বাজেটে কমছে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও সোলারের দাম, বাড়বে যেসব পণ্যের দাম

বাজেটে কমছে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও সোলারের দাম, বাড়বে যেসব পণ্যের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং কর ব্যবস্থায় বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, সরকারের নিত্যপণ্যের দাম সহনশীল রাখা এবং উৎপাদিত পণ্যে দ্বিগুণ কর পরিহার করছে। একই সঙ্গে ‘সম্পদ কর’ নামে নতুন একটি কর কাঠামো চালু ও উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভ্যাট ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নিচ্ছে।
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে
ওষুধ: ক্যানসার ও ডায়াবেটিসসহ গুরুত্বপূর্ণ জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ওপর শুল্ক কমানো হচ্ছে। আগামী বাজেটে বিশেষ করে ক্যানসারের ১৭টি ওষুধে শুল্ক ছাড় ও ৭টি বিরল রোগের ওষুধের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও পণ্য: সোলার প্যানেল, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সেল এবং বায়োগ্যাস মিশ্রিত সিএনজি গ্যাসের দাম কমার পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম কমাতে প্রণোদনা দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।
শিক্ষাসামগ্রী: নোটবুক, পেনসিল ও ইরেজারের মতো স্টেশনারি পণ্যের দাম কমানো বলে জানা গেছে ।
যানবাহন: রিচার্জেবল বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জীবন ও স্বাস্থ্য বীমা: স্বাস্থ্য বীমা ও জীবন বীমা পলিসিকে করমুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের খরচ কিছুটা কমবে।
যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
আসন্ন বাজেটে উচ্চহারে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করায় তামাকজাত পণ্য (বিড়ি, সিগারেট), অ্যালকোহল (মদ), বিভিন্ন খনিজ দ্রব্য এবং কাপড় তৈরির কিছু কাঁচামালের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে চিনিযুক্ত পানীয়র ওপর স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ এবং উচ্চহারে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। একইসঙ্গে ভ্যাটের আওতা বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার হবে ৯ দশমিক ৩০ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৯৫ লাখ কোটি টাকা । যার মধ্যে এনবিআরকে ৬ দশমিক ৪ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হবে। যা জিডিপির ৯ দশমিক ২১ শতাংশ ।
এদিকে, বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ দশমিক ৩৫ লাখ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে । বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩ লাখ কোটি টাকা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ।
খাত বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেটের মূল সমস্যা হচ্ছে আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং দরকারি তহবিল কীভাবে সংগ্রহ হবে। এই বিপুল অর্থের জোগান কীভাবে আসবে সেটি বড় প্রশ্ন । কারন বর্তমানে কর-জিডিপির অনুপাত কমে ৭ শতাংশের নিচে অবস্থান করছে, সেখানে ৯ দশমিক ২১ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা কতটা বাস্তব সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং কর ব্যবস্থায় বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, সরকারের নিত্যপণ্যের দাম সহনশীল রাখা এবং উৎপাদিত পণ্যে দ্বিগুণ কর পরিহার করছে। একই সঙ্গে ‘সম্পদ কর’ নামে নতুন একটি কর কাঠামো চালু ও উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভ্যাট ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নিচ্ছে।
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে
ওষুধ: ক্যানসার ও ডায়াবেটিসসহ গুরুত্বপূর্ণ জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ওপর শুল্ক কমানো হচ্ছে। আগামী বাজেটে বিশেষ করে ক্যানসারের ১৭টি ওষুধে শুল্ক ছাড় ও ৭টি বিরল রোগের ওষুধের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও পণ্য: সোলার প্যানেল, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সেল এবং বায়োগ্যাস মিশ্রিত সিএনজি গ্যাসের দাম কমার পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম কমাতে প্রণোদনা দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।
শিক্ষাসামগ্রী: নোটবুক, পেনসিল ও ইরেজারের মতো স্টেশনারি পণ্যের দাম কমানো বলে জানা গেছে ।
যানবাহন: রিচার্জেবল বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জীবন ও স্বাস্থ্য বীমা: স্বাস্থ্য বীমা ও জীবন বীমা পলিসিকে করমুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের খরচ কিছুটা কমবে।
যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
আসন্ন বাজেটে উচ্চহারে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করায় তামাকজাত পণ্য (বিড়ি, সিগারেট), অ্যালকোহল (মদ), বিভিন্ন খনিজ দ্রব্য এবং কাপড় তৈরির কিছু কাঁচামালের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে চিনিযুক্ত পানীয়র ওপর স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ এবং উচ্চহারে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। একইসঙ্গে ভ্যাটের আওতা বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার হবে ৯ দশমিক ৩০ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৯৫ লাখ কোটি টাকা । যার মধ্যে এনবিআরকে ৬ দশমিক ৪ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হবে। যা জিডিপির ৯ দশমিক ২১ শতাংশ ।
এদিকে, বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ দশমিক ৩৫ লাখ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে । বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩ লাখ কোটি টাকা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ।
খাত বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেটের মূল সমস্যা হচ্ছে আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং দরকারি তহবিল কীভাবে সংগ্রহ হবে। এই বিপুল অর্থের জোগান কীভাবে আসবে সেটি বড় প্রশ্ন । কারন বর্তমানে কর-জিডিপির অনুপাত কমে ৭ শতাংশের নিচে অবস্থান করছে, সেখানে ৯ দশমিক ২১ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা কতটা বাস্তব সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

বাজেটে কমছে জীবনরক্ষাকারী ওষুধ ও সোলারের দাম, বাড়বে যেসব পণ্যের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি দেশীয় শিল্পের বিকাশ, আমদানি নির্ভরতা কমানো এবং কর ব্যবস্থায় বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কারের উদ্যোগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, সরকারের নিত্যপণ্যের দাম সহনশীল রাখা এবং উৎপাদিত পণ্যে দ্বিগুণ কর পরিহার করছে। একই সঙ্গে ‘সম্পদ কর’ নামে নতুন একটি কর কাঠামো চালু ও উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ভ্যাট ব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজেশনের উদ্যোগ নিচ্ছে।
বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে পারে
ওষুধ: ক্যানসার ও ডায়াবেটিসসহ গুরুত্বপূর্ণ জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ওপর শুল্ক কমানো হচ্ছে। আগামী বাজেটে বিশেষ করে ক্যানসারের ১৭টি ওষুধে শুল্ক ছাড় ও ৭টি বিরল রোগের ওষুধের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও পণ্য: সোলার প্যানেল, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সেল এবং বায়োগ্যাস মিশ্রিত সিএনজি গ্যাসের দাম কমার পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম কমাতে প্রণোদনা দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।
শিক্ষাসামগ্রী: নোটবুক, পেনসিল ও ইরেজারের মতো স্টেশনারি পণ্যের দাম কমানো বলে জানা গেছে ।
যানবাহন: রিচার্জেবল বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জীবন ও স্বাস্থ্য বীমা: স্বাস্থ্য বীমা ও জীবন বীমা পলিসিকে করমুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের খরচ কিছুটা কমবে।
যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে
আসন্ন বাজেটে উচ্চহারে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করায় তামাকজাত পণ্য (বিড়ি, সিগারেট), অ্যালকোহল (মদ), বিভিন্ন খনিজ দ্রব্য এবং কাপড় তৈরির কিছু কাঁচামালের দাম বাড়তে পারে। একই সঙ্গে চিনিযুক্ত পানীয়র ওপর স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ এবং উচ্চহারে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। একইসঙ্গে ভ্যাটের আওতা বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।
আগামী ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করা হবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার হবে ৯ দশমিক ৩০ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৯৫ লাখ কোটি টাকা । যার মধ্যে এনবিআরকে ৬ দশমিক ৪ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হবে। যা জিডিপির ৯ দশমিক ২১ শতাংশ ।
এদিকে, বাজেট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ দশমিক ৩৫ লাখ কোটি টাকা। যা জিডিপির ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এই ঘাটতি পূরণে ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে । বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ বাড়িয়ে ৩ লাখ কোটি টাকা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৫০ শতাংশ বেশি ।
খাত বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেটের মূল সমস্যা হচ্ছে আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং দরকারি তহবিল কীভাবে সংগ্রহ হবে। এই বিপুল অর্থের জোগান কীভাবে আসবে সেটি বড় প্রশ্ন । কারন বর্তমানে কর-জিডিপির অনুপাত কমে ৭ শতাংশের নিচে অবস্থান করছে, সেখানে ৯ দশমিক ২১ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা কতটা বাস্তব সম্মত তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ নিয়ে যা জানা গেল


