সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় নেই আজিজ খান

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় নেই আজিজ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় এবার জায়গা হয়নি সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের। কয়েক বছর ধরে ফোর্বসের এই তালিকায় থাকলেও ২০২৬ সালের প্রকাশিত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এই ব্যবসায়ী। তবে বিশ্বের শতকোটিপতিদের তালিকায় এখনো নাম রয়েছে তার।
সম্প্রতি ২০২৬ সালের ‘সিঙ্গাপুর’স ৫০ রিচেস্ট’ তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস।
তালিকা অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ২৩৯ বিলিয়ন ডলার। এবার তালিকায় জায়গা পাওয়ার সর্বনিম্ন সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বসের হিসাবে, আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার। ফলে ২০২৫ সালে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে সিঙ্গাপুরের ৪৯তম ধনী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও ২০২৬ সালের তালিকায় আর স্থান পাননি তিনি।
আজিজ খান ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো ফোর্বসের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় স্থান পান। এরপর কয়েক বছর ধরে তালিকায় ছিলেন তিনি। ২০২২ সালে ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে সিঙ্গাপুরের ৪২তম ধনী হন তিনি। পরবর্তী সময়ে তার অবস্থান আরও ওপরে ওঠে, ২০২৩ সালে ৪১তম এবং ২০২৫ সালে ৪৯তম অবস্থানে ছিলেন তিনি।
সিঙ্গাপুরের তালিকায় জায়গা না পেলেও ফোর্বসের বৈশ্বিক বিলিয়নেয়ার তালিকায় রয়েছে আজিজ খানের নাম ।
২০১৯ সালে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয় জাপানের জ্বালানি প্রতিষ্ঠান জেরা। ওই লেনদেনে প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের মূল্যায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে বসবাসের পর আজিজ খান দেশটির নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। সিঙ্গাপুরে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ না থাকায় বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়েছে তাকে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দ্য স্ট্রেইটস টাইমসও তাকে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এদিকে, ২০২৬ সালের ফোর্বস তালিকায় সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনী হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন মেটার সহপ্রতিষ্ঠাতা এদুয়ার্দো সাভেরিন। তার সম্পদের পরিমাণ ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। ১৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন খেক লেং বেং ও তার পরিবার। তৃতীয় অবস্থানে থাকা রবার্ট ও ফিলিপ এনজির সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ১৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা তৈরিতে শেয়ার মালিকানা, আর্থিক তথ্য, শেয়ারবাজারের মূল্য এবং বিনিময় হারসহ বিভিন্ন তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তালিকাটির সম্পদের হিসাব ২০২৬ সালের ১৪ আগস্ট বাজার বন্ধ হওয়ার সময়কার শেয়ারদর ও বিনিময় হার অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় এবার জায়গা হয়নি সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের। কয়েক বছর ধরে ফোর্বসের এই তালিকায় থাকলেও ২০২৬ সালের প্রকাশিত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এই ব্যবসায়ী। তবে বিশ্বের শতকোটিপতিদের তালিকায় এখনো নাম রয়েছে তার।
সম্প্রতি ২০২৬ সালের ‘সিঙ্গাপুর’স ৫০ রিচেস্ট’ তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস।
তালিকা অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ২৩৯ বিলিয়ন ডলার। এবার তালিকায় জায়গা পাওয়ার সর্বনিম্ন সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বসের হিসাবে, আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার। ফলে ২০২৫ সালে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে সিঙ্গাপুরের ৪৯তম ধনী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও ২০২৬ সালের তালিকায় আর স্থান পাননি তিনি।
আজিজ খান ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো ফোর্বসের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় স্থান পান। এরপর কয়েক বছর ধরে তালিকায় ছিলেন তিনি। ২০২২ সালে ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে সিঙ্গাপুরের ৪২তম ধনী হন তিনি। পরবর্তী সময়ে তার অবস্থান আরও ওপরে ওঠে, ২০২৩ সালে ৪১তম এবং ২০২৫ সালে ৪৯তম অবস্থানে ছিলেন তিনি।
সিঙ্গাপুরের তালিকায় জায়গা না পেলেও ফোর্বসের বৈশ্বিক বিলিয়নেয়ার তালিকায় রয়েছে আজিজ খানের নাম ।
২০১৯ সালে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয় জাপানের জ্বালানি প্রতিষ্ঠান জেরা। ওই লেনদেনে প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের মূল্যায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে বসবাসের পর আজিজ খান দেশটির নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। সিঙ্গাপুরে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ না থাকায় বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়েছে তাকে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দ্য স্ট্রেইটস টাইমসও তাকে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এদিকে, ২০২৬ সালের ফোর্বস তালিকায় সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনী হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন মেটার সহপ্রতিষ্ঠাতা এদুয়ার্দো সাভেরিন। তার সম্পদের পরিমাণ ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। ১৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন খেক লেং বেং ও তার পরিবার। তৃতীয় অবস্থানে থাকা রবার্ট ও ফিলিপ এনজির সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ১৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা তৈরিতে শেয়ার মালিকানা, আর্থিক তথ্য, শেয়ারবাজারের মূল্য এবং বিনিময় হারসহ বিভিন্ন তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তালিকাটির সম্পদের হিসাব ২০২৬ সালের ১৪ আগস্ট বাজার বন্ধ হওয়ার সময়কার শেয়ারদর ও বিনিময় হার অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনীদের তালিকায় নেই আজিজ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক

সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় এবার জায়গা হয়নি সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খানের। কয়েক বছর ধরে ফোর্বসের এই তালিকায় থাকলেও ২০২৬ সালের প্রকাশিত তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া এই ব্যবসায়ী। তবে বিশ্বের শতকোটিপতিদের তালিকায় এখনো নাম রয়েছে তার।
সম্প্রতি ২০২৬ সালের ‘সিঙ্গাপুর’স ৫০ রিচেস্ট’ তালিকা প্রকাশ করেছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস।
তালিকা অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ২৩৯ বিলিয়ন ডলার। এবার তালিকায় জায়গা পাওয়ার সর্বনিম্ন সম্পদের পরিমাণ ছিল ১ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বসের হিসাবে, আজিজ খানের সম্পদের পরিমাণ বর্তমানে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার। ফলে ২০২৫ সালে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে সিঙ্গাপুরের ৪৯তম ধনী হিসেবে তালিকাভুক্ত হলেও ২০২৬ সালের তালিকায় আর স্থান পাননি তিনি।
আজিজ খান ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো ফোর্বসের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকায় স্থান পান। এরপর কয়েক বছর ধরে তালিকায় ছিলেন তিনি। ২০২২ সালে ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে সিঙ্গাপুরের ৪২তম ধনী হন তিনি। পরবর্তী সময়ে তার অবস্থান আরও ওপরে ওঠে, ২০২৩ সালে ৪১তম এবং ২০২৫ সালে ৪৯তম অবস্থানে ছিলেন তিনি।
সিঙ্গাপুরের তালিকায় জায়গা না পেলেও ফোর্বসের বৈশ্বিক বিলিয়নেয়ার তালিকায় রয়েছে আজিজ খানের নাম ।
২০১৯ সালে সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের ২২ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয় জাপানের জ্বালানি প্রতিষ্ঠান জেরা। ওই লেনদেনে প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা সামিট পাওয়ার ইন্টারন্যাশনালের মূল্যায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে বসবাসের পর আজিজ খান দেশটির নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। সিঙ্গাপুরে দ্বৈত নাগরিকত্বের সুযোগ না থাকায় বাংলাদেশি নাগরিকত্ব ত্যাগ করতে হয়েছে তাকে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দ্য স্ট্রেইটস টাইমসও তাকে বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এদিকে, ২০২৬ সালের ফোর্বস তালিকায় সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ধনী হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন মেটার সহপ্রতিষ্ঠাতা এদুয়ার্দো সাভেরিন। তার সম্পদের পরিমাণ ৩২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার। ১৬ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছেন খেক লেং বেং ও তার পরিবার। তৃতীয় অবস্থানে থাকা রবার্ট ও ফিলিপ এনজির সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ ১৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার।
ফোর্বস জানিয়েছে, ২০২৬ সালের সিঙ্গাপুরের শীর্ষ ৫০ ধনীর তালিকা তৈরিতে শেয়ার মালিকানা, আর্থিক তথ্য, শেয়ারবাজারের মূল্য এবং বিনিময় হারসহ বিভিন্ন তথ্য বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তালিকাটির সম্পদের হিসাব ২০২৬ সালের ১৪ আগস্ট বাজার বন্ধ হওয়ার সময়কার শেয়ারদর ও বিনিময় হার অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে।

ব্যাংকের পুরোনো মালিকদের ফেরার সুযোগ বাতিলের সুপারিশ







