবে কয়েকজন ক্রেতা বলেন, বড় আকারের গরুর দাম এখনো তুলনামূলক বেশি। শেষ মুহূর্তে হাটে গরুর সংখ্যা কমে যাওয়ায় খুব একটা সুবিধা করতে পারছেন না তারা।




